সাহাবুদ্দিনকে প্রেপ্তার ও বিচারের দাবি: সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ কি বাঁচাতে পারবে তাকে

সাহাবুদ্দিনকে প্রেপ্তার ও বিচারের দাবি: সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ কি বাঁচাতে পারবে তাকে
রুবেল আবিদ

মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে তার বিচার নিয়ে আলোচনা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইনকিলাব মঞ্চসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন সাহাবুদ্দিনকে প্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে। এ অবস্থায় সদ্য সাবেক হওয়া রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয় তুলে ধরে তার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সব আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনার কথা নাকচ করে দিয়েছেন।
মো. সাহাবুদ্দিনের কথা সংবিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় সাহাবুদ্দিন তার বিচার দাবি করা সবাইকে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ পড়ে দেখতে বলেছেন। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে তার গৃহীত কর্মকাণ্ডের সুরক্ষা দিয়ে থাকে।
২৪ জুলাই পদত্যাগের পর সাহাবুদ্দিনের গ্রেপ্তার ও বিচার নিয়ে দাবি ওঠায় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘কীসের বিচার করবে? কীসের জন্য? তারা সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ পড়ে দেখুক।’
কী আছে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে? সংবিধানের এই অনুচ্ছেদটি রাষ্ট্রপতিকে দুই ধরনের সুরক্ষা দেয়। ৫১ অনুচ্ছেদে দুটি ধারা আছে। এর মধ্যে ৫১(১) ধারায় লেখা আছে, ‘রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ন করিবে না।’
৫১ (২) ধারা অনুযায়ী, ‘রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কোনো প্রকার ফৌজদারি কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেপ্তার বা কারাবাসের জন্য কোনো আদালত হইতে পরোয়ানা জারি করা যাইবে না।’
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সাবেক হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রপতিকে কী এই অনুচ্ছেদ সুরক্ষা দিতে পারে? আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ৫১(১) অনুচ্ছেদের সাংবিধানিক সুরক্ষা শুধু রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকার সময়ের জন্য নয়। রাষ্ট্রপতির সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে নেওয়া পদক্ষেপের ক্ষেত্রে তিনি পদত্যাগ বা দায়িত্ব ছাড়ার পরও এই সুরক্ষা বহাল থাকে।
তবে ৫১(২) অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতিকে শুধু দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থায়ই সুরক্ষা দেয়। সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়ে দেওয়ায় এই সুরক্ষা আর তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সব মিলিয়ে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫১ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতির সব ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য পূর্ণ দায়মুক্তি দেয় না।
এ বিষয়ে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর কথা বলেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল হকের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কহীন কার্যকলাপ, দুর্নীতিসংক্রান্ত অপরাধ, ফৌজদারি অপরাধ কিংবা রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে করা অপরাধ এই সুরক্ষার আওতায় পড়ে না। তাই মো. সাহাবুদ্দিন যদি রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় বা সেই সময়ের আগে বা পরে কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে থাকেন, তাহলে সেটার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা যেতেই পারে এং বিচারও করা যেতে পারে।’
যেটার অর্থ দাঁড়ায়, রাষ্ট্রপতির সরকারি দায়িত্বের বাইরে সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য সাবেক কোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে তার বিচার নিয়ে আলোচনা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইনকিলাব মঞ্চসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন সাহাবুদ্দিনকে প্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে। এ অবস্থায় সদ্য সাবেক হওয়া রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয় তুলে ধরে তার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সব আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনার কথা নাকচ করে দিয়েছেন।
মো. সাহাবুদ্দিনের কথা সংবিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় সাহাবুদ্দিন তার বিচার দাবি করা সবাইকে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ পড়ে দেখতে বলেছেন। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে তার গৃহীত কর্মকাণ্ডের সুরক্ষা দিয়ে থাকে।
২৪ জুলাই পদত্যাগের পর সাহাবুদ্দিনের গ্রেপ্তার ও বিচার নিয়ে দাবি ওঠায় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘কীসের বিচার করবে? কীসের জন্য? তারা সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ পড়ে দেখুক।’
কী আছে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে? সংবিধানের এই অনুচ্ছেদটি রাষ্ট্রপতিকে দুই ধরনের সুরক্ষা দেয়। ৫১ অনুচ্ছেদে দুটি ধারা আছে। এর মধ্যে ৫১(১) ধারায় লেখা আছে, ‘রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ন করিবে না।’
৫১ (২) ধারা অনুযায়ী, ‘রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কোনো প্রকার ফৌজদারি কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেপ্তার বা কারাবাসের জন্য কোনো আদালত হইতে পরোয়ানা জারি করা যাইবে না।’
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সাবেক হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রপতিকে কী এই অনুচ্ছেদ সুরক্ষা দিতে পারে? আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ৫১(১) অনুচ্ছেদের সাংবিধানিক সুরক্ষা শুধু রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকার সময়ের জন্য নয়। রাষ্ট্রপতির সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে নেওয়া পদক্ষেপের ক্ষেত্রে তিনি পদত্যাগ বা দায়িত্ব ছাড়ার পরও এই সুরক্ষা বহাল থাকে।
তবে ৫১(২) অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতিকে শুধু দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থায়ই সুরক্ষা দেয়। সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়ে দেওয়ায় এই সুরক্ষা আর তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সব মিলিয়ে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫১ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতির সব ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য পূর্ণ দায়মুক্তি দেয় না।
এ বিষয়ে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর কথা বলেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল হকের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কহীন কার্যকলাপ, দুর্নীতিসংক্রান্ত অপরাধ, ফৌজদারি অপরাধ কিংবা রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে করা অপরাধ এই সুরক্ষার আওতায় পড়ে না। তাই মো. সাহাবুদ্দিন যদি রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় বা সেই সময়ের আগে বা পরে কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে থাকেন, তাহলে সেটার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা যেতেই পারে এং বিচারও করা যেতে পারে।’
যেটার অর্থ দাঁড়ায়, রাষ্ট্রপতির সরকারি দায়িত্বের বাইরে সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য সাবেক কোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

