ন্যাশনাল লাইফের ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের জালে মোরশেদ আলম

ন্যাশনাল লাইফের ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের জালে মোরশেদ আলম
সিটিজেন জার্নাল

ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের ঘটনায় তদন্তে করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জানা গেছে, ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের ৪৭ শতাংশ জমি ক্রয় করায় এম এ এইচ স্পিনিং মিলস লিমিটেডের
ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো.আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুদক। অনুন্ধানের জন্য তাকে আগামী ১৪ জুন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, মোরশেদ আলম ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে কোম্পানির প্রায় ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। দুদকের ব্যাংক শাখার উপপরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত হয়েছে সিটিজেন জার্নাল।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান থাকাকালীন মোরশেদ খান ক্ষমতার অপব্যাহার করে অবৈধ অর্থ অর্জন করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে কোম্পানির নামীয় সম্পত্তি বিক্রি করেছেন। ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগের নামে, রি-ইন্সুরেন্সের নামে এবং বিভিন্ন খাতে প্রতিষ্ঠানটির মোট ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।
এদিকে, মো. আবুল হোসেনকে তলবের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আবুল হোসেনকে ডাকা হয়েছে।
দুদকের অপর এক এজাহারে বলা হয়েছে, নিজের পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে কৌশলে অধিক মূল্যে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় প্রায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন মোরশেদ খান। গত বছরের ৩০ এপ্রিল মোরশেদ আলম, ছেলে সাইফুল আলম ও ভাই মো. জসিম উদ্দিন মিলে ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫৫ টাকার জমি জাল মূল্যায়ন প্রতিবেদনে মূল্য ৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা দেখিয়ে বিক্রি করেন। এর মাধ্যমে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করা হয়। যা আত্মসাতের অভিযোগে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক শেখ গোলাম মাওলা এ মামলাটি করেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইডিআরএকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১৬ সালে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার গণিপুর মৌজায় প্রায় ৯০ শতাংশ জমি ও একটি নির্মাণাধীন ১৫ তলা ভবনের চতুর্থ তলার একটি বাণিজ্যিক স্পেস ক্রয়ে দুর্নীতি হয়েছে।
মোরশেদ আলম বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং সাবেক আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। এ বছরের ৯ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার হয়। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে আছেন।

ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের ঘটনায় তদন্তে করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জানা গেছে, ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের ৪৭ শতাংশ জমি ক্রয় করায় এম এ এইচ স্পিনিং মিলস লিমিটেডের
ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো.আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুদক। অনুন্ধানের জন্য তাকে আগামী ১৪ জুন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, মোরশেদ আলম ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে কোম্পানির প্রায় ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। দুদকের ব্যাংক শাখার উপপরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত হয়েছে সিটিজেন জার্নাল।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান থাকাকালীন মোরশেদ খান ক্ষমতার অপব্যাহার করে অবৈধ অর্থ অর্জন করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে কোম্পানির নামীয় সম্পত্তি বিক্রি করেছেন। ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগের নামে, রি-ইন্সুরেন্সের নামে এবং বিভিন্ন খাতে প্রতিষ্ঠানটির মোট ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।
এদিকে, মো. আবুল হোসেনকে তলবের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আবুল হোসেনকে ডাকা হয়েছে।
দুদকের অপর এক এজাহারে বলা হয়েছে, নিজের পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে কৌশলে অধিক মূল্যে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় প্রায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন মোরশেদ খান। গত বছরের ৩০ এপ্রিল মোরশেদ আলম, ছেলে সাইফুল আলম ও ভাই মো. জসিম উদ্দিন মিলে ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫৫ টাকার জমি জাল মূল্যায়ন প্রতিবেদনে মূল্য ৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা দেখিয়ে বিক্রি করেন। এর মাধ্যমে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করা হয়। যা আত্মসাতের অভিযোগে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক শেখ গোলাম মাওলা এ মামলাটি করেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইডিআরএকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১৬ সালে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার গণিপুর মৌজায় প্রায় ৯০ শতাংশ জমি ও একটি নির্মাণাধীন ১৫ তলা ভবনের চতুর্থ তলার একটি বাণিজ্যিক স্পেস ক্রয়ে দুর্নীতি হয়েছে।
মোরশেদ আলম বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং সাবেক আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। এ বছরের ৯ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার হয়। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে আছেন।

ন্যাশনাল লাইফের ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, দুদকের জালে মোরশেদ আলম
সিটিজেন জার্নাল

ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান মোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের ঘটনায় তদন্তে করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জানা গেছে, ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্সের ৪৭ শতাংশ জমি ক্রয় করায় এম এ এইচ স্পিনিং মিলস লিমিটেডের
ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো.আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুদক। অনুন্ধানের জন্য তাকে আগামী ১৪ জুন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, মোরশেদ আলম ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে কোম্পানির প্রায় ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। দুদকের ব্যাংক শাখার উপপরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত হয়েছে সিটিজেন জার্নাল।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের চেয়ারম্যান থাকাকালীন মোরশেদ খান ক্ষমতার অপব্যাহার করে অবৈধ অর্থ অর্জন করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে কোম্পানির নামীয় সম্পত্তি বিক্রি করেছেন। ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগের নামে, রি-ইন্সুরেন্সের নামে এবং বিভিন্ন খাতে প্রতিষ্ঠানটির মোট ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।
এদিকে, মো. আবুল হোসেনকে তলবের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আবুল হোসেনকে ডাকা হয়েছে।
দুদকের অপর এক এজাহারে বলা হয়েছে, নিজের পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে কৌশলে অধিক মূল্যে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে প্রায় প্রায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন মোরশেদ খান। গত বছরের ৩০ এপ্রিল মোরশেদ আলম, ছেলে সাইফুল আলম ও ভাই মো. জসিম উদ্দিন মিলে ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫৫ টাকার জমি জাল মূল্যায়ন প্রতিবেদনে মূল্য ৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা দেখিয়ে বিক্রি করেন। এর মাধ্যমে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করা হয়। যা আত্মসাতের অভিযোগে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক শেখ গোলাম মাওলা এ মামলাটি করেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইডিআরএকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০১৬ সালে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার গণিপুর মৌজায় প্রায় ৯০ শতাংশ জমি ও একটি নির্মাণাধীন ১৫ তলা ভবনের চতুর্থ তলার একটি বাণিজ্যিক স্পেস ক্রয়ে দুর্নীতি হয়েছে।
মোরশেদ আলম বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং সাবেক আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। এ বছরের ৯ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার হয়। বর্তমানে তিনি জেল হাজতে আছেন।

দুদকের সদ্য সাবেক কমিশনারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা


