সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের বিক্ষোভ
# পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জলকামান নিক্ষেপ

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের বিক্ষোভ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা ‘হেয়ার কাট’ সিদ্ধান্ত বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
আজ (বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ) রাজধানীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে তারা এ কর্মসূচী পালন করেন। এদিকে, আমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে আমানতকারীরা এক পর্যায়ে সড়ক অবরোধ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জলকামান ব্যবহার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন আমানতকারীরা। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং আমানতের অর্থ দ্রুত ফেরতের দাবি জানান। পরে বিক্ষোভকারীরা শাপলা চত্বরের প্রধান সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে তাদের সরিয়ে দেয়।
আন্দোলনকারীরা জানান, একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের আমানতের অর্থ তুলতে পারছেন না। ব্যাংকগুলো হলো ইউনিয়ন ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক। এসব ব্যাংক একীভূত করে একটি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় আমানতকারীরা অভিযোগ করে বলেন, সাবেক গভর্নরের সিদ্ধান্তে শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে মাত্র ৪ শতাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে; যা আমানতকারীদের জন্য অন্যায্য ও অমানবিক। তারা জানান, গত দুই বছর ধরে অনেকেই মূলধন ও মুনাফা তুলতে না পেরে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেয়ার দাবি জানান। একইসঙ্গে অন্যান্য তফসিলি ব্যাংকের মতো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক করা এবং এফডি, ডিপিএস ও এমটিডিআরসহ মেয়াদোত্তীর্ণ সঞ্চয়পত্রের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধের দাবি তোলেন তারা।
মানববন্ধন থেকে দ্রুত দাবি মেনে নেয়ার আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা করেন, দাবি আদায় না হলে আগামী ১২ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে।
এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে পূর্ববর্তী সময়ে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কথাও জানান তিনি।
নতুন ব্যাংকটি ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া প্রায় ৭৮ লাখ আমানতকারীর জন্য আমানত বিমা তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা করে মোট ১২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
/এমএস/

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা ‘হেয়ার কাট’ সিদ্ধান্ত বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
আজ (বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ) রাজধানীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে তারা এ কর্মসূচী পালন করেন। এদিকে, আমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে আমানতকারীরা এক পর্যায়ে সড়ক অবরোধ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জলকামান ব্যবহার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন আমানতকারীরা। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং আমানতের অর্থ দ্রুত ফেরতের দাবি জানান। পরে বিক্ষোভকারীরা শাপলা চত্বরের প্রধান সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে তাদের সরিয়ে দেয়।
আন্দোলনকারীরা জানান, একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের আমানতের অর্থ তুলতে পারছেন না। ব্যাংকগুলো হলো ইউনিয়ন ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক। এসব ব্যাংক একীভূত করে একটি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় আমানতকারীরা অভিযোগ করে বলেন, সাবেক গভর্নরের সিদ্ধান্তে শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে মাত্র ৪ শতাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে; যা আমানতকারীদের জন্য অন্যায্য ও অমানবিক। তারা জানান, গত দুই বছর ধরে অনেকেই মূলধন ও মুনাফা তুলতে না পেরে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেয়ার দাবি জানান। একইসঙ্গে অন্যান্য তফসিলি ব্যাংকের মতো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক করা এবং এফডি, ডিপিএস ও এমটিডিআরসহ মেয়াদোত্তীর্ণ সঞ্চয়পত্রের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধের দাবি তোলেন তারা।
মানববন্ধন থেকে দ্রুত দাবি মেনে নেয়ার আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা করেন, দাবি আদায় না হলে আগামী ১২ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে।
এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে পূর্ববর্তী সময়ে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কথাও জানান তিনি।
নতুন ব্যাংকটি ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া প্রায় ৭৮ লাখ আমানতকারীর জন্য আমানত বিমা তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা করে মোট ১২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
/এমএস/

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের বিক্ষোভ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা ‘হেয়ার কাট’ সিদ্ধান্ত বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
আজ (বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ) রাজধানীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে তারা এ কর্মসূচী পালন করেন। এদিকে, আমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে আমানতকারীরা এক পর্যায়ে সড়ক অবরোধ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জলকামান ব্যবহার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন আমানতকারীরা। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং আমানতের অর্থ দ্রুত ফেরতের দাবি জানান। পরে বিক্ষোভকারীরা শাপলা চত্বরের প্রধান সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে তাদের সরিয়ে দেয়।
আন্দোলনকারীরা জানান, একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের আমানতের অর্থ তুলতে পারছেন না। ব্যাংকগুলো হলো ইউনিয়ন ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক। এসব ব্যাংক একীভূত করে একটি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় আমানতকারীরা অভিযোগ করে বলেন, সাবেক গভর্নরের সিদ্ধান্তে শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে মাত্র ৪ শতাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে; যা আমানতকারীদের জন্য অন্যায্য ও অমানবিক। তারা জানান, গত দুই বছর ধরে অনেকেই মূলধন ও মুনাফা তুলতে না পেরে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ ও ২০২৫ সালের পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেয়ার দাবি জানান। একইসঙ্গে অন্যান্য তফসিলি ব্যাংকের মতো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক করা এবং এফডি, ডিপিএস ও এমটিডিআরসহ মেয়াদোত্তীর্ণ সঞ্চয়পত্রের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধের দাবি তোলেন তারা।
মানববন্ধন থেকে দ্রুত দাবি মেনে নেয়ার আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা করেন, দাবি আদায় না হলে আগামী ১২ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে।
এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে পূর্ববর্তী সময়ে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কথাও জানান তিনি।
নতুন ব্যাংকটি ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া প্রায় ৭৮ লাখ আমানতকারীর জন্য আমানত বিমা তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা করে মোট ১২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
/এমএস/




