ইইউর চাপে সরকার, এয়ারবাসের ৪ উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত

ইইউর চাপে সরকার, এয়ারবাসের ৪ উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কিন কোম্পনি বোয়িংয়ের পর এবার ফ্রান্স-জার্মানির নেতৃত্বাধীন এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চাপেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরকারের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য করেছে বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে। এবার করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বললেন, ইইউ এরইমধ্যে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। গত মাসে বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার নিয়ে আলোচনার সময় তারা এ অভিযোগ জানায়। উরোজাহাজ না কিনলে এসব অভিযোগ চলতেই থাকবে। তাদের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যও অনেক। আমাদের রপ্তানির প্রায় অর্ধেক সেখানে যায়। তাই দুইপক্ষকেই খুশি করার কৌশলী রাস্তায় থাকতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমের সভাপতিত্বে গত ৯ জুন মন্ত্রণালয়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে– এয়ারবাস থেকে ৪টি এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ স্বল্পতম সময়ে কেনা হবে। এর জন্য নতুন করে কোনো কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন কমিটি হবে না। এপ্রিল মাসে বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার যে কমিটি ছিল, তারাই মূল্যায়নের কাজটি করবে। ১ শতাংশ সাইনিং মানির টাকা দেবে বিমান। এয়ারবাস কেনার অনুমোদনও বিমান পরিচালনা পর্ষদ থেকে করিয়ে নিতে হবে। এয়ারবাস যে সময়সীমা উল্লেখ করেছে, তার সঙ্গে মিল রেখে কেনার কাজটি শেষ করবে বিমান।
৯ জুনের এ সিদ্ধান্ত পরদিনই কার্যবিবরণী আকারে বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যায়। জানা গেছে, দুয়েকদিনের মধ্যেই বিমান পরিচালনা পর্ষদ সভা ডেকে এই ‘অবশ্য পালনীয় সিদ্ধান্ত’ অনুমোদন করিয়ে নেবে। এরপর পাঠানো হবে মন্ত্রিসভা বৈঠকে।
এর আগে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি থেকে অব্যাহতি নিতে হবে। তাদের নিয়মানুযায়ী টেন্ডার ডাকার বাধ্যবাধকতা আছে। তবে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাবটি সিঙ্গেল সোর্স প্রপোজাল। কারণ তারাই নির্মাতা, তারাই সরবরাহকারী। এখানে টেন্ডারের সুযোগ নেই।
৯ জুনের বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি শুধু বাণিজ্যিক বা আর্থিক বিবেচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এর সঙ্গে বাংলাদেশের বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থ গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বিশেষত, বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্পের ৫০-৫৫ শতাংশ পণ্য ইউরোপের বাজারে রপ্তানি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা বিভিন্ন কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হয়। সেক্ষেত্রে ৪টি এয়ারবাস কেনার আলোচনা হয়। বোয়িংয়ের সঙ্গে যেভাবে চুক্তি হয়েছে, এক্ষেত্রেও সেই একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত হয়।
এয়ারবাসের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ৪টি দূরপাল্লার এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ পাবে বিমান। এগুলো ২০৩৪ ও ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ হবে। প্রথমটি ২০৩৪ সালের জানুয়ারি-জুনে, দ্বিতীয়টি একই বছরের জুলাই-ডিসেম্বরে, তৃতীয়টি ২০৩৫ সালের জানুয়ারি-জুনে এবং চতুর্থটি একই বছরের জুলাই-ডিসেম্বরে। সব ছাড় সমন্বয়ের পর প্রতিটি উড়োজাহাজের সম্ভাব্য নিট মূল্য দাঁড়ায় ১৬ কোটি ৫০ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫০ ডলার (প্রায় ১ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা)। বোয়িংয়ের তুলনায় এয়ারবাসের দাম বেশি হলেও তারা ছাড় দিয়ে বাংলাদেশে নতুন করে প্রবেশ করতে চাইছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এর দাম প্রায় প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। প্রতিটি উড়োজাহাজের দাম গড়ে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এসব উড়োজাহাজ ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

