সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি কে এই আবেদুর রহমান

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি কে এই আবেদুর রহমান
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন আবেদুর রহমান সিকদার।
গত ২৯ জুন আবেদুর রহমান সিকদারকে এমডি হিসেবে নিয়োগে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ২৩ জুন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
আবেদুর রহমান এর আগে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে যোগদানের পর তিনি রিটেইল ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, লায়াবিলিটি বিজনেস, কার্ডস, ই-ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ব্রাঞ্চ অপারেশনস এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব প্রদান করেন। তার নেতৃত্বে ব্যাংকের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, গ্রাহকসেবা, অপারেশনাল উৎকর্ষ এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়।
বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে এজেন্ট ব্যাংকিং ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলা কিউআর সারা দেশে জনপ্রিয় করতে নেক্সাসপে ও রকেট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কার্যকর অবদান রাখেন। তার নেতৃত্বে নেক্সাসপে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও উদ্ভাবনী ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপে পরিণত হয়।
আবেদুর রহমান সিকদার তার কর্মজীবন শুরু করেন উত্তরা ব্যাংক পিএলসিতে। পরবর্তীতে তিনি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে যোগদান করেন। এছাড়া ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে ব্যাংকটির যাত্রার শুরু থেকেই যুক্ত হন। ব্র্যাক ব্যাংকে দীর্ঘ ১৬ বছরের কর্মজীবনে তিনি ব্যাংকিং অপারেশনস, ট্রেজারি ও রেমিট্যান্স কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশে এসএমই ব্যাংকিং সেবা বিকাশ ও সম্প্রসারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক, ক্লাস্টার হেড এবং রিটেইল ব্যাংকিং, ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং, অল্টারনেটিভ ব্যাংকিং, মার্কেটিং অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, প্রিমিয়াম ব্যাংকিং এবং কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধান হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে তিনি শ্রীলঙ্কার ব্র্যাক লঙ্কা ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, সুশাসন এবং অপারেশনাল উৎকর্ষতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।
দীর্ঘ কর্মজীবনে আবেদুর রহমান কর্পোরেট সুশাসন, ব্যবসা উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, গ্রাহকসেবা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং কর্মদক্ষতাভিত্তিক সাংগঠনিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সমাধান বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা দেশের ব্যাংকিং খাতে বিশেষভাবে সমাদৃত।
আবেদুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্নমেন্ট স্টাডিজ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং এবং ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা করেছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (আইবিএ) বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ে অধ্যয়ন করেন এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) থেকে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন করেন। নেতৃত্ব, ব্যাংকিং, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স বিষয়ে দেশ-বিদেশে তিনি অসংখ্য পেশাগত প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়া এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সফরের অভিজ্ঞতা তাঁর বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
কর্মজীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আবেদুর রহমান সিকদার বিভিন্ন সময়ে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। ব্র্যাক ব্যাংকে তার উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি ‘চেয়ারম্যান এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। এছাড়া ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে সততা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধনির্ভর নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘ইন্টিগ্রিটি’ পুরস্কারে ভূষিত হন।
আবেদুর রহমানের সুদীর্ঘ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা, দূরদর্শী নেতৃত্ব, পেশাদারিত্ব এবং সুশাসনভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক আধুনিক ব্যাংকিং সেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তার নেতৃত্বে ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মান আরও সমৃদ্ধ হবে বলে পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
পরিচালনা পর্ষদ আরও বিশ্বাস করে যে, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, শরিয়াহ পরিপালন এবং উদ্ভাবনকে ভিত্তি করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি দেশের অন্যতম আস্থাভাজন, আধুনিক ও টেকসই শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে পরিণত হবে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন আবেদুর রহমান সিকদার।
গত ২৯ জুন আবেদুর রহমান সিকদারকে এমডি হিসেবে নিয়োগে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ২৩ জুন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
আবেদুর রহমান এর আগে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে যোগদানের পর তিনি রিটেইল ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, লায়াবিলিটি বিজনেস, কার্ডস, ই-ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ব্রাঞ্চ অপারেশনস এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব প্রদান করেন। তার নেতৃত্বে ব্যাংকের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, গ্রাহকসেবা, অপারেশনাল উৎকর্ষ এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়।
বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে এজেন্ট ব্যাংকিং ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলা কিউআর সারা দেশে জনপ্রিয় করতে নেক্সাসপে ও রকেট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কার্যকর অবদান রাখেন। তার নেতৃত্বে নেক্সাসপে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও উদ্ভাবনী ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপে পরিণত হয়।
আবেদুর রহমান সিকদার তার কর্মজীবন শুরু করেন উত্তরা ব্যাংক পিএলসিতে। পরবর্তীতে তিনি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে যোগদান করেন। এছাড়া ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে ব্যাংকটির যাত্রার শুরু থেকেই যুক্ত হন। ব্র্যাক ব্যাংকে দীর্ঘ ১৬ বছরের কর্মজীবনে তিনি ব্যাংকিং অপারেশনস, ট্রেজারি ও রেমিট্যান্স কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশে এসএমই ব্যাংকিং সেবা বিকাশ ও সম্প্রসারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক, ক্লাস্টার হেড এবং রিটেইল ব্যাংকিং, ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং, অল্টারনেটিভ ব্যাংকিং, মার্কেটিং অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, প্রিমিয়াম ব্যাংকিং এবং কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধান হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে তিনি শ্রীলঙ্কার ব্র্যাক লঙ্কা ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, সুশাসন এবং অপারেশনাল উৎকর্ষতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।
দীর্ঘ কর্মজীবনে আবেদুর রহমান কর্পোরেট সুশাসন, ব্যবসা উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, গ্রাহকসেবা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং কর্মদক্ষতাভিত্তিক সাংগঠনিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সমাধান বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা দেশের ব্যাংকিং খাতে বিশেষভাবে সমাদৃত।
আবেদুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্নমেন্ট স্টাডিজ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং এবং ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা করেছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (আইবিএ) বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ে অধ্যয়ন করেন এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) থেকে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন করেন। নেতৃত্ব, ব্যাংকিং, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স বিষয়ে দেশ-বিদেশে তিনি অসংখ্য পেশাগত প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়া এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সফরের অভিজ্ঞতা তাঁর বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
কর্মজীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আবেদুর রহমান সিকদার বিভিন্ন সময়ে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। ব্র্যাক ব্যাংকে তার উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি ‘চেয়ারম্যান এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। এছাড়া ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে সততা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধনির্ভর নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘ইন্টিগ্রিটি’ পুরস্কারে ভূষিত হন।
আবেদুর রহমানের সুদীর্ঘ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা, দূরদর্শী নেতৃত্ব, পেশাদারিত্ব এবং সুশাসনভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক আধুনিক ব্যাংকিং সেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তার নেতৃত্বে ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মান আরও সমৃদ্ধ হবে বলে পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
পরিচালনা পর্ষদ আরও বিশ্বাস করে যে, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, শরিয়াহ পরিপালন এবং উদ্ভাবনকে ভিত্তি করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি দেশের অন্যতম আস্থাভাজন, আধুনিক ও টেকসই শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে পরিণত হবে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি কে এই আবেদুর রহমান
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন আবেদুর রহমান সিকদার।
গত ২৯ জুন আবেদুর রহমান সিকদারকে এমডি হিসেবে নিয়োগে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ২৩ জুন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
আবেদুর রহমান এর আগে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে যোগদানের পর তিনি রিটেইল ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, লায়াবিলিটি বিজনেস, কার্ডস, ই-ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ব্রাঞ্চ অপারেশনস এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব প্রদান করেন। তার নেতৃত্বে ব্যাংকের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, গ্রাহকসেবা, অপারেশনাল উৎকর্ষ এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়।
বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে এজেন্ট ব্যাংকিং ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলা কিউআর সারা দেশে জনপ্রিয় করতে নেক্সাসপে ও রকেট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কার্যকর অবদান রাখেন। তার নেতৃত্বে নেক্সাসপে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও উদ্ভাবনী ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপে পরিণত হয়।
আবেদুর রহমান সিকদার তার কর্মজীবন শুরু করেন উত্তরা ব্যাংক পিএলসিতে। পরবর্তীতে তিনি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে যোগদান করেন। এছাড়া ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে ব্যাংকটির যাত্রার শুরু থেকেই যুক্ত হন। ব্র্যাক ব্যাংকে দীর্ঘ ১৬ বছরের কর্মজীবনে তিনি ব্যাংকিং অপারেশনস, ট্রেজারি ও রেমিট্যান্স কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশে এসএমই ব্যাংকিং সেবা বিকাশ ও সম্প্রসারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক, ক্লাস্টার হেড এবং রিটেইল ব্যাংকিং, ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং, অল্টারনেটিভ ব্যাংকিং, মার্কেটিং অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, প্রিমিয়াম ব্যাংকিং এবং কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধান হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে তিনি শ্রীলঙ্কার ব্র্যাক লঙ্কা ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, সুশাসন এবং অপারেশনাল উৎকর্ষতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।
দীর্ঘ কর্মজীবনে আবেদুর রহমান কর্পোরেট সুশাসন, ব্যবসা উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, গ্রাহকসেবা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং কর্মদক্ষতাভিত্তিক সাংগঠনিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সমাধান বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা দেশের ব্যাংকিং খাতে বিশেষভাবে সমাদৃত।
আবেদুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্নমেন্ট স্টাডিজ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং এবং ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা করেছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (আইবিএ) বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ে অধ্যয়ন করেন এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) থেকে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন করেন। নেতৃত্ব, ব্যাংকিং, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স বিষয়ে দেশ-বিদেশে তিনি অসংখ্য পেশাগত প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়া এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সফরের অভিজ্ঞতা তাঁর বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
কর্মজীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আবেদুর রহমান সিকদার বিভিন্ন সময়ে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। ব্র্যাক ব্যাংকে তার উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি ‘চেয়ারম্যান এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন। এছাড়া ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে সততা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধনির্ভর নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘ইন্টিগ্রিটি’ পুরস্কারে ভূষিত হন।
আবেদুর রহমানের সুদীর্ঘ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা, দূরদর্শী নেতৃত্ব, পেশাদারিত্ব এবং সুশাসনভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক আধুনিক ব্যাংকিং সেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তার নেতৃত্বে ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মান আরও সমৃদ্ধ হবে বলে পরিচালনা পর্ষদ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
পরিচালনা পর্ষদ আরও বিশ্বাস করে যে, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, শরিয়াহ পরিপালন এবং উদ্ভাবনকে ভিত্তি করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি দেশের অন্যতম আস্থাভাজন, আধুনিক ও টেকসই শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে পরিণত হবে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

রাজস্ব-মূল্যস্ফীতি-ব্যাংকিং সংকট নিয়ে আইএমএফের উদ্বেগ
বীমা দাবি পরিশোধে কঠোর অবস্থানে আইডিআরএ





