শিরোনাম

চাকচিক্য প্যাকেটে মানহীন লাচ্ছা সেমাই, জরিমানা

বিশেষ প্রতিনিধি
চাকচিক্য প্যাকেটে মানহীন লাচ্ছা সেমাই, জরিমানা
বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন–বিএসটিআই পরিচারিচালিত ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালায়। ছবি: সংগৃহীত

ঈদকে সামনে রেখে বাজারে নানা ধরনের সেমাই বিক্রি হয়। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী মানহীন প্রতিষ্ঠানের তৈরি সেমাই, সুন্দর ও চাকচিক্য প্যাকেটে ভরে অস্বাভাবিক দামে বিক্রি করে আসছে। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন–বিএসটিআই পরিচালিত ভেজালবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে এমন এক প্রতারণামূলক কার্যকলাপ শনাক্ত করেছে।

বিএসটিআইয়ের পরিচালক (সিএম) সাইফুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, লা-অর্গানিক নামে নামপরিচয়হীন একটি প্রতিষ্ঠানের লাচ্ছা সেমাই কিনে নিজের নামে চাকচিক্য প্যাকেটে ভরে বাজারে অত্যন্ত চড়া দামে তা বিক্রি করে আসছিল। সাধারণ মানের সেমাই ২০০–৩০০ টাকা হলেও তারা এক হাজার টাকা বিক্রয় মূল্য লিখেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ছাড়াই লাচ্ছা সেমাই, বাটার, মধু, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া এবং ঘি উৎপাদন ও বিপণন করছে। এই অপরাধে ২০১৮ সালের বিএসটিআই আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে প্রায় ৬০০ কেজি পরিমাণ লাচ্ছা সেমাই এবং ২০ কেজি বাটার জব্দ করা হয়।

অপরদিকে, রামপুরা বাজার এলাকায় অবস্থিত ‘প্রকৃতি ফুড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ও মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ ছাড়া ‘সেরেলাক্স’ পণ্য বিক্রি করে আসছিল। অভিযানের খবর পেয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের সবাই পালিয়ে যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের পণ্য জব্দের পর ধ্বংস করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়।

বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন্নেসা খানমের নেতৃত্বে রাজধানীর খিলগাঁও ও রামপুরা এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। সেখানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাঠ কর্মকর্তা সিকান্দার মাহমুদ। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, মাঠ কর্মকর্তা ফারদিন ইসলাম এবং আহসান হাবীব খান। অভিযানে সহায়তা করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-১১ (এপিবিএন)-এর সদস্যরা।

/এমআর/