ছাপানো টাকার সংকট কাটাবে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট

ছাপানো টাকার সংকট কাটাবে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানুষের হাতে টাকার পরিমাণ অনেক বেড়ে যাওয়ায় দেশে কাগুজে নোটের সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, বেশির ভাগ এটিএম বুথে প্রয়োজনীয় টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংকের অনেক শাখায় ছেঁড়া-ফাটা নোট দেওয়া হচ্ছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার নোট বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পাশাপাশি নতুন নকশার নোট ছাপানো কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের স্বাক্ষর করা বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার নোট বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সভার কার্যবিবরণীতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। দুয়েকদিনের মধ্যে এই নির্দেশনা টাকা ছাপানোর প্রতিষ্ঠান সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনকে জানানো হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে নতুন নোটের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এ চাহিদা মেটাতে ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকশালের কাছে ১৬ হাজার কোটি টাকার নোট চাওয়া হয়। তবে সরবরাহ পাওয়া গেছে অর্ধেকেরও কম।
এদিকে ঈদের পর ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংকটের কারণে টাকা উত্তোলন বেড়ে গেছে। শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।
এছাড়া ঈদের পরপরই বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধের কারণে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মুদ্রা সাময়িকভাবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে।
ছাপানো নোটের এই সংকট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার একেবারে প্রস্তুত অবস্থায় থাকা ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবশ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার ছাপানো নোট পড়ে আছে। এসব নোট আপাতত ছাড়া হবে না।
ব্যাংকাররা জানান, ব্যাংকের কোনো শাখা নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি টাকা ভল্টে রাখতে পারে না। বেশি হলেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখায় জমা দেয়। আবার যখন দরকার হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত চলতি হিসাবের বিপরীতে উত্তোলন করে নিয়ে যায়। সব সময় ছেঁড়াফাটা, ক্রটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট ব্যাংকগুলোর কাছে এলে তা আলাদা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে থাকে। এ ধরনের নোট পুড়িয়ে ফেলে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমমূল্যের নতুন নোট দিয়ে থাকে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নতুন নকশা প্রণয়নসহ বিভিন্ন কারণে নতুন নোট বাজারে আসছে না। বর্তমানে যেসব নোট রয়েছে তার বড় অংশই পুরোনো। সাধারণভাবে পুরোনো নোট এটিএম বুথে দেওয়া যায় না।
সূত্র বলছে, দেশে সব মিলিয়ে এখন সঞ্চয় রয়েছে ২৪ লাখ কোটি টাকার মতো। অথচ ছাপানো নোট রয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে কাগুজে নোটের চাহিদা বাড়ে। যে কারণে এ সময় সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন নোট বাজারে দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্দোলনের মুখে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট ছাড়া স্থগিত করা হয়। একযোগে নতুন নকশার নোট আনার উদ্যোগের পর ১০ থেকে ১৮ মাস সময় লেগে যায়।
প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন নোট সরবরাহ না পাওয়ায় ব্যাংকগুলো বাজার থেকে পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত নোট তুলে নিতে পারছে না। ফলে বর্তমানে বাজারে ছেঁড়া-ফাটা নোটের পরিমাণও বেড়ে গেছে।

