আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের দাবি, এনবিআরের ‘না’

আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের দাবি, এনবিআরের ‘না’
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

আবাসন শিল্প রক্ষায় এবং সাধারণ মানুষের জন্য বাসস্থানের স্বপ্ন পূরণ সহজতর করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আসন্ন জাতীয় বাজেটে একগুচ্ছ দাবি উত্থাপন করেছে আবাসন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
বুধবার (৮ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট বৈঠকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূঁইয়া আবাসন খাতে স্থবিরতা কাটাতে বিনা শর্তে বা নির্দিষ্ট মেয়াদে কালোটাকা বা অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ চান। তবে এনবিআর তাতে সায় দেয়নি। প্রতি বছর এই সুযোগ দেওয়া যৌক্তিক নয় বলে মনে করে এনবিআর। ফলে রিহ্যাবের দাবিটি নাকচ হয়ে যায়।
রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান লিখিত প্রস্তাবনা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
নিবন্ধন ব্যয় কমানোর প্রস্তাব: আবাসন খাতের প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উচ্চ নিবন্ধন ব্যয়কে চিহ্নিত করে রিহ্যাব এটি কমিয়ে আনার জোরালো দাবি জানিয়েছে। বর্তমানে গেইন ট্যাক্স ৩-৬ শতাংশের পরিবর্তে ৩ শতাংশ, স্ট্যাম্প শুল্ক ১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ এবং স্থানীয় সরকার ফি ১ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া সব শ্রেণির ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ভ্যাট ২ শতাংশ নির্ধারণের অনুরোধ করেছে সংগঠনটি।
সেকেন্ডারি বাজার সৃষ্টিতে গুরুত্ব: বাংলাদেশে উন্নত দেশের মতো একটি সমৃদ্ধ 'রিয়েল এস্টেট মার্কেট' গড়ে তুলতে সেকেন্ডারি বাজার চালুর প্রস্তাব দিয়েছে রিহ্যাব। বর্তমানে সেকেন্ডারি বাজারের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় একই সম্পত্তি বারবার হাতবদলে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। রিহ্যাবের মতে, নিবন্ধন ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি ও গেইন ট্যাক্স কমিয়ে সব মিলিয়ে মাত্র ৪.৫ শতাংশে দ্বিতীয়বার ফ্ল্যাট বা প্লট ক্রয়-বিক্রয়ের সুযোগ দিলে সরকারের রাজস্ব বহুগুণ বাড়বে।
অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ ও ট্যাক্স হলিডে: আবাসন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আয়কর আইনের ১৯ বিবিবিবিবি ধারা পুনরায় প্রবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন না তোলার বিধান নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে নগরায়নকে উৎসাহিত করতে ঢাকা জেলা ও অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫ বছর এবং পৌরসভার বাইরে ১০ বছরের জন্য 'ট্যাক্স হলিডে' সুবিধা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।
নির্মাণ সামগ্রীর ওপর কর ছাড়: নির্মাণ ব্যয় সাধারণের নাগালের মধ্যে রাখতে রড ও সিমেন্ট সরবরাহে ২ শতাংশ ফ্ল্যাট টিডিএস এবং সব ধরনের কংক্রিট ব্লককে ভ্যাটমুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে রিহ্যাব। বর্তমানে ভ্যাট কর্তৃপক্ষ শুধু ফাঁপা ব্লকে অব্যাহতি দিলেও সলিড ব্লকের ওপর ভ্যাট দাবি করছে, যা প্রত্যাহারের অনুরোধ করা হয়েছে।
রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, আবাসন শিল্প শুধু বাসস্থানের চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং দেশে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহে এই খাতের ভূমিকা অপরিসীম। তাই আসন্ন বাজেটে এই প্রস্তাবনাগুলোর বাস্তবায়ন হলে আবাসন খাতে নতুন গতি আসবে এবং সাধারণ মানুষের গৃহায়নের স্বপ্ন পূরণ সহজ হবে।
বৈঠকে রিহ্যাবের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, সরকার আবাসন খাতের সংকট নিরসনে এবং একে একটি শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে টিকিয়ে রাখতে আন্তরিক সহযোগিতা দেবে।

