২৯ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস সচিব

২৯ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের শপথের সঙ্গে সঙ্গে মেয়াদ শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের। তবে বিদায়ের সময় দেশে ছয় মাসের খাদ্য আমদানির সক্ষমতা এবং ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেখে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
শফিকুল আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৫ বিলিয়ন ডলার। সে সময় ব্যাংকিং খাত কার্যত অচল অবস্থায় ছিল এবং কয়েকটি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে পড়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। বর্তমান সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের ফলে রিজার্ভ বেড়ে এখন ২৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, বিদায়ের সময় যে পরিমাণ রিজার্ভ রেখে যাওয়া হচ্ছে, তা দিয়ে অন্তত ছয় মাসের খাদ্য আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় এনে হস্তান্তর করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন প্রেস সচিব।
মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, গত ১৮ মাসে কোনো গুমের ঘটনা ঘটেনি। এ সময়ে সরকারকে ‘ফ্যাসিস্টদের কার্যক্রম’ মোকাবিলা করতে হয়েছে। চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালনকালে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতকে সচল করা এবং প্রশাসনিক সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অগ্রগতি অর্জন করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের শপথের সঙ্গে সঙ্গে মেয়াদ শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের। তবে বিদায়ের সময় দেশে ছয় মাসের খাদ্য আমদানির সক্ষমতা এবং ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেখে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
শফিকুল আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৫ বিলিয়ন ডলার। সে সময় ব্যাংকিং খাত কার্যত অচল অবস্থায় ছিল এবং কয়েকটি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে পড়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। বর্তমান সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের ফলে রিজার্ভ বেড়ে এখন ২৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, বিদায়ের সময় যে পরিমাণ রিজার্ভ রেখে যাওয়া হচ্ছে, তা দিয়ে অন্তত ছয় মাসের খাদ্য আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় এনে হস্তান্তর করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন প্রেস সচিব।
মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, গত ১৮ মাসে কোনো গুমের ঘটনা ঘটেনি। এ সময়ে সরকারকে ‘ফ্যাসিস্টদের কার্যক্রম’ মোকাবিলা করতে হয়েছে। চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালনকালে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতকে সচল করা এবং প্রশাসনিক সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অগ্রগতি অর্জন করেছে।

২৯ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ রেখে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের শপথের সঙ্গে সঙ্গে মেয়াদ শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের। তবে বিদায়ের সময় দেশে ছয় মাসের খাদ্য আমদানির সক্ষমতা এবং ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেখে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
শফিকুল আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল মাত্র ১৫ বিলিয়ন ডলার। সে সময় ব্যাংকিং খাত কার্যত অচল অবস্থায় ছিল এবং কয়েকটি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে পড়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। বর্তমান সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের ফলে রিজার্ভ বেড়ে এখন ২৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, বিদায়ের সময় যে পরিমাণ রিজার্ভ রেখে যাওয়া হচ্ছে, তা দিয়ে অন্তত ছয় মাসের খাদ্য আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় এনে হস্তান্তর করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন প্রেস সচিব।
মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, গত ১৮ মাসে কোনো গুমের ঘটনা ঘটেনি। এ সময়ে সরকারকে ‘ফ্যাসিস্টদের কার্যক্রম’ মোকাবিলা করতে হয়েছে। চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালনকালে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতকে সচল করা এবং প্রশাসনিক সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অগ্রগতি অর্জন করেছে।




