শাহজালালে আনসার সদস্যের সাহসিকতায় ছিনতাইকারী আটক

শাহজালালে আনসার সদস্যের সাহসিকতায় ছিনতাইকারী আটক
সিজেডএন ডেস্ক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনসার সদস্যের দ্রুত পদক্ষেপে এক ছিনতাইকারী আটক হয়েছে। একই সঙ্গে এক বিদেশগামী যাত্রীর ছিনতাই হওয়া স্মার্টফোন উদ্ধার করে তার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ড্রাইভওয়ের ৫ নম্বর গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিদেশগামী এক যাত্রীর পাঞ্জাবির পকেট থেকে কৌশলে একটি স্মার্টফোন নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এক ব্যক্তি। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই যাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছিনতাইকারীকে আটকানোর চেষ্টা করেন। তবে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় সে।
এ সময় ৫ নম্বর গেটে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্য এপিসি মো. নূর ইসলাম ঘটনাটি দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে আটক করতে সক্ষম হন।
আটক ব্যক্তির নাম হৃদয় (২৮) বলে জানা গেছে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় তাকে বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সোপর্দ করা হয়।
পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী যাত্রীকে তার ছিনতাই হওয়া স্মার্টফোনটি ফেরত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আটক হৃদয়কে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের উদাহরণ হিসেবে এ ঘটনাকে উল্লেখ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এপিসি মো. নূর ইসলামের দ্রুত ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে একজন যাত্রী তার মূল্যবান ফোন ফিরে পেয়েছেন এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি যাত্রীদের আস্থা আরও বাড়বে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনসার সদস্যের দ্রুত পদক্ষেপে এক ছিনতাইকারী আটক হয়েছে। একই সঙ্গে এক বিদেশগামী যাত্রীর ছিনতাই হওয়া স্মার্টফোন উদ্ধার করে তার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ড্রাইভওয়ের ৫ নম্বর গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিদেশগামী এক যাত্রীর পাঞ্জাবির পকেট থেকে কৌশলে একটি স্মার্টফোন নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এক ব্যক্তি। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই যাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছিনতাইকারীকে আটকানোর চেষ্টা করেন। তবে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় সে।
এ সময় ৫ নম্বর গেটে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্য এপিসি মো. নূর ইসলাম ঘটনাটি দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে আটক করতে সক্ষম হন।
আটক ব্যক্তির নাম হৃদয় (২৮) বলে জানা গেছে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় তাকে বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সোপর্দ করা হয়।
পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী যাত্রীকে তার ছিনতাই হওয়া স্মার্টফোনটি ফেরত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আটক হৃদয়কে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের উদাহরণ হিসেবে এ ঘটনাকে উল্লেখ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এপিসি মো. নূর ইসলামের দ্রুত ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে একজন যাত্রী তার মূল্যবান ফোন ফিরে পেয়েছেন এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি যাত্রীদের আস্থা আরও বাড়বে।

শাহজালালে আনসার সদস্যের সাহসিকতায় ছিনতাইকারী আটক
সিজেডএন ডেস্ক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনসার সদস্যের দ্রুত পদক্ষেপে এক ছিনতাইকারী আটক হয়েছে। একই সঙ্গে এক বিদেশগামী যাত্রীর ছিনতাই হওয়া স্মার্টফোন উদ্ধার করে তার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ ড্রাইভওয়ের ৫ নম্বর গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিদেশগামী এক যাত্রীর পাঞ্জাবির পকেট থেকে কৌশলে একটি স্মার্টফোন নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এক ব্যক্তি। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই যাত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছিনতাইকারীকে আটকানোর চেষ্টা করেন। তবে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় সে।
এ সময় ৫ নম্বর গেটে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্য এপিসি মো. নূর ইসলাম ঘটনাটি দেখতে পান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে আটক করতে সক্ষম হন।
আটক ব্যক্তির নাম হৃদয় (২৮) বলে জানা গেছে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় তাকে বিমানবন্দরের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সোপর্দ করা হয়।
পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী যাত্রীকে তার ছিনতাই হওয়া স্মার্টফোনটি ফেরত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আটক হৃদয়কে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যদের দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের উদাহরণ হিসেবে এ ঘটনাকে উল্লেখ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এপিসি মো. নূর ইসলামের দ্রুত ও সাহসী পদক্ষেপের কারণে একজন যাত্রী তার মূল্যবান ফোন ফিরে পেয়েছেন এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি যাত্রীদের আস্থা আরও বাড়বে।







