বছরে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ‘টার্নওভার’ কর দিতে হবে না

বছরে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ‘টার্নওভার’ কর দিতে হবে না
নিজস্ব প্রতিবেদক

বছরে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিকে কোনো টার্নওভার কর দিতে হবে না। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এক্ষেত্রে ১ শতাংশ হারে কর বসিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর আগে টার্নওভার কর ছিল দশমিক ৬০ শতাংশ।
এ ছাড়া ২ কোটি টাকা থেকে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভার করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির ওপর টার্নওভার কর দশমিক ৫ শতাংশ। আর ৪ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিকে ১ শতাংশ ন্যূনতম কর দিতে হবে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এনবিআর। এর ফলে মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুফল মিলবে।
টার্নওভার কর হলো, কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি বা পেশা থেকে যে বিক্রির মাধ্যমে বা সেবার মাধ্যমে আয় হবে তাতে লাভ বা লোকসান যা-ই হোক, এর জন্য একটা নির্দিষ্ট হারে কর দিতে হয়।
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির ওপর আরোপিত ১ শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার করব্যবস্থা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল। একই দাবিতে ঢাকা চেম্বারও চিঠি দেয়।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর প্রথম তিন বছর পর্যন্ত ১ শতাংশের পরিবর্তে দশমিক ২ শতাংশ হারে ‘টার্নওভার’ কর দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ এখনও বহাল থাকছে।
কিছু খাতের ক্ষেত্রে ‘টার্নওভার’ কর আরও বেশি রয়েছে। সেসব এখনও তা-ই থাকছে। এর মধ্যে– সিগারেট, বিড়ি ও তামাক জাতীয় পণ্য উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের ওপর এই কর ৩ শতাংশ, কার্বোনেটেড বেভারেজ ও মিষ্টি প্রস্তুতকারকদের ওপর আড়াই শতাংশ এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের ক্ষেত্রে দেড় শতাংশ। বাকিদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ করা হয়েছিল বাজেটে, সেখানেই পরিবর্তন আনলো সরকার।

বছরে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিকে কোনো টার্নওভার কর দিতে হবে না। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এক্ষেত্রে ১ শতাংশ হারে কর বসিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর আগে টার্নওভার কর ছিল দশমিক ৬০ শতাংশ।
এ ছাড়া ২ কোটি টাকা থেকে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভার করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির ওপর টার্নওভার কর দশমিক ৫ শতাংশ। আর ৪ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিকে ১ শতাংশ ন্যূনতম কর দিতে হবে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এনবিআর। এর ফলে মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুফল মিলবে।
টার্নওভার কর হলো, কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি বা পেশা থেকে যে বিক্রির মাধ্যমে বা সেবার মাধ্যমে আয় হবে তাতে লাভ বা লোকসান যা-ই হোক, এর জন্য একটা নির্দিষ্ট হারে কর দিতে হয়।
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির ওপর আরোপিত ১ শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার করব্যবস্থা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল। একই দাবিতে ঢাকা চেম্বারও চিঠি দেয়।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর প্রথম তিন বছর পর্যন্ত ১ শতাংশের পরিবর্তে দশমিক ২ শতাংশ হারে ‘টার্নওভার’ কর দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ এখনও বহাল থাকছে।
কিছু খাতের ক্ষেত্রে ‘টার্নওভার’ কর আরও বেশি রয়েছে। সেসব এখনও তা-ই থাকছে। এর মধ্যে– সিগারেট, বিড়ি ও তামাক জাতীয় পণ্য উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের ওপর এই কর ৩ শতাংশ, কার্বোনেটেড বেভারেজ ও মিষ্টি প্রস্তুতকারকদের ওপর আড়াই শতাংশ এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের ক্ষেত্রে দেড় শতাংশ। বাকিদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ করা হয়েছিল বাজেটে, সেখানেই পরিবর্তন আনলো সরকার।

বছরে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ‘টার্নওভার’ কর দিতে হবে না
নিজস্ব প্রতিবেদক

বছরে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিকে কোনো টার্নওভার কর দিতে হবে না। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এক্ষেত্রে ১ শতাংশ হারে কর বসিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর আগে টার্নওভার কর ছিল দশমিক ৬০ শতাংশ।
এ ছাড়া ২ কোটি টাকা থেকে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভার করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির ওপর টার্নওভার কর দশমিক ৫ শতাংশ। আর ৪ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিকে ১ শতাংশ ন্যূনতম কর দিতে হবে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এনবিআর। এর ফলে মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুফল মিলবে।
টার্নওভার কর হলো, কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি বা পেশা থেকে যে বিক্রির মাধ্যমে বা সেবার মাধ্যমে আয় হবে তাতে লাভ বা লোকসান যা-ই হোক, এর জন্য একটা নির্দিষ্ট হারে কর দিতে হয়।
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির ওপর আরোপিত ১ শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার করব্যবস্থা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল। একই দাবিতে ঢাকা চেম্বারও চিঠি দেয়।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর প্রথম তিন বছর পর্যন্ত ১ শতাংশের পরিবর্তে দশমিক ২ শতাংশ হারে ‘টার্নওভার’ কর দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগ এখনও বহাল থাকছে।
কিছু খাতের ক্ষেত্রে ‘টার্নওভার’ কর আরও বেশি রয়েছে। সেসব এখনও তা-ই থাকছে। এর মধ্যে– সিগারেট, বিড়ি ও তামাক জাতীয় পণ্য উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের ওপর এই কর ৩ শতাংশ, কার্বোনেটেড বেভারেজ ও মিষ্টি প্রস্তুতকারকদের ওপর আড়াই শতাংশ এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের ক্ষেত্রে দেড় শতাংশ। বাকিদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ করা হয়েছিল বাজেটে, সেখানেই পরিবর্তন আনলো সরকার।

প্রথম ১১ মাসে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড






