‘সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুফল পেতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে’

‘সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুফল পেতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে’
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বর্তমান সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড প্রদান আশাব্যাঞ্জক পদক্ষেপ। তবে এর সুফল পেতে উপকারভোগী নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
শনিবার (২ মে) এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতি জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার প্রধান কারণ’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। অনুষ্ঠানে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও ঢাকা কলেজের বিতার্কিকরা অংশ নেন।
ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, অতীতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। নিম্নবিত্তের জীবনকে সহায়তা করতে ভতুর্কি দেওয়া প্রয়োজন। তবে ভতুর্কি লক্ষ্যভিত্তিক হতে হবে। জ্বালানি ভর্তুকি সর্বজনীন না করে কেবল কৃষি, সেচ ও গণপরিবহন খাতে দেওয়া যেতে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমানে জ্বালানির ভর্তুকি দেশের উচ্চবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্তরাও ভোগ করছে। অথচ সর্বজনীন জ্বালানি ভর্তুকি দেওয়ার সক্ষমতা সরকারের নেই। সবার ভর্তুকি পাওয়া উচিতও নয়।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, বাজেটে নীতিগত দিক নির্দেশনা থাকতে হবে। যেহেতু আমাদের সম্পদ সঞ্চালন কম, সে কারণে ব্যয় সাশ্রয়ী বাজেট হতে হবে। বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে প্রচুর পরিমাণে ঋণ নেয়। শুধুমাত্র বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও সরকার ঋণ নেয়। যা অর্থনীতির জন্য আত্মঘাতী।
তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা দেখাতে হবে। আইএমএফের শর্ত হিসেবে সরকার প্রতি মাসে জ্বালানির দাম নির্ধারণের উদ্যোগ নিলেও আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম কমে, তখন সরকার দাম না কমিয়ে মুনাফা করেছে। এই খাতে দুর্নীতিও আছে। তাই দাম নির্ধারণের পদ্ধতি স্বচ্ছতার সঙ্গে কার্যকর করতে হবে।
সরকারের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করে জ্বালানি অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বিভিন্ন স্টাডিতে উঠে এসেছে যে কূপ খননের মাধ্যমে বাংলাদেশে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
আসন্ন বাজেট নিয়ে তিনি বলেন, আগামী বাজেটকে নিছক সরকারের এক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব হিসেবে প্রণয়ন না করে ভঙ্গুর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার হাতিয়ার হিসেবে প্রণয়ন করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে নিজস্ব অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করা এবং সরকারের নীতিমালার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠায় বাজেটে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ৩০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পর্যাপ্ত নয়। রপ্তানি কমে যাচ্ছে, শুধু রেমিটেন্স দিয়ে রিজার্ভ বাড়ানো সম্ভব নয়। বেসরকারিখাতের বিনিয়োগ কমে জিডিপির অনুপাতে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে, বৈদেশিক বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। ফলে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। তাহলে কীভাবে অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত হবে? এই পরিস্থিতি উত্তরণে বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত করা, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

বর্তমান সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড প্রদান আশাব্যাঞ্জক পদক্ষেপ। তবে এর সুফল পেতে উপকারভোগী নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
শনিবার (২ মে) এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতি জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার প্রধান কারণ’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। অনুষ্ঠানে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও ঢাকা কলেজের বিতার্কিকরা অংশ নেন।
ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, অতীতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। নিম্নবিত্তের জীবনকে সহায়তা করতে ভতুর্কি দেওয়া প্রয়োজন। তবে ভতুর্কি লক্ষ্যভিত্তিক হতে হবে। জ্বালানি ভর্তুকি সর্বজনীন না করে কেবল কৃষি, সেচ ও গণপরিবহন খাতে দেওয়া যেতে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমানে জ্বালানির ভর্তুকি দেশের উচ্চবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্তরাও ভোগ করছে। অথচ সর্বজনীন জ্বালানি ভর্তুকি দেওয়ার সক্ষমতা সরকারের নেই। সবার ভর্তুকি পাওয়া উচিতও নয়।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, বাজেটে নীতিগত দিক নির্দেশনা থাকতে হবে। যেহেতু আমাদের সম্পদ সঞ্চালন কম, সে কারণে ব্যয় সাশ্রয়ী বাজেট হতে হবে। বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে প্রচুর পরিমাণে ঋণ নেয়। শুধুমাত্র বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও সরকার ঋণ নেয়। যা অর্থনীতির জন্য আত্মঘাতী।
তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা দেখাতে হবে। আইএমএফের শর্ত হিসেবে সরকার প্রতি মাসে জ্বালানির দাম নির্ধারণের উদ্যোগ নিলেও আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম কমে, তখন সরকার দাম না কমিয়ে মুনাফা করেছে। এই খাতে দুর্নীতিও আছে। তাই দাম নির্ধারণের পদ্ধতি স্বচ্ছতার সঙ্গে কার্যকর করতে হবে।
সরকারের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করে জ্বালানি অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বিভিন্ন স্টাডিতে উঠে এসেছে যে কূপ খননের মাধ্যমে বাংলাদেশে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
আসন্ন বাজেট নিয়ে তিনি বলেন, আগামী বাজেটকে নিছক সরকারের এক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব হিসেবে প্রণয়ন না করে ভঙ্গুর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার হাতিয়ার হিসেবে প্রণয়ন করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে নিজস্ব অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করা এবং সরকারের নীতিমালার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠায় বাজেটে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ৩০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পর্যাপ্ত নয়। রপ্তানি কমে যাচ্ছে, শুধু রেমিটেন্স দিয়ে রিজার্ভ বাড়ানো সম্ভব নয়। বেসরকারিখাতের বিনিয়োগ কমে জিডিপির অনুপাতে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে, বৈদেশিক বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। ফলে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। তাহলে কীভাবে অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত হবে? এই পরিস্থিতি উত্তরণে বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত করা, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

