ঢাকা-আশুলিয়া উড়াল সড়কের ব্যয় বেড়ে হচ্ছে পদ্মা সেতুর কাছাকাছি

ঢাকা-আশুলিয়া উড়াল সড়কের ব্যয় বেড়ে হচ্ছে পদ্মা সেতুর কাছাকাছি
নিজস্ব প্রতিবেদক

চীনের অর্থায়নে নির্মাণাধীন ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ব্যয় ৫৪ শতাংশ বাড়তে যাচ্ছে। প্রায় ৯ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা বেড়ে প্রকল্পটির মোট ব্যয় ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। মেগা প্রজেক্ট পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের চেয়ে তা মাত্র ৫ হাজার কোটি টাকা কম।
প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধিত প্রস্তাব বুধবার (২২ জুলাই) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হতে পারে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, অতিরিক্ত প্রকৌশল কাজ, জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং কর ও ভ্যাটের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পের মোট খরচ বেড়েছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালে ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি গ্রহণ করে। তখন চীনের অর্থায়নের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়াল সড়ক রাজধানীর কাওলা থেকে শুরু হয়ে আব্দুল্লাহপুর, কামারপাড়া, ধউর, আশুলিয়া, জিরাবো ও বাইপাইল হয়ে সাভারের শ্রীপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাবে।
২০২২ সালে প্রথম সংশোধনীতে প্রকল্প ব্যয় ৬৫২ কোটি টাকা বেড়ে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা হয়। চীনের অর্থায়ন কমিয়ে ৯ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়।
সর্বশেষ প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন প্রায় ৭৬ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা হবে। অন্যদিকে চীনের অর্থায়ন ৩৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ২৪২ কোটি টাকা হবে।
জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, নকশা সংশোধন ও প্রকল্পে নতুন উপাদান যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদও বাড়িয়ে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই বছরের ত্রুটিদায় (ডিফেক্ট লায়াবিলিটি) সময়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
২০২৬ সালের মে পর্যন্ত প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১৪ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা, যা প্রথম সংশোধিত ব্যয়ের ৮৩ শতাংশ এবং নতুন প্রস্তাবিত ব্যয়ের ৫৩ দশমিক ৮২ শতাংশ।
প্রকল্পটি শুরু হওয়ার আগেই দীর্ঘ বিলম্বের মুখে পড়ে। চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে অর্থায়ন চুক্তি চূড়ান্ত করতে প্রায় ৪ বছর লেগে যায়। ফলে মূল নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২২ সালের অক্টোবরে।
এ সময়ের মধ্যে বিশ্ববাজারে নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যায় এবং টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন হয়। প্রথম সংশোধনীতে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ধরা হয়েছিল ৮৬ টাকা। সর্বশেষ সংশোধনীতে তা ধরা হয়েছে ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা।
শুধু ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণেই প্রকল্প ব্যয় ৩ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা বেড়েছে, যা মোট প্রস্তাবিত ব্যয় বৃদ্ধির প্রায় ৩৯ শতাংশ। এ ছাড়া নকশা পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত প্রকৌশল কাজের জন্য আরও ১ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয় যোগ হয়েছে।
নকশায় পরিবর্তন
এক্সপ্রেসওয়ের পথ টঙ্গী ও সাভার অংশে তুরাগ নদের ৩টি শাখা অতিক্রম করবে। ২০২৩ সালে নৌপথের নাব্যতার শ্রেণি উন্নীত করায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ভবন ও টোল প্লাজার প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা বাড়ানো রয়েছে। ঢাকা-টঙ্গী অংশে রেলওয়ের ভবিষ্যৎ ট্রানজিট করিডোরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পিয়ারের উচ্চতা ও স্প্যানের দৈর্ঘ্যও বাড়ানো হয়েছে।
বাইপাইলে যানজট কমাতে নতুন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ যুক্ত করা হয়েছে। কাওলায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ দিতে অতিরিক্ত প্রবেশ ও বের হওয়ার র্যাম্প নির্মাণ করা হবে।
ব্যয় বৃদ্ধির বাকি ৩ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং কর ও ভ্যাটের হার বৃদ্ধির কারণে যুক্ত হয়েছে।

