শিরোনাম

মিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যা: অস্ত্রসহ আটক চঞ্চল রিমান্ডে

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
মিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যা: অস্ত্রসহ আটক চঞ্চল রিমান্ডে
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর মিরপুরে যুবদল কর্মী ইউসুফ আলী (৪০) হত্যার ঘটনায় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার চঞ্চল মোল্যার (৩৪) তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (২৫ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়াজেদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার মিরপুর-১৩ এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইউসুফ আলী নিহত হন। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় চঞ্চল মোল্যাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও চারটি গুলি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় কাফরুল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শ্যামল কুমার হালদার বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেন। পাশাপাশি নিহত ইউসুফ আলীর বড় ভাই মাসুদ রানা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দুই মামলায় চঞ্চলসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন জিহাদ মোল্লা (৩৪), জিয়ারুল মোল্লা (৩৯) ও হাসান (৩৫)। তাদের মধ্যে চঞ্চল ছাড়া বাকি তিনজন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

শনিবার অস্ত্র মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল থানার এসআই ইউসুফ আলী ভূঁইয়া চঞ্চলকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার মূল কারণ, ব্যবহৃত অস্ত্রের উৎস এবং পলাতক আসামিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ কারণে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

তবে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২৪ জুলাই রাত ১১টা ১২ মিনিটের দিকে কাফরুল থানার মিরপুর-১৩ নম্বর ব্লক-সি এলাকার ওপেক্স গার্মেন্টসের দক্ষিণ পাশের লিংক রোডে গুলির ঘটনা ঘটে।

এজাহারে বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইউসুফ আলীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। একটি গুলি তার বুকের ডান পাশে লাগে এবং পিঠ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এ সময় ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার (৪৫) ও পথচারী মনির হোসেন (৩২) আহত হন।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে ইউসুফ আলীর মৃত্যু হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১৩ এলাকার একটি দোকানের সামনে থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় চঞ্চল মোল্যাকে আটক করা হয়। এ সময় গণপিটুনিতে আহত হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তার কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং অস্ত্রের উৎস জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

/এমআর/