মার্কিন কোম্পনি বোয়িংয়ের পর এবার ফ্রান্স-জার্মানির নেতৃত্বাধীন এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চাপেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরকারের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য করেছে বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে। এবার করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বললেন, ইইউ এরইমধ্যে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। গত মাসে বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার নিয়ে আলোচনার সময় তারা এ অভিযোগ জানায়। উরোজাহাজ না কিনলে এসব অভিযোগ চলতেই থাকবে। তাদের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যও অনেক। আমাদের রপ্তানির প্রায় অর্ধেক সেখানে যায়। তাই দুইপক্ষকেই খুশি করার কৌশলী রাস্তায় থাকতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমের সভাপতিত্বে গত ৯ জুন মন্ত্রণালয়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে– এয়ারবাস থেকে ৪টি এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ স্বল্পতম সময়ে কেনা হবে। এর জন্য নতুন করে কোনো কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন কমিটি হবে না। এপ্রিল মাসে বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার যে কমিটি ছিল, তারাই মূল্যায়নের কাজটি করবে। ১ শতাংশ সাইনিং মানির টাকা দেবে বিমান। এয়ারবাস কেনার অনুমোদনও বিমান পরিচালনা পর্ষদ থেকে করিয়ে নিতে হবে। এয়ারবাস যে সময়সীমা উল্লেখ করেছে, তার সঙ্গে মিল রেখে কেনার কাজটি শেষ করবে বিমান।
৯ জুনের এ সিদ্ধান্ত পরদিনই কার্যবিবরণী আকারে বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যায়। জানা গেছে, দুয়েকদিনের মধ্যেই বিমান পরিচালনা পর্ষদ সভা ডেকে এই ‘অবশ্য পালনীয় সিদ্ধান্ত’ অনুমোদন করিয়ে নেবে। এরপর পাঠানো হবে মন্ত্রিসভা বৈঠকে।
এর আগে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি থেকে অব্যাহতি নিতে হবে। তাদের নিয়মানুযায়ী টেন্ডার ডাকার বাধ্যবাধকতা আছে। তবে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাবটি সিঙ্গেল সোর্স প্রপোজাল। কারণ তারাই নির্মাতা, তারাই সরবরাহকারী। এখানে টেন্ডারের সুযোগ নেই।
৯ জুনের বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি শুধু বাণিজ্যিক বা আর্থিক বিবেচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এর সঙ্গে বাংলাদেশের বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থ গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বিশেষত, বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্পের ৫০-৫৫ শতাংশ পণ্য ইউরোপের বাজারে রপ্তানি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা বিভিন্ন কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হয়। সেক্ষেত্রে ৪টি এয়ারবাস কেনার আলোচনা হয়। বোয়িংয়ের সঙ্গে যেভাবে চুক্তি হয়েছে, এক্ষেত্রেও সেই একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত হয়।
এয়ারবাসের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ৪টি দূরপাল্লার এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ পাবে বিমান। এগুলো ২০৩৪ ও ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ হবে। প্রথমটি ২০৩৪ সালের জানুয়ারি-জুনে, দ্বিতীয়টি একই বছরের জুলাই-ডিসেম্বরে, তৃতীয়টি ২০৩৫ সালের জানুয়ারি-জুনে এবং চতুর্থটি একই বছরের জুলাই-ডিসেম্বরে। সব ছাড় সমন্বয়ের পর প্রতিটি উড়োজাহাজের সম্ভাব্য নিট মূল্য দাঁড়ায় ১৬ কোটি ৫০ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫০ ডলার (প্রায় ১ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা)। বোয়িংয়ের তুলনায় এয়ারবাসের দাম বেশি হলেও তারা ছাড় দিয়ে বাংলাদেশে নতুন করে প্রবেশ করতে চাইছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এর দাম প্রায় প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। প্রতিটি উড়োজাহাজের দাম গড়ে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এসব উড়োজাহাজ ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