মানুষের হাতে টাকার পরিমাণ অনেক বেড়ে যাওয়ায় দেশে কাগুজে নোটের সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, বেশির ভাগ এটিএম বুথে প্রয়োজনীয় টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংকের অনেক শাখায় ছেঁড়া-ফাটা নোট দেওয়া হচ্ছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার নোট বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পাশাপাশি নতুন নকশার নোট ছাপানো কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের স্বাক্ষর করা বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার নোট বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সভার কার্যবিবরণীতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। দুয়েকদিনের মধ্যে এই নির্দেশনা টাকা ছাপানোর প্রতিষ্ঠান সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনকে জানানো হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে নতুন নোটের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এ চাহিদা মেটাতে ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকশালের কাছে ১৬ হাজার কোটি টাকার নোট চাওয়া হয়। তবে সরবরাহ পাওয়া গেছে অর্ধেকেরও কম।
এদিকে ঈদের পর ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংকটের কারণে টাকা উত্তোলন বেড়ে গেছে। শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।
এছাড়া ঈদের পরপরই বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধের কারণে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মুদ্রা সাময়িকভাবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে।
ছাপানো নোটের এই সংকট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার একেবারে প্রস্তুত অবস্থায় থাকা ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবশ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার ছাপানো নোট পড়ে আছে। এসব নোট আপাতত ছাড়া হবে না।
ব্যাংকাররা জানান, ব্যাংকের কোনো শাখা নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি টাকা ভল্টে রাখতে পারে না। বেশি হলেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখায় জমা দেয়। আবার যখন দরকার হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত চলতি হিসাবের বিপরীতে উত্তোলন করে নিয়ে যায়। সব সময় ছেঁড়াফাটা, ক্রটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট ব্যাংকগুলোর কাছে এলে তা আলাদা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে থাকে। এ ধরনের নোট পুড়িয়ে ফেলে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমমূল্যের নতুন নোট দিয়ে থাকে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নতুন নকশা প্রণয়নসহ বিভিন্ন কারণে নতুন নোট বাজারে আসছে না। বর্তমানে যেসব নোট রয়েছে তার বড় অংশই পুরোনো। সাধারণভাবে পুরোনো নোট এটিএম বুথে দেওয়া যায় না।
সূত্র বলছে, দেশে সব মিলিয়ে এখন সঞ্চয় রয়েছে ২৪ লাখ কোটি টাকার মতো। অথচ ছাপানো নোট রয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে কাগুজে নোটের চাহিদা বাড়ে। যে কারণে এ সময় সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন নোট বাজারে দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্দোলনের মুখে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট ছাড়া স্থগিত করা হয়। একযোগে নতুন নকশার নোট আনার উদ্যোগের পর ১০ থেকে ১৮ মাস সময় লেগে যায়।
প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন নোট সরবরাহ না পাওয়ায় ব্যাংকগুলো বাজার থেকে পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত নোট তুলে নিতে পারছে না। ফলে বর্তমানে বাজারে ছেঁড়া-ফাটা নোটের পরিমাণও বেড়ে গেছে।

ছাপানো টাকার সংকট কাটাবে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানুষের হাতে টাকার পরিমাণ অনেক বেড়ে যাওয়ায় দেশে কাগুজে নোটের সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, বেশির ভাগ এটিএম বুথে প্রয়োজনীয় টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংকের অনেক শাখায় ছেঁড়া-ফাটা নোট দেওয়া হচ্ছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার নোট বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পাশাপাশি নতুন নকশার নোট ছাপানো কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের স্বাক্ষর করা বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার নোট বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সভার কার্যবিবরণীতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। দুয়েকদিনের মধ্যে এই নির্দেশনা টাকা ছাপানোর প্রতিষ্ঠান সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনকে জানানো হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে নতুন নোটের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এ চাহিদা মেটাতে ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকশালের কাছে ১৬ হাজার কোটি টাকার নোট চাওয়া হয়। তবে সরবরাহ পাওয়া গেছে অর্ধেকেরও কম।
এদিকে ঈদের পর ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংকটের কারণে টাকা উত্তোলন বেড়ে গেছে। শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকেই উত্তোলন করা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।
এছাড়া ঈদের পরপরই বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধের কারণে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মুদ্রা সাময়িকভাবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে।
ছাপানো নোটের এই সংকট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার একেবারে প্রস্তুত অবস্থায় থাকা ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবশ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার ছাপানো নোট পড়ে আছে। এসব নোট আপাতত ছাড়া হবে না।
ব্যাংকাররা জানান, ব্যাংকের কোনো শাখা নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি টাকা ভল্টে রাখতে পারে না। বেশি হলেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখায় জমা দেয়। আবার যখন দরকার হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত চলতি হিসাবের বিপরীতে উত্তোলন করে নিয়ে যায়। সব সময় ছেঁড়াফাটা, ক্রটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট ব্যাংকগুলোর কাছে এলে তা আলাদা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে থাকে। এ ধরনের নোট পুড়িয়ে ফেলে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমমূল্যের নতুন নোট দিয়ে থাকে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নতুন নকশা প্রণয়নসহ বিভিন্ন কারণে নতুন নোট বাজারে আসছে না। বর্তমানে যেসব নোট রয়েছে তার বড় অংশই পুরোনো। সাধারণভাবে পুরোনো নোট এটিএম বুথে দেওয়া যায় না।
সূত্র বলছে, দেশে সব মিলিয়ে এখন সঞ্চয় রয়েছে ২৪ লাখ কোটি টাকার মতো। অথচ ছাপানো নোট রয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে কাগুজে নোটের চাহিদা বাড়ে। যে কারণে এ সময় সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন নোট বাজারে দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্দোলনের মুখে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট ছাড়া স্থগিত করা হয়। একযোগে নতুন নকশার নোট আনার উদ্যোগের পর ১০ থেকে ১৮ মাস সময় লেগে যায়।
প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন নোট সরবরাহ না পাওয়ায় ব্যাংকগুলো বাজার থেকে পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত নোট তুলে নিতে পারছে না। ফলে বর্তমানে বাজারে ছেঁড়া-ফাটা নোটের পরিমাণও বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা চায় ইসলামী ব্যাংক