চীনের অর্থায়নে নির্মাণাধীন ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ব্যয় ৫৪ শতাংশ বাড়তে যাচ্ছে। প্রায় ৯ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা বেড়ে প্রকল্পটির মোট ব্যয় ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। মেগা প্রজেক্ট পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের চেয়ে তা মাত্র ৫ হাজার কোটি টাকা কম।
প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধিত প্রস্তাব বুধবার (২২ জুলাই) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হতে পারে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, অতিরিক্ত প্রকৌশল কাজ, জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং কর ও ভ্যাটের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পের মোট খরচ বেড়েছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালে ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি গ্রহণ করে। তখন চীনের অর্থায়নের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়াল সড়ক রাজধানীর কাওলা থেকে শুরু হয়ে আব্দুল্লাহপুর, কামারপাড়া, ধউর, আশুলিয়া, জিরাবো ও বাইপাইল হয়ে সাভারের শ্রীপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাবে।
২০২২ সালে প্রথম সংশোধনীতে প্রকল্প ব্যয় ৬৫২ কোটি টাকা বেড়ে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা হয়। চীনের অর্থায়ন কমিয়ে ৯ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়।
সর্বশেষ প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন প্রায় ৭৬ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা হবে। অন্যদিকে চীনের অর্থায়ন ৩৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ২৪২ কোটি টাকা হবে।
জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, নকশা সংশোধন ও প্রকল্পে নতুন উপাদান যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদও বাড়িয়ে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই বছরের ত্রুটিদায় (ডিফেক্ট লায়াবিলিটি) সময়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
২০২৬ সালের মে পর্যন্ত প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১৪ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা, যা প্রথম সংশোধিত ব্যয়ের ৮৩ শতাংশ এবং নতুন প্রস্তাবিত ব্যয়ের ৫৩ দশমিক ৮২ শতাংশ।
প্রকল্পটি শুরু হওয়ার আগেই দীর্ঘ বিলম্বের মুখে পড়ে। চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে অর্থায়ন চুক্তি চূড়ান্ত করতে প্রায় ৪ বছর লেগে যায়। ফলে মূল নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২২ সালের অক্টোবরে।
এ সময়ের মধ্যে বিশ্ববাজারে নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যায় এবং টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন হয়। প্রথম সংশোধনীতে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ধরা হয়েছিল ৮৬ টাকা। সর্বশেষ সংশোধনীতে তা ধরা হয়েছে ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা।
শুধু ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণেই প্রকল্প ব্যয় ৩ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা বেড়েছে, যা মোট প্রস্তাবিত ব্যয় বৃদ্ধির প্রায় ৩৯ শতাংশ। এ ছাড়া নকশা পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত প্রকৌশল কাজের জন্য আরও ১ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয় যোগ হয়েছে।
নকশায় পরিবর্তন
এক্সপ্রেসওয়ের পথ টঙ্গী ও সাভার অংশে তুরাগ নদের ৩টি শাখা অতিক্রম করবে। ২০২৩ সালে নৌপথের নাব্যতার শ্রেণি উন্নীত করায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ভবন ও টোল প্লাজার প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা বাড়ানো রয়েছে। ঢাকা-টঙ্গী অংশে রেলওয়ের ভবিষ্যৎ ট্রানজিট করিডোরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পিয়ারের উচ্চতা ও স্প্যানের দৈর্ঘ্যও বাড়ানো হয়েছে।
বাইপাইলে যানজট কমাতে নতুন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ যুক্ত করা হয়েছে। কাওলায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ দিতে অতিরিক্ত প্রবেশ ও বের হওয়ার র্যাম্প নির্মাণ করা হবে।
ব্যয় বৃদ্ধির বাকি ৩ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং কর ও ভ্যাটের হার বৃদ্ধির কারণে যুক্ত হয়েছে।

