হিলি স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের

হিলি স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের
দিনাজপুর সংবাদদাতা

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। শনিবার (২৯ আগস্ট) এক চিঠিতে ভারতের ব্যবসায়ীরা এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা পারভেজ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের একটা চিঠি পেয়েছি।’
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন বলেন, শনিবার রাতে ভারতের ‘লি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’ থেকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরের সঙ্গে বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় ভারতের হিলি স্থলবন্দর কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। এ কারণে ভারতীয় হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি নিরসন না হওয়া পর্যন্ত তারা রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে কোনো পণ্য রপ্তানি না করার এবং বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
হিলি স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীদের ‘কোণঠাসা করা হচ্ছে’ অভিযোগ করে ‘হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’-এর সেক্রেটারি বিকাশ মণ্ডল বলেন, ‘আপনারা যেটা শুনেছেন, সেটা সত্য। আমরা বন্দর ব্যবহারকারীরা যৌথভাবে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ অন্য স্থলবন্দরগুলোতে যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা রয়েছে। কিন্তু আমরা ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত হিলি স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে কোণঠাসা করা হচ্ছে। তাই রবিবার থেকে বাংলাদেশে কোনো ধরনের পণ্য রপ্তানি না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও কোনো ধরনের পণ্য আমদানি করা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ব্যবসায়িক স্বার্থ বজায় না থাকলে এই সিদ্ধান্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যকর হবে।’
তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মো. জাকারিয়া বলেন, পাসপোর্ট ও ভিসা থাকলে প্রতিদিনই ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ব্যবহার করে যাত্রীরা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচল করতে পারবেন।

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। শনিবার (২৯ আগস্ট) এক চিঠিতে ভারতের ব্যবসায়ীরা এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা পারভেজ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের একটা চিঠি পেয়েছি।’
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন বলেন, শনিবার রাতে ভারতের ‘লি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’ থেকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরের সঙ্গে বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় ভারতের হিলি স্থলবন্দর কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। এ কারণে ভারতীয় হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি নিরসন না হওয়া পর্যন্ত তারা রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে কোনো পণ্য রপ্তানি না করার এবং বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
হিলি স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীদের ‘কোণঠাসা করা হচ্ছে’ অভিযোগ করে ‘হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’-এর সেক্রেটারি বিকাশ মণ্ডল বলেন, ‘আপনারা যেটা শুনেছেন, সেটা সত্য। আমরা বন্দর ব্যবহারকারীরা যৌথভাবে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ অন্য স্থলবন্দরগুলোতে যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা রয়েছে। কিন্তু আমরা ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত হিলি স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে কোণঠাসা করা হচ্ছে। তাই রবিবার থেকে বাংলাদেশে কোনো ধরনের পণ্য রপ্তানি না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও কোনো ধরনের পণ্য আমদানি করা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ব্যবসায়িক স্বার্থ বজায় না থাকলে এই সিদ্ধান্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যকর হবে।’
তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মো. জাকারিয়া বলেন, পাসপোর্ট ও ভিসা থাকলে প্রতিদিনই ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ব্যবহার করে যাত্রীরা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচল করতে পারবেন।

হিলি স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা ভারতীয় ব্যবসায়ীদের
দিনাজপুর সংবাদদাতা

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। শনিবার (২৯ আগস্ট) এক চিঠিতে ভারতের ব্যবসায়ীরা এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা পারভেজ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের একটা চিঠি পেয়েছি।’
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হোসেন বলেন, শনিবার রাতে ভারতের ‘লি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’ থেকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরের সঙ্গে বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় ভারতের হিলি স্থলবন্দর কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। এ কারণে ভারতীয় হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি নিরসন না হওয়া পর্যন্ত তারা রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে কোনো পণ্য রপ্তানি না করার এবং বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
হিলি স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীদের ‘কোণঠাসা করা হচ্ছে’ অভিযোগ করে ‘হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’-এর সেক্রেটারি বিকাশ মণ্ডল বলেন, ‘আপনারা যেটা শুনেছেন, সেটা সত্য। আমরা বন্দর ব্যবহারকারীরা যৌথভাবে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ অন্য স্থলবন্দরগুলোতে যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা রয়েছে। কিন্তু আমরা ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত হিলি স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে কোণঠাসা করা হচ্ছে। তাই রবিবার থেকে বাংলাদেশে কোনো ধরনের পণ্য রপ্তানি না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও কোনো ধরনের পণ্য আমদানি করা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ব্যবসায়িক স্বার্থ বজায় না থাকলে এই সিদ্ধান্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যকর হবে।’
তবে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মো. জাকারিয়া বলেন, পাসপোর্ট ও ভিসা থাকলে প্রতিদিনই ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ব্যবহার করে যাত্রীরা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচল করতে পারবেন।

হিলি কাস্টমসে নিলামে উঠছে ৭৬ যানবাহন

-CznNewsLab-e0147e-256x144.webp)





