গোল্ডেন ভিসায় সম্পদের পাহাড়, অনুসন্ধানে দুবাই যাওয়ার অপেক্ষায় দুদক

গোল্ডেন ভিসায় সম্পদের পাহাড়, অনুসন্ধানে দুবাই যাওয়ার অপেক্ষায় দুদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘদিন ধরেই অর্থ পাচার করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) সম্পদের পাহাড় গড়ছেন অনেক বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ৪৫৯ জনের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ৯৭২টি সম্পদ কেনার অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব সম্পদের মূল্য প্রায় ৩১ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। তবে প্রকৃত বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গোল্ডেন ভিসা কর্মসূচির আওতায় তারা দেশটিতে ভ্রমণ ও বিনিয়োগ করে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে কর নথি, ব্যাংকিং তথ্য, বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের রেকর্ড ও সম্পদের বেশকিছু নথিপত্র সংগ্রহ করে দুদক। তিন বছরের বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে প্রথম ধাপে প্রায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে সম্পদের পাহাড় গড়ার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়।
জানা যায়, এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দুবাইয়ে সরেজমিন অনুসন্ধানে যাওয়ার পরিকল্পনা করে অনুসন্ধান টিম। তবে শেষ পর্যস্ত এটি বাস্তবায়ন হয়নি। দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদত্যাগের কারণে সেই উদ্যোগ আটকে যায়। যদিও অন্য একটি সূত্রের দাবি, ভিসা জটিলতায় ওই বিশেষ টিম যেতে পারিনি।
দুদকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের সম্পদ কেনার অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয়। ওই বছরের ১০ এপ্রিল এ সংক্রান্ত অভিযোগ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি টিম গঠন করে দুদক। ১৬ এপ্রিলে তথ্য-উপাত্ত জানতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় প্রতিষ্ঠানটি। সবশেষ ২০২৫ সালের এপ্রিলে গোল্ডেন ভিসার আওতায় বিনিয়োগকারী ৭০ বাংলাদেশির কর শনাক্তকরণ নম্বরসহ (টিআইএন) সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চেয়ে এনবিআরকে চিঠি দেয় অনুসন্ধান টিম। চিঠিতে সুইস ব্যাংকসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচার করা অর্থের মাধ্যমে দুবাইয়ে সম্পত্তিগুলো কেনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত কয়েক বছরে দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের সম্পদ কেনার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাংলাদেশিদের অবস্থান শীর্ষ সারিতে উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজ ২০২২ সালের মে মাসে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাচার করা অর্থ দিয়ে আবাসন সম্পদ কেনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, তথ্য লুকিয়ে ৪৫৯ জন বাংলাদেশি দুবাইয়ে মোট ৯৭২টি আবাসন সম্পদের মালিক হয়েছেন। এসব সম্পদের কাগুজে মূল্য ৩১৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৬৪টি দুবাইয়ের অভিজাত এলাকা দুবাই মেরিনা ও ১৯টি পাম জুমেইরাহতে অবস্থিত। যেখানে অন্তত ১০০টি ভিলা ও কমপক্ষে ৫টি ভবনের মালিক বাংলাদেশি বলে জানা যায়। চার থেকে পাঁচজন বাংলাদেশি প্রায় ৪৪ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির মালিক। যদিও প্রতিবেদনে কারো নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

দীর্ঘদিন ধরেই অর্থ পাচার করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) সম্পদের পাহাড় গড়ছেন অনেক বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ৪৫৯ জনের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ৯৭২টি সম্পদ কেনার অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব সম্পদের মূল্য প্রায় ৩১ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। তবে প্রকৃত বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গোল্ডেন ভিসা কর্মসূচির আওতায় তারা দেশটিতে ভ্রমণ ও বিনিয়োগ করে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে কর নথি, ব্যাংকিং তথ্য, বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের রেকর্ড ও সম্পদের বেশকিছু নথিপত্র সংগ্রহ করে দুদক। তিন বছরের বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে প্রথম ধাপে প্রায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে সম্পদের পাহাড় গড়ার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়।
জানা যায়, এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দুবাইয়ে সরেজমিন অনুসন্ধানে যাওয়ার পরিকল্পনা করে অনুসন্ধান টিম। তবে শেষ পর্যস্ত এটি বাস্তবায়ন হয়নি। দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদত্যাগের কারণে সেই উদ্যোগ আটকে যায়। যদিও অন্য একটি সূত্রের দাবি, ভিসা জটিলতায় ওই বিশেষ টিম যেতে পারিনি।
দুদকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের সম্পদ কেনার অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয়। ওই বছরের ১০ এপ্রিল এ সংক্রান্ত অভিযোগ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি টিম গঠন করে দুদক। ১৬ এপ্রিলে তথ্য-উপাত্ত জানতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় প্রতিষ্ঠানটি। সবশেষ ২০২৫ সালের এপ্রিলে গোল্ডেন ভিসার আওতায় বিনিয়োগকারী ৭০ বাংলাদেশির কর শনাক্তকরণ নম্বরসহ (টিআইএন) সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চেয়ে এনবিআরকে চিঠি দেয় অনুসন্ধান টিম। চিঠিতে সুইস ব্যাংকসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচার করা অর্থের মাধ্যমে দুবাইয়ে সম্পত্তিগুলো কেনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত কয়েক বছরে দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের সম্পদ কেনার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাংলাদেশিদের অবস্থান শীর্ষ সারিতে উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজ ২০২২ সালের মে মাসে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাচার করা অর্থ দিয়ে আবাসন সম্পদ কেনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, তথ্য লুকিয়ে ৪৫৯ জন বাংলাদেশি দুবাইয়ে মোট ৯৭২টি আবাসন সম্পদের মালিক হয়েছেন। এসব সম্পদের কাগুজে মূল্য ৩১৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৬৪টি দুবাইয়ের অভিজাত এলাকা দুবাই মেরিনা ও ১৯টি পাম জুমেইরাহতে অবস্থিত। যেখানে অন্তত ১০০টি ভিলা ও কমপক্ষে ৫টি ভবনের মালিক বাংলাদেশি বলে জানা যায়। চার থেকে পাঁচজন বাংলাদেশি প্রায় ৪৪ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির মালিক। যদিও প্রতিবেদনে কারো নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

