পৌনে ৪ লাখ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

পৌনে ৪ লাখ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অভিযানে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে এ সব জ্বালানি উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখিত সময়ে সারাদেশে ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুতকৃত এই জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত জ্বালানির মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। যার পরিমাণ ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৪ লিটার।
এ ছাড়া অভিযানে অকটেন ৩০ হাজার ৯৬০ লিটার ও পেট্রোল ৭০ হাজার ৫৪ লিটার উদ্ধার করা হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ জানায়, অবৈধ মজুত, পাচার ও সরবরাহে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা রোধে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

সারা দেশে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অভিযানে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে এ সব জ্বালানি উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখিত সময়ে সারাদেশে ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুতকৃত এই জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত জ্বালানির মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। যার পরিমাণ ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৪ লিটার।
এ ছাড়া অভিযানে অকটেন ৩০ হাজার ৯৬০ লিটার ও পেট্রোল ৭০ হাজার ৫৪ লিটার উদ্ধার করা হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ জানায়, অবৈধ মজুত, পাচার ও সরবরাহে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা রোধে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

পৌনে ৪ লাখ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অভিযানে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে এ সব জ্বালানি উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখিত সময়ে সারাদেশে ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুতকৃত এই জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত জ্বালানির মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। যার পরিমাণ ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৪ লিটার।
এ ছাড়া অভিযানে অকটেন ৩০ হাজার ৯৬০ লিটার ও পেট্রোল ৭০ হাজার ৫৪ লিটার উদ্ধার করা হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ জানায়, অবৈধ মজুত, পাচার ও সরবরাহে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা রোধে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।




