
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘একটি শিল্পকারখানা সচল থাকলে শুধু সরাসরি শ্রমিক নয়, বরং সংশ্লিষ্ট বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আরও অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়।’

রুগ্ণ ও বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে বেসরকারি উদ্যোক্তারা এ উদ্যোগের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের ধরন কেমন হবে, সে বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।