গোল্ডেন ভিসায় সম্পদের পাহাড়, অনুসন্ধানে দুবাই যাওয়ার অপেক্ষায় দুদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘদিন ধরেই অর্থ পাচার করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) সম্পদের পাহাড় গড়ছেন অনেক বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ৪৫৯ জনের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ৯৭২টি সম্পদ কেনার অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব সম্পদের মূল্য প্রায় ৩১ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। তবে প্রকৃত বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গোল্ডেন ভিসা কর্মসূচির আওতায় তারা দেশটিতে ভ্রমণ ও বিনিয়োগ করে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে কর নথি, ব্যাংকিং তথ্য, বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের রেকর্ড ও সম্পদের বেশকিছু নথিপত্র সংগ্রহ করে দুদক। তিন বছরের বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে প্রথম ধাপে প্রায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে সম্পদের পাহাড় গড়ার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়।
জানা যায়, এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দুবাইয়ে সরেজমিন অনুসন্ধানে যাওয়ার পরিকল্পনা করে অনুসন্ধান টিম। তবে শেষ পর্যস্ত এটি বাস্তবায়ন হয়নি। দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পদত্যাগের কারণে সেই উদ্যোগ আটকে যায়। যদিও অন্য একটি সূত্রের দাবি, ভিসা জটিলতায় ওই বিশেষ টিম যেতে পারিনি।
দুদকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের সম্পদ কেনার অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয়। ওই বছরের ১০ এপ্রিল এ সংক্রান্ত অভিযোগ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি টিম গঠন করে দুদক। ১৬ এপ্রিলে তথ্য-উপাত্ত জানতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় প্রতিষ্ঠানটি। সবশেষ ২০২৫ সালের এপ্রিলে গোল্ডেন ভিসার আওতায় বিনিয়োগকারী ৭০ বাংলাদেশির কর শনাক্তকরণ নম্বরসহ (টিআইএন) সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চেয়ে এনবিআরকে চিঠি দেয় অনুসন্ধান টিম। চিঠিতে সুইস ব্যাংকসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচার করা অর্থের মাধ্যমে দুবাইয়ে সম্পত্তিগুলো কেনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত কয়েক বছরে দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের সম্পদ কেনার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাংলাদেশিদের অবস্থান শীর্ষ সারিতে উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজ ২০২২ সালের মে মাসে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাচার করা অর্থ দিয়ে আবাসন সম্পদ কেনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, তথ্য লুকিয়ে ৪৫৯ জন বাংলাদেশি দুবাইয়ে মোট ৯৭২টি আবাসন সম্পদের মালিক হয়েছেন। এসব সম্পদের কাগুজে মূল্য ৩১৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৬৪টি দুবাইয়ের অভিজাত এলাকা দুবাই মেরিনা ও ১৯টি পাম জুমেইরাহতে অবস্থিত। যেখানে অন্তত ১০০টি ভিলা ও কমপক্ষে ৫টি ভবনের মালিক বাংলাদেশি বলে জানা যায়। চার থেকে পাঁচজন বাংলাদেশি প্রায় ৪৪ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির মালিক। যদিও প্রতিবেদনে কারো নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

ইউনাইটেড গ্রুপের বিরুদ্ধে ৯৮১ কোটি টাকা আত্মসাতের সত্যতা পেলো দুদক 







