ঢামেকে দুপুরে শিশু অপহরণ, রাতে উদ্ধার

ঢামেকে দুপুরে শিশু অপহরণ, রাতে উদ্ধার
সিটিজেন ডেস্ক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে অপহৃত হওয়া দুই বছর বয়সী শিশু ফোজাইলকে একদিন পর যাত্রাবাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ির গোলাপবাগ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে র্যাব।
উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশিদুল আলম। তিনি জানান, মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশ জানায়, অপহরণের পর শিশুটির স্বজনদের কাছে ফোন করে সাড়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সেই ফোনের সূত্র ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
এর আগে ঈদের দিন দুপুর আনুমানিক সোয়া ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলার হৃদরোগ বিভাগ থেকে নিখোঁজ হয় ফোজাইল। রাত ৯টা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শিশুটির মা নুসরাত জাহান তাকিয়া জানান, তার বাবা হাফেজ নাসির উদ্দিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দুই দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের বাসা খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায়। ঈদের দিন তারা হাসপাতালে বাবাকে দেখতে গেলে দুপুরের দিকে ওয়ার্ডের ভেতর থেকেই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই ওয়ার্ডে বসে খাবার খাচ্ছিলাম। ফোজাইল তখন ওয়ার্ডেই ছিল। হঠাৎ করে দেখি, ওকে আর কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে খোঁজ করি, কিন্তু পাইনি।’
ঘটনার পর হাসপাতালের আনসার সদস্য ও পুলিশের সহায়তায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে একটি ফোনে জানানো হয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি শিশু পাওয়া গেছে। পরে সেখানে গিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি তাদের সন্তান নয়।
পরবর্তীতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির সহায়তায় যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে অপহৃত হওয়া দুই বছর বয়সী শিশু ফোজাইলকে একদিন পর যাত্রাবাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ির গোলাপবাগ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে র্যাব।
উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশিদুল আলম। তিনি জানান, মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশ জানায়, অপহরণের পর শিশুটির স্বজনদের কাছে ফোন করে সাড়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সেই ফোনের সূত্র ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
এর আগে ঈদের দিন দুপুর আনুমানিক সোয়া ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলার হৃদরোগ বিভাগ থেকে নিখোঁজ হয় ফোজাইল। রাত ৯টা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শিশুটির মা নুসরাত জাহান তাকিয়া জানান, তার বাবা হাফেজ নাসির উদ্দিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দুই দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের বাসা খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায়। ঈদের দিন তারা হাসপাতালে বাবাকে দেখতে গেলে দুপুরের দিকে ওয়ার্ডের ভেতর থেকেই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই ওয়ার্ডে বসে খাবার খাচ্ছিলাম। ফোজাইল তখন ওয়ার্ডেই ছিল। হঠাৎ করে দেখি, ওকে আর কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে খোঁজ করি, কিন্তু পাইনি।’
ঘটনার পর হাসপাতালের আনসার সদস্য ও পুলিশের সহায়তায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে একটি ফোনে জানানো হয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি শিশু পাওয়া গেছে। পরে সেখানে গিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি তাদের সন্তান নয়।
পরবর্তীতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির সহায়তায় যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢামেকে দুপুরে শিশু অপহরণ, রাতে উদ্ধার
সিটিজেন ডেস্ক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে অপহৃত হওয়া দুই বছর বয়সী শিশু ফোজাইলকে একদিন পর যাত্রাবাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ির গোলাপবাগ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে র্যাব।
উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশিদুল আলম। তিনি জানান, মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয় এবং এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশ জানায়, অপহরণের পর শিশুটির স্বজনদের কাছে ফোন করে সাড়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সেই ফোনের সূত্র ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
এর আগে ঈদের দিন দুপুর আনুমানিক সোয়া ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলার হৃদরোগ বিভাগ থেকে নিখোঁজ হয় ফোজাইল। রাত ৯টা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শিশুটির মা নুসরাত জাহান তাকিয়া জানান, তার বাবা হাফেজ নাসির উদ্দিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দুই দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের বাসা খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায়। ঈদের দিন তারা হাসপাতালে বাবাকে দেখতে গেলে দুপুরের দিকে ওয়ার্ডের ভেতর থেকেই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই ওয়ার্ডে বসে খাবার খাচ্ছিলাম। ফোজাইল তখন ওয়ার্ডেই ছিল। হঠাৎ করে দেখি, ওকে আর কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে খোঁজ করি, কিন্তু পাইনি।’
ঘটনার পর হাসপাতালের আনসার সদস্য ও পুলিশের সহায়তায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে একটি ফোনে জানানো হয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি শিশু পাওয়া গেছে। পরে সেখানে গিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি তাদের সন্তান নয়।
পরবর্তীতে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির সহায়তায় যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।




