করের অর্থ কোথায় যায়, সরকারকে বিটিএমএ সভাপতির প্রশ্ন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

করের অর্থ কোথায় যায়, সরকারকে বিটিএমএ সভাপতির প্রশ্ন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৯: ৪০

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। ছবি : সংগৃহীত
শিল্প খাতে ধস নেমেছে, অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং ব্যবসার পরিবেশ ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।
তিনি বলেন,শিল্প খাতে নীতিগত সংস্কার নেই। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশও নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। করের টাকা দিয়ে সরকার আসলে কী করছে?
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সিএ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট গোলটেবিল আলোচনায় এ প্রশ্ন করেন তিনি।
দেশের অতীত শিল্পনীতি নিয়ে স্মৃতিচারণ করে শওকত আজিজ রাসেল বলেন, প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান শিল্পায়নের জন্য যেসব নীতি সহায়তা দিয়েছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তার সঙ্গে তুলনীয় নয়।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর আদায়ে কঠোরতা থাকলেও ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নেই। সরকার ব্রিজ নির্মাণ করে কিন্তু রাস্তার উন্নয়ন হয় না। ফলে উন্নয়ন পরিকল্পনায় ভারসাম্য থাকে না।
বিটিএমএ সভাপতি বলেন, আয়-ব্যয়ের অমিল থেকেই বোঝা যায়, সরকারের ব্যয়ের প্রবণতা আয়কে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যা অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আগামী বাজেটে শিল্প, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কত শতাংশ বরাদ্দ থাকবে—তা আগে থেকেই স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) সভাপতি এন কে এ মবিন বলেন, দেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে এবং আগামী বাজেট প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকা হতে পারে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, টেকসই রাজস্ব আহরণের জন্য প্রত্যক্ষ করের অংশ বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে ভ্যাট ফাঁকি ও কর ফাঁকি নিয়ন্ত্রণ না করলে রাজস্ব বৃদ্ধি সম্ভব নয়।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, কর ফাঁকি বাড়ার অন্যতম কারণ নাগরিকদের সঙ্গে করের সরাসরি সংযোগের অভাব। সেবা না পেলে নাগরিকদের কর প্রদানে অনাগ্রহ তৈরি হয়।
তিনি বলেন, আগামী অর্থবছর থেকে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে—তা উল্লেখ থাকবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ, এনবিআরের সাবেক সদস্য ফরিদ উদ্দিন এবং দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

শিল্প খাতে ধস নেমেছে, অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং ব্যবসার পরিবেশ ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।
তিনি বলেন,শিল্প খাতে নীতিগত সংস্কার নেই। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশও নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। করের টাকা দিয়ে সরকার আসলে কী করছে?
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সিএ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট গোলটেবিল আলোচনায় এ প্রশ্ন করেন তিনি।
দেশের অতীত শিল্পনীতি নিয়ে স্মৃতিচারণ করে শওকত আজিজ রাসেল বলেন, প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান শিল্পায়নের জন্য যেসব নীতি সহায়তা দিয়েছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তার সঙ্গে তুলনীয় নয়।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর আদায়ে কঠোরতা থাকলেও ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নেই। সরকার ব্রিজ নির্মাণ করে কিন্তু রাস্তার উন্নয়ন হয় না। ফলে উন্নয়ন পরিকল্পনায় ভারসাম্য থাকে না।
বিটিএমএ সভাপতি বলেন, আয়-ব্যয়ের অমিল থেকেই বোঝা যায়, সরকারের ব্যয়ের প্রবণতা আয়কে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যা অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আগামী বাজেটে শিল্প, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কত শতাংশ বরাদ্দ থাকবে—তা আগে থেকেই স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) সভাপতি এন কে এ মবিন বলেন, দেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে এবং আগামী বাজেট প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকা হতে পারে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, টেকসই রাজস্ব আহরণের জন্য প্রত্যক্ষ করের অংশ বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে ভ্যাট ফাঁকি ও কর ফাঁকি নিয়ন্ত্রণ না করলে রাজস্ব বৃদ্ধি সম্ভব নয়।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, কর ফাঁকি বাড়ার অন্যতম কারণ নাগরিকদের সঙ্গে করের সরাসরি সংযোগের অভাব। সেবা না পেলে নাগরিকদের কর প্রদানে অনাগ্রহ তৈরি হয়।
তিনি বলেন, আগামী অর্থবছর থেকে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে—তা উল্লেখ থাকবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ, এনবিআরের সাবেক সদস্য ফরিদ উদ্দিন এবং দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

করের অর্থ কোথায় যায়, সরকারকে বিটিএমএ সভাপতির প্রশ্ন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৯: ৪০

বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। ছবি : সংগৃহীত
শিল্প খাতে ধস নেমেছে, অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং ব্যবসার পরিবেশ ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।
তিনি বলেন,শিল্প খাতে নীতিগত সংস্কার নেই। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশও নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। করের টাকা দিয়ে সরকার আসলে কী করছে?
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সিএ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট গোলটেবিল আলোচনায় এ প্রশ্ন করেন তিনি।
দেশের অতীত শিল্পনীতি নিয়ে স্মৃতিচারণ করে শওকত আজিজ রাসেল বলেন, প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান শিল্পায়নের জন্য যেসব নীতি সহায়তা দিয়েছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তার সঙ্গে তুলনীয় নয়।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর আদায়ে কঠোরতা থাকলেও ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নেই। সরকার ব্রিজ নির্মাণ করে কিন্তু রাস্তার উন্নয়ন হয় না। ফলে উন্নয়ন পরিকল্পনায় ভারসাম্য থাকে না।
বিটিএমএ সভাপতি বলেন, আয়-ব্যয়ের অমিল থেকেই বোঝা যায়, সরকারের ব্যয়ের প্রবণতা আয়কে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। যা অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আগামী বাজেটে শিল্প, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কত শতাংশ বরাদ্দ থাকবে—তা আগে থেকেই স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) সভাপতি এন কে এ মবিন বলেন, দেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে এবং আগামী বাজেট প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকা হতে পারে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, টেকসই রাজস্ব আহরণের জন্য প্রত্যক্ষ করের অংশ বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে ভ্যাট ফাঁকি ও কর ফাঁকি নিয়ন্ত্রণ না করলে রাজস্ব বৃদ্ধি সম্ভব নয়।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, কর ফাঁকি বাড়ার অন্যতম কারণ নাগরিকদের সঙ্গে করের সরাসরি সংযোগের অভাব। সেবা না পেলে নাগরিকদের কর প্রদানে অনাগ্রহ তৈরি হয়।
তিনি বলেন, আগামী অর্থবছর থেকে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে—তা উল্লেখ থাকবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ, এনবিআরের সাবেক সদস্য ফরিদ উদ্দিন এবং দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
/এসবি/




