শিরোনাম

চর বছর পর তেলের সর্বোচ্চ দাম দেখছে এশিয়া

সিটিজেন ডেস্ক
চর বছর পর তেলের সর্বোচ্চ দাম দেখছে এশিয়া
ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান। ফলে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়। এতে বিশ্বব্যাপী বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। তবে এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোতে প্রভাব পড়েছে বেশি। বর্তমানে এশিয়ায় যে দামে তেল বিক্রি হচ্ছে তা গত চার বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দু’টি বেঞ্চমার্ক আছে। একটি ব্রেন্ট ক্রুড এবং অন্যটি ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)। এশিয়ার দেশগুলো ব্রেন্ট ক্রুডের গ্রাহক।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়ার বাজারে প্রতি ব্যারেল (১৫৯ লিটার) ব্রেন্ট ক্রুড বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১২৬ ডলারে, যা যুদ্ধপূর্ব পরিস্থিতির তুলনায় শতকরা ৭ শতাংশ বেশি।

এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ দিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি তেলের দামে উত্থান দেখেছিল এশিয়া। তবে সেবার শতকরা ৭ শতাংশ দাম বৃদ্ধির ঘটনা দেখা যায়নি।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালি একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। কারণ এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ জ্বালানি পণ্য পরিবহন করা হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। তারপর থেকেই এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। ফলে এশিয়াসহ বিশ্বের প্রায় সবজাগায় জ্বালানি পণ্যের মূল্য বাড়ছে।

ব্রেন্ট ক্রুডের চাহিদা বেশি থাকায় এই তেলের দাম বৃদ্ধির হার বেশি। তবে ডব্লিউটিআইও ‘পিছিয়ে নেই’। বিবিসির তথ্য অনুসারে, বর্তমানে প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই বিক্রি হচ্ছে ১১৩ ডলারে, যা যুদ্ধপূর্ব পরিস্থিতির তুলনায় ২ শতাংশ বেশি।

সূত্র: বিবিসি

/জেএইচ/