ইইউর চাপে সরকার, এয়ারবাসের ৪ উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কিন কোম্পনি বোয়িংয়ের পর এবার ফ্রান্স-জার্মানির নেতৃত্বাধীন এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চাপেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরকারের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য করেছে বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করতে। এবার করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বললেন, ইইউ এরইমধ্যে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। গত মাসে বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার নিয়ে আলোচনার সময় তারা এ অভিযোগ জানায়। উরোজাহাজ না কিনলে এসব অভিযোগ চলতেই থাকবে। তাদের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যও অনেক। আমাদের রপ্তানির প্রায় অর্ধেক সেখানে যায়। তাই দুইপক্ষকেই খুশি করার কৌশলী রাস্তায় থাকতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমের সভাপতিত্বে গত ৯ জুন মন্ত্রণালয়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে– এয়ারবাস থেকে ৪টি এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ স্বল্পতম সময়ে কেনা হবে। এর জন্য নতুন করে কোনো কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন কমিটি হবে না। এপ্রিল মাসে বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার যে কমিটি ছিল, তারাই মূল্যায়নের কাজটি করবে। ১ শতাংশ সাইনিং মানির টাকা দেবে বিমান। এয়ারবাস কেনার অনুমোদনও বিমান পরিচালনা পর্ষদ থেকে করিয়ে নিতে হবে। এয়ারবাস যে সময়সীমা উল্লেখ করেছে, তার সঙ্গে মিল রেখে কেনার কাজটি শেষ করবে বিমান।
৯ জুনের এ সিদ্ধান্ত পরদিনই কার্যবিবরণী আকারে বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যায়। জানা গেছে, দুয়েকদিনের মধ্যেই বিমান পরিচালনা পর্ষদ সভা ডেকে এই ‘অবশ্য পালনীয় সিদ্ধান্ত’ অনুমোদন করিয়ে নেবে। এরপর পাঠানো হবে মন্ত্রিসভা বৈঠকে।
এর আগে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি থেকে অব্যাহতি নিতে হবে। তাদের নিয়মানুযায়ী টেন্ডার ডাকার বাধ্যবাধকতা আছে। তবে এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাবটি সিঙ্গেল সোর্স প্রপোজাল। কারণ তারাই নির্মাতা, তারাই সরবরাহকারী। এখানে টেন্ডারের সুযোগ নেই।
৯ জুনের বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি শুধু বাণিজ্যিক বা আর্থিক বিবেচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এর সঙ্গে বাংলাদেশের বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থ গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বিশেষত, বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্পের ৫০-৫৫ শতাংশ পণ্য ইউরোপের বাজারে রপ্তানি হয়ে থাকে। পাশাপাশি ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা বিভিন্ন কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হয়। সেক্ষেত্রে ৪টি এয়ারবাস কেনার আলোচনা হয়। বোয়িংয়ের সঙ্গে যেভাবে চুক্তি হয়েছে, এক্ষেত্রেও সেই একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত হয়।
এয়ারবাসের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে ৪টি দূরপাল্লার এ৩৫০-৯০০ উড়োজাহাজ পাবে বিমান। এগুলো ২০৩৪ ও ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ হবে। প্রথমটি ২০৩৪ সালের জানুয়ারি-জুনে, দ্বিতীয়টি একই বছরের জুলাই-ডিসেম্বরে, তৃতীয়টি ২০৩৫ সালের জানুয়ারি-জুনে এবং চতুর্থটি একই বছরের জুলাই-ডিসেম্বরে। সব ছাড় সমন্বয়ের পর প্রতিটি উড়োজাহাজের সম্ভাব্য নিট মূল্য দাঁড়ায় ১৬ কোটি ৫০ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫০ ডলার (প্রায় ১ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা)। বোয়িংয়ের তুলনায় এয়ারবাসের দাম বেশি হলেও তারা ছাড় দিয়ে বাংলাদেশে নতুন করে প্রবেশ করতে চাইছে।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এর দাম প্রায় প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। প্রতিটি উড়োজাহাজের দাম গড়ে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এসব উড়োজাহাজ ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

বিমানের সঙ্গে বোয়িংয়ের ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই


