রিহ্যাব নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৭০, চলছে গণনা

রিহ্যাব নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৭০, চলছে গণনা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৫৭০ ভোট পড়েছে। সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সিসিটিভি ক্যামেরা-সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে ৪০ মিনিট দেরি হয়। পরে টানা বিকাল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। এরপর স্বল্প বিরতি দিয়ে শুরু হয় গণনা।
২৯টি পদের বিপরীতে ৭৭ প্রার্থীর অংশগ্রহণে নির্বাচন বেশ জমেছে। সবার নজর এখন নতুন নেতৃত্বে।
রিহ্যাবের পাবলিক রিলেশন অফিসর আবদুর রশিদ বাবু সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ৬৭৪ জন ভোটারের মধ্যে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ৫৭০ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১৩ ভোটারের মধ্যে ৫১২ জন ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের ৬১ ভোটারের মধ্যে ৫৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সব মিলিয়ে ভোটের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৫ শতাংশ।
তথ্য অনুযায়ী, একসময় উৎসবমুখর পরিবেশে রিহ্যাব নির্বাচন হতো। তবে মাঝে এর ছন্দপতন হয়। ২০১৪ সালে ভোট ছাড়াই সংগঠনটির সভাপতি হন আলমগীর শামসুল আলামিন। পরের তিন মেয়াদেও সমঝোতার ভিত্তিতে কমিটি হয়। সব মিলিয়ে ১০ বছর পর ২০২৪ সালে ভোটের ধারা আবার ফেরে। সেই ধারা অব্যাহত রেখেই আজ সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে এবার ত্রিমুখী লড়াই। প্রথমবারের মতো সভাপতি, ৬ সহ-সভাপতি ও ১৯ পরিচালক পদের সবকটিতে সরাসরি নির্বাচন হয়েছে। সব মিলিয়ে সংগঠনটির ২৯ পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৭৭ জন ব্যবসায়ী।
প্যানেল তিনটি হলো– আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ, প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ ও জাগরণ প্যানেল। এর মধ্যে ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিলেও জাগরণ প্যানেল আংশিকভাবে অংশ নেয়। পাশাপাশি সভাপতি ও পরিচালক পদে কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও লড়াইয়ে আছেন।
সভাপতি পদে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ থেকে বর্তমান সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান, প্রগতিশীল প্যানেল থেকে গ্লোরিয়াস ল্যান্ডস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টসের চেয়ারম্যান মো. আলী আফজাল ও জাগরণ প্যানেল থেকে সাবেক সভাপতি মোকাররম হোসেন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীরাও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন পেতে কেন্দ্র এলাকায় সক্রিয় ছিলেন।
জানা যায়, রিহ্যাবের বর্তমান পর্ষদ তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়। সেই অনুযায়ী গত বছর তফসিল ঘোষণা করা হয়। ভোট হওয়ার কথা ছিল ১৭ ফেব্রুয়ারি। পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ভোট প্রায় দুই মাস পিছিয়ে যায়।
এবারের নির্বাচনে রিহ্যাবের সদস্যদের নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিয়েছে। এদিকে ১৩ জনের একটি খণ্ডিত প্যানেল দিয়েছে জাগরণ। তবে সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন নবো উদ্যোগ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল খায়ের।
ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যখন কোনো সংগঠন ঠিকমতো কাজ করতে পারেনি, আমরা তখন কাজ করেছি। রিহ্যাবে আমরা নির্বাচনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি। গত দুই বছরে আমরা ড্যাপ সংশোধন করার পাশাপাশি সরকারের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া জমি অনুমোদন ছাড়াই নামজারির সুবিধা আদায় করেছি। এ ছাড়া গৃহঋণ ২ কোটি থেকে ৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ড্যাপ সংশোধন হলেও কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে। সেগুলো সংশোধনের জন্য আমরা চেষ্টা করব।

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৫৭০ ভোট পড়েছে। সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সিসিটিভি ক্যামেরা-সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে ৪০ মিনিট দেরি হয়। পরে টানা বিকাল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। এরপর স্বল্প বিরতি দিয়ে শুরু হয় গণনা।
২৯টি পদের বিপরীতে ৭৭ প্রার্থীর অংশগ্রহণে নির্বাচন বেশ জমেছে। সবার নজর এখন নতুন নেতৃত্বে।
রিহ্যাবের পাবলিক রিলেশন অফিসর আবদুর রশিদ বাবু সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ৬৭৪ জন ভোটারের মধ্যে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ৫৭০ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১৩ ভোটারের মধ্যে ৫১২ জন ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের ৬১ ভোটারের মধ্যে ৫৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সব মিলিয়ে ভোটের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৫ শতাংশ।
তথ্য অনুযায়ী, একসময় উৎসবমুখর পরিবেশে রিহ্যাব নির্বাচন হতো। তবে মাঝে এর ছন্দপতন হয়। ২০১৪ সালে ভোট ছাড়াই সংগঠনটির সভাপতি হন আলমগীর শামসুল আলামিন। পরের তিন মেয়াদেও সমঝোতার ভিত্তিতে কমিটি হয়। সব মিলিয়ে ১০ বছর পর ২০২৪ সালে ভোটের ধারা আবার ফেরে। সেই ধারা অব্যাহত রেখেই আজ সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে এবার ত্রিমুখী লড়াই। প্রথমবারের মতো সভাপতি, ৬ সহ-সভাপতি ও ১৯ পরিচালক পদের সবকটিতে সরাসরি নির্বাচন হয়েছে। সব মিলিয়ে সংগঠনটির ২৯ পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৭৭ জন ব্যবসায়ী।
প্যানেল তিনটি হলো– আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ, প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ ও জাগরণ প্যানেল। এর মধ্যে ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিলেও জাগরণ প্যানেল আংশিকভাবে অংশ নেয়। পাশাপাশি সভাপতি ও পরিচালক পদে কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও লড়াইয়ে আছেন।
সভাপতি পদে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ থেকে বর্তমান সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান, প্রগতিশীল প্যানেল থেকে গ্লোরিয়াস ল্যান্ডস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টসের চেয়ারম্যান মো. আলী আফজাল ও জাগরণ প্যানেল থেকে সাবেক সভাপতি মোকাররম হোসেন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীরাও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন পেতে কেন্দ্র এলাকায় সক্রিয় ছিলেন।
জানা যায়, রিহ্যাবের বর্তমান পর্ষদ তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়। সেই অনুযায়ী গত বছর তফসিল ঘোষণা করা হয়। ভোট হওয়ার কথা ছিল ১৭ ফেব্রুয়ারি। পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ভোট প্রায় দুই মাস পিছিয়ে যায়।
এবারের নির্বাচনে রিহ্যাবের সদস্যদের নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিয়েছে। এদিকে ১৩ জনের একটি খণ্ডিত প্যানেল দিয়েছে জাগরণ। তবে সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন নবো উদ্যোগ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল খায়ের।
ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যখন কোনো সংগঠন ঠিকমতো কাজ করতে পারেনি, আমরা তখন কাজ করেছি। রিহ্যাবে আমরা নির্বাচনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি। গত দুই বছরে আমরা ড্যাপ সংশোধন করার পাশাপাশি সরকারের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া জমি অনুমোদন ছাড়াই নামজারির সুবিধা আদায় করেছি। এ ছাড়া গৃহঋণ ২ কোটি থেকে ৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ড্যাপ সংশোধন হলেও কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে। সেগুলো সংশোধনের জন্য আমরা চেষ্টা করব।

রিহ্যাব নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৭০, চলছে গণনা
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৫৭০ ভোট পড়েছে। সকাল ১০টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সিসিটিভি ক্যামেরা-সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে ৪০ মিনিট দেরি হয়। পরে টানা বিকাল ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। এরপর স্বল্প বিরতি দিয়ে শুরু হয় গণনা।
২৯টি পদের বিপরীতে ৭৭ প্রার্থীর অংশগ্রহণে নির্বাচন বেশ জমেছে। সবার নজর এখন নতুন নেতৃত্বে।
রিহ্যাবের পাবলিক রিলেশন অফিসর আবদুর রশিদ বাবু সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ৬৭৪ জন ভোটারের মধ্যে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন ৫৭০ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১৩ ভোটারের মধ্যে ৫১২ জন ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের ৬১ ভোটারের মধ্যে ৫৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সব মিলিয়ে ভোটের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৫ শতাংশ।
তথ্য অনুযায়ী, একসময় উৎসবমুখর পরিবেশে রিহ্যাব নির্বাচন হতো। তবে মাঝে এর ছন্দপতন হয়। ২০১৪ সালে ভোট ছাড়াই সংগঠনটির সভাপতি হন আলমগীর শামসুল আলামিন। পরের তিন মেয়াদেও সমঝোতার ভিত্তিতে কমিটি হয়। সব মিলিয়ে ১০ বছর পর ২০২৪ সালে ভোটের ধারা আবার ফেরে। সেই ধারা অব্যাহত রেখেই আজ সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হয়।
রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে এবার ত্রিমুখী লড়াই। প্রথমবারের মতো সভাপতি, ৬ সহ-সভাপতি ও ১৯ পরিচালক পদের সবকটিতে সরাসরি নির্বাচন হয়েছে। সব মিলিয়ে সংগঠনটির ২৯ পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৭৭ জন ব্যবসায়ী।
প্যানেল তিনটি হলো– আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ, প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ ও জাগরণ প্যানেল। এর মধ্যে ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিলেও জাগরণ প্যানেল আংশিকভাবে অংশ নেয়। পাশাপাশি সভাপতি ও পরিচালক পদে কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও লড়াইয়ে আছেন।
সভাপতি পদে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ থেকে বর্তমান সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান, প্রগতিশীল প্যানেল থেকে গ্লোরিয়াস ল্যান্ডস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টসের চেয়ারম্যান মো. আলী আফজাল ও জাগরণ প্যানেল থেকে সাবেক সভাপতি মোকাররম হোসেন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীরাও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন পেতে কেন্দ্র এলাকায় সক্রিয় ছিলেন।
জানা যায়, রিহ্যাবের বর্তমান পর্ষদ তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়। সেই অনুযায়ী গত বছর তফসিল ঘোষণা করা হয়। ভোট হওয়ার কথা ছিল ১৭ ফেব্রুয়ারি। পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ভোট প্রায় দুই মাস পিছিয়ে যায়।
এবারের নির্বাচনে রিহ্যাবের সদস্যদের নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ ও প্রগতিশীল আবাসন ব্যবসায়ী পরিষদ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিয়েছে। এদিকে ১৩ জনের একটি খণ্ডিত প্যানেল দিয়েছে জাগরণ। তবে সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন নবো উদ্যোগ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল খায়ের।
ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যখন কোনো সংগঠন ঠিকমতো কাজ করতে পারেনি, আমরা তখন কাজ করেছি। রিহ্যাবে আমরা নির্বাচনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি। গত দুই বছরে আমরা ড্যাপ সংশোধন করার পাশাপাশি সরকারের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া জমি অনুমোদন ছাড়াই নামজারির সুবিধা আদায় করেছি। এ ছাড়া গৃহঋণ ২ কোটি থেকে ৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ড্যাপ সংশোধন হলেও কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে। সেগুলো সংশোধনের জন্য আমরা চেষ্টা করব।