সাহাবুদ্দিনকে প্রেপ্তার ও বিচারের দাবি: সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ কি বাঁচাতে পারবে তাকে
রুবেল আবিদ

মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে তার বিচার নিয়ে আলোচনা। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইনকিলাব মঞ্চসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন সাহাবুদ্দিনকে প্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে। এ অবস্থায় সদ্য সাবেক হওয়া রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক সুরক্ষার বিষয় তুলে ধরে তার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সব আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনার কথা নাকচ করে দিয়েছেন।
মো. সাহাবুদ্দিনের কথা সংবিধান অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় সাহাবুদ্দিন তার বিচার দাবি করা সবাইকে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ পড়ে দেখতে বলেছেন। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে তার গৃহীত কর্মকাণ্ডের সুরক্ষা দিয়ে থাকে।
২৪ জুলাই পদত্যাগের পর সাহাবুদ্দিনের গ্রেপ্তার ও বিচার নিয়ে দাবি ওঠায় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘কীসের বিচার করবে? কীসের জন্য? তারা সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ পড়ে দেখুক।’
কী আছে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে? সংবিধানের এই অনুচ্ছেদটি রাষ্ট্রপতিকে দুই ধরনের সুরক্ষা দেয়। ৫১ অনুচ্ছেদে দুটি ধারা আছে। এর মধ্যে ৫১(১) ধারায় লেখা আছে, ‘রাষ্ট্রপতি তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে গিয়া কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করিয়া থাকিলে বা না করিয়া থাকিলে সেইজন্য তাঁহাকে কোন আদালতে জবাবদিহি করিতে হইবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ন করিবে না।’
৫১ (২) ধারা অনুযায়ী, ‘রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে কোনো প্রকার ফৌজদারি কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেপ্তার বা কারাবাসের জন্য কোনো আদালত হইতে পরোয়ানা জারি করা যাইবে না।’
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সাবেক হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রপতিকে কী এই অনুচ্ছেদ সুরক্ষা দিতে পারে? আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ৫১(১) অনুচ্ছেদের সাংবিধানিক সুরক্ষা শুধু রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকার সময়ের জন্য নয়। রাষ্ট্রপতির সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে নেওয়া পদক্ষেপের ক্ষেত্রে তিনি পদত্যাগ বা দায়িত্ব ছাড়ার পরও এই সুরক্ষা বহাল থাকে।
তবে ৫১(২) অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতিকে শুধু দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থায়ই সুরক্ষা দেয়। সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ ছেড়ে দেওয়ায় এই সুরক্ষা আর তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সব মিলিয়ে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫১ অনুচ্ছেদ রাষ্ট্রপতির সব ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য পূর্ণ দায়মুক্তি দেয় না।
এ বিষয়ে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর কথা বলেছে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল হকের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কহীন কার্যকলাপ, দুর্নীতিসংক্রান্ত অপরাধ, ফৌজদারি অপরাধ কিংবা রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে করা অপরাধ এই সুরক্ষার আওতায় পড়ে না। তাই মো. সাহাবুদ্দিন যদি রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় বা সেই সময়ের আগে বা পরে কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে থাকেন, তাহলে সেটার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা যেতেই পারে এং বিচারও করা যেতে পারে।’
যেটার অর্থ দাঁড়ায়, রাষ্ট্রপতির সরকারি দায়িত্বের বাইরে সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য সাবেক কোনো রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি ইনকিলাব মঞ্চের
মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবন ছাড়বেন কবে