‘সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুফল পেতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে’
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বর্তমান সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড প্রদান আশাব্যাঞ্জক পদক্ষেপ। তবে এর সুফল পেতে উপকারভোগী নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
শনিবার (২ মে) এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতি জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার প্রধান কারণ’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। অনুষ্ঠানে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও ঢাকা কলেজের বিতার্কিকরা অংশ নেন।
ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, অতীতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে অনেক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। নিম্নবিত্তের জীবনকে সহায়তা করতে ভতুর্কি দেওয়া প্রয়োজন। তবে ভতুর্কি লক্ষ্যভিত্তিক হতে হবে। জ্বালানি ভর্তুকি সর্বজনীন না করে কেবল কৃষি, সেচ ও গণপরিবহন খাতে দেওয়া যেতে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমানে জ্বালানির ভর্তুকি দেশের উচ্চবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্তরাও ভোগ করছে। অথচ সর্বজনীন জ্বালানি ভর্তুকি দেওয়ার সক্ষমতা সরকারের নেই। সবার ভর্তুকি পাওয়া উচিতও নয়।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, বাজেটে নীতিগত দিক নির্দেশনা থাকতে হবে। যেহেতু আমাদের সম্পদ সঞ্চালন কম, সে কারণে ব্যয় সাশ্রয়ী বাজেট হতে হবে। বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে প্রচুর পরিমাণে ঋণ নেয়। শুধুমাত্র বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও সরকার ঋণ নেয়। যা অর্থনীতির জন্য আত্মঘাতী।
তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা দেখাতে হবে। আইএমএফের শর্ত হিসেবে সরকার প্রতি মাসে জ্বালানির দাম নির্ধারণের উদ্যোগ নিলেও আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম কমে, তখন সরকার দাম না কমিয়ে মুনাফা করেছে। এই খাতে দুর্নীতিও আছে। তাই দাম নির্ধারণের পদ্ধতি স্বচ্ছতার সঙ্গে কার্যকর করতে হবে।
সরকারের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করে জ্বালানি অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বিভিন্ন স্টাডিতে উঠে এসেছে যে কূপ খননের মাধ্যমে বাংলাদেশে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
আসন্ন বাজেট নিয়ে তিনি বলেন, আগামী বাজেটকে নিছক সরকারের এক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব হিসেবে প্রণয়ন না করে ভঙ্গুর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার হাতিয়ার হিসেবে প্রণয়ন করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে নিজস্ব অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করা এবং সরকারের নীতিমালার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠায় বাজেটে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ৩০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পর্যাপ্ত নয়। রপ্তানি কমে যাচ্ছে, শুধু রেমিটেন্স দিয়ে রিজার্ভ বাড়ানো সম্ভব নয়। বেসরকারিখাতের বিনিয়োগ কমে জিডিপির অনুপাতে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে, বৈদেশিক বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। ফলে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। তাহলে কীভাবে অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত হবে? এই পরিস্থিতি উত্তরণে বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত করা, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

ভ্যাট অফিসাররা ব্যবসায়ীদের হয়রানি করছেন: বারভিডা 