ঢাকা-আশুলিয়া উড়াল সড়কের ব্যয় বেড়ে হচ্ছে পদ্মা সেতুর কাছাকাছি
নিজস্ব প্রতিবেদক

চীনের অর্থায়নে নির্মাণাধীন ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ব্যয় ৫৪ শতাংশ বাড়তে যাচ্ছে। প্রায় ৯ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা বেড়ে প্রকল্পটির মোট ব্যয় ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। মেগা প্রজেক্ট পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের চেয়ে তা মাত্র ৫ হাজার কোটি টাকা কম।
প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধিত প্রস্তাব বুধবার (২২ জুলাই) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হতে পারে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, অতিরিক্ত প্রকৌশল কাজ, জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং কর ও ভ্যাটের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পের মোট খরচ বেড়েছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালে ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি গ্রহণ করে। তখন চীনের অর্থায়নের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়াল সড়ক রাজধানীর কাওলা থেকে শুরু হয়ে আব্দুল্লাহপুর, কামারপাড়া, ধউর, আশুলিয়া, জিরাবো ও বাইপাইল হয়ে সাভারের শ্রীপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাবে।
২০২২ সালে প্রথম সংশোধনীতে প্রকল্প ব্যয় ৬৫২ কোটি টাকা বেড়ে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা হয়। চীনের অর্থায়ন কমিয়ে ৯ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়।
সর্বশেষ প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন প্রায় ৭৬ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা হবে। অন্যদিকে চীনের অর্থায়ন ৩৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ২৪২ কোটি টাকা হবে।
জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, নকশা সংশোধন ও প্রকল্পে নতুন উপাদান যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদও বাড়িয়ে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই বছরের ত্রুটিদায় (ডিফেক্ট লায়াবিলিটি) সময়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
২০২৬ সালের মে পর্যন্ত প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১৪ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা, যা প্রথম সংশোধিত ব্যয়ের ৮৩ শতাংশ এবং নতুন প্রস্তাবিত ব্যয়ের ৫৩ দশমিক ৮২ শতাংশ।
প্রকল্পটি শুরু হওয়ার আগেই দীর্ঘ বিলম্বের মুখে পড়ে। চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে অর্থায়ন চুক্তি চূড়ান্ত করতে প্রায় ৪ বছর লেগে যায়। ফলে মূল নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২২ সালের অক্টোবরে।
এ সময়ের মধ্যে বিশ্ববাজারে নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যায় এবং টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন হয়। প্রথম সংশোধনীতে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ধরা হয়েছিল ৮৬ টাকা। সর্বশেষ সংশোধনীতে তা ধরা হয়েছে ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা।
শুধু ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণেই প্রকল্প ব্যয় ৩ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা বেড়েছে, যা মোট প্রস্তাবিত ব্যয় বৃদ্ধির প্রায় ৩৯ শতাংশ। এ ছাড়া নকশা পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত প্রকৌশল কাজের জন্য আরও ১ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয় যোগ হয়েছে।
নকশায় পরিবর্তন
এক্সপ্রেসওয়ের পথ টঙ্গী ও সাভার অংশে তুরাগ নদের ৩টি শাখা অতিক্রম করবে। ২০২৩ সালে নৌপথের নাব্যতার শ্রেণি উন্নীত করায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ভবন ও টোল প্লাজার প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা বাড়ানো রয়েছে। ঢাকা-টঙ্গী অংশে রেলওয়ের ভবিষ্যৎ ট্রানজিট করিডোরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পিয়ারের উচ্চতা ও স্প্যানের দৈর্ঘ্যও বাড়ানো হয়েছে।
বাইপাইলে যানজট কমাতে নতুন ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ যুক্ত করা হয়েছে। কাওলায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ দিতে অতিরিক্ত প্রবেশ ও বের হওয়ার র্যাম্প নির্মাণ করা হবে।
ব্যয় বৃদ্ধির বাকি ৩ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং কর ও ভ্যাটের হার বৃদ্ধির কারণে যুক্ত হয়েছে।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: আজ চালু হলো এফডিসির অংশ