আবাসন শিল্প রক্ষায় এবং সাধারণ মানুষের জন্য বাসস্থানের স্বপ্ন পূরণ সহজতর করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আসন্ন জাতীয় বাজেটে একগুচ্ছ দাবি উত্থাপন করেছে আবাসন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
বুধবার (৮ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট বৈঠকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূঁইয়া আবাসন খাতে স্থবিরতা কাটাতে বিনা শর্তে বা নির্দিষ্ট মেয়াদে কালোটাকা বা অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ চান। তবে এনবিআর তাতে সায় দেয়নি। প্রতি বছর এই সুযোগ দেওয়া যৌক্তিক নয় বলে মনে করে এনবিআর। ফলে রিহ্যাবের দাবিটি নাকচ হয়ে যায়।
রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান লিখিত প্রস্তাবনা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
নিবন্ধন ব্যয় কমানোর প্রস্তাব: আবাসন খাতের প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উচ্চ নিবন্ধন ব্যয়কে চিহ্নিত করে রিহ্যাব এটি কমিয়ে আনার জোরালো দাবি জানিয়েছে। বর্তমানে গেইন ট্যাক্স ৩-৬ শতাংশের পরিবর্তে ৩ শতাংশ, স্ট্যাম্প শুল্ক ১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ এবং স্থানীয় সরকার ফি ১ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া সব শ্রেণির ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ভ্যাট ২ শতাংশ নির্ধারণের অনুরোধ করেছে সংগঠনটি।
সেকেন্ডারি বাজার সৃষ্টিতে গুরুত্ব: বাংলাদেশে উন্নত দেশের মতো একটি সমৃদ্ধ 'রিয়েল এস্টেট মার্কেট' গড়ে তুলতে সেকেন্ডারি বাজার চালুর প্রস্তাব দিয়েছে রিহ্যাব। বর্তমানে সেকেন্ডারি বাজারের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় একই সম্পত্তি বারবার হাতবদলে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। রিহ্যাবের মতে, নিবন্ধন ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি ও গেইন ট্যাক্স কমিয়ে সব মিলিয়ে মাত্র ৪.৫ শতাংশে দ্বিতীয়বার ফ্ল্যাট বা প্লট ক্রয়-বিক্রয়ের সুযোগ দিলে সরকারের রাজস্ব বহুগুণ বাড়বে।
অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ ও ট্যাক্স হলিডে: আবাসন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আয়কর আইনের ১৯ বিবিবিবিবি ধারা পুনরায় প্রবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন না তোলার বিধান নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে নগরায়নকে উৎসাহিত করতে ঢাকা জেলা ও অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫ বছর এবং পৌরসভার বাইরে ১০ বছরের জন্য 'ট্যাক্স হলিডে' সুবিধা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।
নির্মাণ সামগ্রীর ওপর কর ছাড়: নির্মাণ ব্যয় সাধারণের নাগালের মধ্যে রাখতে রড ও সিমেন্ট সরবরাহে ২ শতাংশ ফ্ল্যাট টিডিএস এবং সব ধরনের কংক্রিট ব্লককে ভ্যাটমুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে রিহ্যাব। বর্তমানে ভ্যাট কর্তৃপক্ষ শুধু ফাঁপা ব্লকে অব্যাহতি দিলেও সলিড ব্লকের ওপর ভ্যাট দাবি করছে, যা প্রত্যাহারের অনুরোধ করা হয়েছে।
রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, আবাসন শিল্প শুধু বাসস্থানের চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং দেশে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহে এই খাতের ভূমিকা অপরিসীম। তাই আসন্ন বাজেটে এই প্রস্তাবনাগুলোর বাস্তবায়ন হলে আবাসন খাতে নতুন গতি আসবে এবং সাধারণ মানুষের গৃহায়নের স্বপ্ন পূরণ সহজ হবে।
বৈঠকে রিহ্যাবের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, সরকার আবাসন খাতের সংকট নিরসনে এবং একে একটি শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে টিকিয়ে রাখতে আন্তরিক সহযোগিতা দেবে।

আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের দাবি, এনবিআরের ‘না’
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

আবাসন শিল্প রক্ষায় এবং সাধারণ মানুষের জন্য বাসস্থানের স্বপ্ন পূরণ সহজতর করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আসন্ন জাতীয় বাজেটে একগুচ্ছ দাবি উত্থাপন করেছে আবাসন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
বুধবার (৮ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট বৈঠকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূঁইয়া আবাসন খাতে স্থবিরতা কাটাতে বিনা শর্তে বা নির্দিষ্ট মেয়াদে কালোটাকা বা অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ চান। তবে এনবিআর তাতে সায় দেয়নি। প্রতি বছর এই সুযোগ দেওয়া যৌক্তিক নয় বলে মনে করে এনবিআর। ফলে রিহ্যাবের দাবিটি নাকচ হয়ে যায়।
রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান লিখিত প্রস্তাবনা আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
নিবন্ধন ব্যয় কমানোর প্রস্তাব: আবাসন খাতের প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে উচ্চ নিবন্ধন ব্যয়কে চিহ্নিত করে রিহ্যাব এটি কমিয়ে আনার জোরালো দাবি জানিয়েছে। বর্তমানে গেইন ট্যাক্স ৩-৬ শতাংশের পরিবর্তে ৩ শতাংশ, স্ট্যাম্প শুল্ক ১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ এবং স্থানীয় সরকার ফি ১ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া সব শ্রেণির ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ভ্যাট ২ শতাংশ নির্ধারণের অনুরোধ করেছে সংগঠনটি।
সেকেন্ডারি বাজার সৃষ্টিতে গুরুত্ব: বাংলাদেশে উন্নত দেশের মতো একটি সমৃদ্ধ 'রিয়েল এস্টেট মার্কেট' গড়ে তুলতে সেকেন্ডারি বাজার চালুর প্রস্তাব দিয়েছে রিহ্যাব। বর্তমানে সেকেন্ডারি বাজারের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় একই সম্পত্তি বারবার হাতবদলে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। রিহ্যাবের মতে, নিবন্ধন ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি ও গেইন ট্যাক্স কমিয়ে সব মিলিয়ে মাত্র ৪.৫ শতাংশে দ্বিতীয়বার ফ্ল্যাট বা প্লট ক্রয়-বিক্রয়ের সুযোগ দিলে সরকারের রাজস্ব বহুগুণ বাড়বে।
অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ ও ট্যাক্স হলিডে: আবাসন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আয়কর আইনের ১৯ বিবিবিবিবি ধারা পুনরায় প্রবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন না তোলার বিধান নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে নগরায়নকে উৎসাহিত করতে ঢাকা জেলা ও অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫ বছর এবং পৌরসভার বাইরে ১০ বছরের জন্য 'ট্যাক্স হলিডে' সুবিধা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।
নির্মাণ সামগ্রীর ওপর কর ছাড়: নির্মাণ ব্যয় সাধারণের নাগালের মধ্যে রাখতে রড ও সিমেন্ট সরবরাহে ২ শতাংশ ফ্ল্যাট টিডিএস এবং সব ধরনের কংক্রিট ব্লককে ভ্যাটমুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে রিহ্যাব। বর্তমানে ভ্যাট কর্তৃপক্ষ শুধু ফাঁপা ব্লকে অব্যাহতি দিলেও সলিড ব্লকের ওপর ভ্যাট দাবি করছে, যা প্রত্যাহারের অনুরোধ করা হয়েছে।
রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, আবাসন শিল্প শুধু বাসস্থানের চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং দেশে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহে এই খাতের ভূমিকা অপরিসীম। তাই আসন্ন বাজেটে এই প্রস্তাবনাগুলোর বাস্তবায়ন হলে আবাসন খাতে নতুন গতি আসবে এবং সাধারণ মানুষের গৃহায়নের স্বপ্ন পূরণ সহজ হবে।
বৈঠকে রিহ্যাবের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, সরকার আবাসন খাতের সংকট নিরসনে এবং একে একটি শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে টিকিয়ে রাখতে আন্তরিক সহযোগিতা দেবে।




