হিলি বন্দরে তিন দিন ধরে চলছে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট

হিলি বন্দরে তিন দিন ধরে চলছে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট
দিনাজপুর সংবাদদাতা

হিলি স্থলবন্দরে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট তৃতীয় দিনের মতো চলছে। ফলে মঙ্গলবারও (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।
হিলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, ধর্মঘটের কারণে সরকার প্রতিদিন কমপক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে ট্রাক প্রতি ১০ থেকে ১৫ মেট্রিক টন ওজন কমিয়ে দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৬ চাকার ট্রাকে ২০ টন এবং ১০ চাকার ট্রাকে ৩০ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহনের সীমা নির্ধারণ করা হয়।
এর প্রতিবাদে ভারতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে হিলি বন্দরের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ধর্মঘট পালন করছেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এতে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অতিরিক্ত খরচের বোঝা তৈরি হচ্ছে ।
সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

হিলি স্থলবন্দরে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট তৃতীয় দিনের মতো চলছে। ফলে মঙ্গলবারও (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।
হিলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, ধর্মঘটের কারণে সরকার প্রতিদিন কমপক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে ট্রাক প্রতি ১০ থেকে ১৫ মেট্রিক টন ওজন কমিয়ে দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৬ চাকার ট্রাকে ২০ টন এবং ১০ চাকার ট্রাকে ৩০ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহনের সীমা নির্ধারণ করা হয়।
এর প্রতিবাদে ভারতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে হিলি বন্দরের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ধর্মঘট পালন করছেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এতে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অতিরিক্ত খরচের বোঝা তৈরি হচ্ছে ।
সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

হিলি বন্দরে তিন দিন ধরে চলছে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট
দিনাজপুর সংবাদদাতা

হিলি স্থলবন্দরে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট তৃতীয় দিনের মতো চলছে। ফলে মঙ্গলবারও (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।
হিলি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, ধর্মঘটের কারণে সরকার প্রতিদিন কমপক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে ট্রাক প্রতি ১০ থেকে ১৫ মেট্রিক টন ওজন কমিয়ে দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৬ চাকার ট্রাকে ২০ টন এবং ১০ চাকার ট্রাকে ৩০ মেট্রিক টন পণ্য পরিবহনের সীমা নির্ধারণ করা হয়।
এর প্রতিবাদে ভারতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে হিলি বন্দরের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ধর্মঘট পালন করছেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এতে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অতিরিক্ত খরচের বোঝা তৈরি হচ্ছে ।
সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।









