যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরোধিতা সত্ত্বেও আবারও মানবাধিকার প্রধান তুর্ক

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরোধিতা সত্ত্বেও আবারও মানবাধিকার প্রধান তুর্ক
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েলের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশার হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন ভলকার তুর্ক। এর ফলে আরও চার বছর এই দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত ভোটের মাধ্যমে এই পদে পুনরায় বিজয়ী হন তুর্ক। এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের পদ সৃষ্টির পর প্রথম ব্যক্তি হিসেবে টানা দুই পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পেয়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। ২০২২ সাল থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তুর্ককে আরও চার বছরের মেয়াদ দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এর পক্ষে ভোট দেয় ১৪৪টি দেশ। আর বিপক্ষে ভোট দেয় মাত্র ১০টি দেশ, যার মধ্যে অন্যতম হলো- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েল। অন্যদিকে ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।
এর আগে, আগামী সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটি স্থগিত রাখার মার্কিন প্রস্তাব এবং তুর্কের মেয়াদ কেবল চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য রাশিয়ার একটি প্রচেষ্টা সাধারণ পরিষদে খারিজ হয়ে যায়।
কেন বিপক্ষে ভোট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েল
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো প্রকাশ্য আনায় জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের পদটি সহজাতভাবেই বিতর্কিত।
যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েলে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে তুর্কের প্রকাশ্য ও জোরালো সমালোচনা তাকে এই তিন দেশের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তুর্ক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বারবার গাজায় গণহত্যা, লেবাননে প্রাণঘাতী হামলা ও অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সমালোচনা করে আসছেন। অন্যদিকে তিনি ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধকে অর্থহীন এবং জাতিসংঘ সনদ ও সব আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের রোষাণলে পড়ার কারণ ইরান যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে অভিবাসীদের বিমানে শিকল পরিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তুর্কের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, তার নেতৃত্বে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় ৭ অক্টোবরের নৃশংসতাকে আড়াল করেছে। এছাড়াও তহবিলের অপব্যবহার এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক চরমপন্থার পক্ষে জাতিসংঘের নিরপেক্ষতাকে বিসর্জন দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে।
অস্ট্রিয়ার আইনজীবী ফলকার তুর্ক ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘে যোগ দেন। পরবর্তীতে সংস্থাটির শরণার্থী বিষয়ক সংস্থায় (ইউএনএইচসিআর) কাজ শুরু করেন। তিনি মালয়েশিয়া, কসোভো, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পরবর্তীতে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ পদে কাজ করেন। যার মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের অধীনে স্ট্র্যাটেজিক কো-অর্ডিনেশন বিষয়ক সহকারী মহাসচিব পদটি অন্যতম। গুতেরেসের সঙ্গে তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তুর্ক গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান এবং যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র সমালোচনা করেছেন। পাশাপাশি আফগানিস্তান, সুদান, বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং নিকারাগুয়ায় সংঘটিত সংঘাত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়েও তিনি সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েলের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশার হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন ভলকার তুর্ক। এর ফলে আরও চার বছর এই দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত ভোটের মাধ্যমে এই পদে পুনরায় বিজয়ী হন তুর্ক। এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের পদ সৃষ্টির পর প্রথম ব্যক্তি হিসেবে টানা দুই পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পেয়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। ২০২২ সাল থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তুর্ককে আরও চার বছরের মেয়াদ দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এর পক্ষে ভোট দেয় ১৪৪টি দেশ। আর বিপক্ষে ভোট দেয় মাত্র ১০টি দেশ, যার মধ্যে অন্যতম হলো- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েল। অন্যদিকে ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।
এর আগে, আগামী সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটি স্থগিত রাখার মার্কিন প্রস্তাব এবং তুর্কের মেয়াদ কেবল চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য রাশিয়ার একটি প্রচেষ্টা সাধারণ পরিষদে খারিজ হয়ে যায়।
কেন বিপক্ষে ভোট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েল
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো প্রকাশ্য আনায় জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের পদটি সহজাতভাবেই বিতর্কিত।
যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েলে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে তুর্কের প্রকাশ্য ও জোরালো সমালোচনা তাকে এই তিন দেশের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তুর্ক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বারবার গাজায় গণহত্যা, লেবাননে প্রাণঘাতী হামলা ও অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সমালোচনা করে আসছেন। অন্যদিকে তিনি ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধকে অর্থহীন এবং জাতিসংঘ সনদ ও সব আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের রোষাণলে পড়ার কারণ ইরান যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে অভিবাসীদের বিমানে শিকল পরিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তুর্কের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, তার নেতৃত্বে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় ৭ অক্টোবরের নৃশংসতাকে আড়াল করেছে। এছাড়াও তহবিলের অপব্যবহার এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক চরমপন্থার পক্ষে জাতিসংঘের নিরপেক্ষতাকে বিসর্জন দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে।
অস্ট্রিয়ার আইনজীবী ফলকার তুর্ক ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘে যোগ দেন। পরবর্তীতে সংস্থাটির শরণার্থী বিষয়ক সংস্থায় (ইউএনএইচসিআর) কাজ শুরু করেন। তিনি মালয়েশিয়া, কসোভো, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পরবর্তীতে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ পদে কাজ করেন। যার মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের অধীনে স্ট্র্যাটেজিক কো-অর্ডিনেশন বিষয়ক সহকারী মহাসচিব পদটি অন্যতম। গুতেরেসের সঙ্গে তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তুর্ক গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান এবং যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র সমালোচনা করেছেন। পাশাপাশি আফগানিস্তান, সুদান, বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং নিকারাগুয়ায় সংঘটিত সংঘাত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়েও তিনি সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরোধিতা সত্ত্বেও আবারও মানবাধিকার প্রধান তুর্ক
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েলের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশার হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন ভলকার তুর্ক। এর ফলে আরও চার বছর এই দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত ভোটের মাধ্যমে এই পদে পুনরায় বিজয়ী হন তুর্ক। এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের পদ সৃষ্টির পর প্রথম ব্যক্তি হিসেবে টানা দুই পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পেয়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। ২০২২ সাল থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তুর্ককে আরও চার বছরের মেয়াদ দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এর পক্ষে ভোট দেয় ১৪৪টি দেশ। আর বিপক্ষে ভোট দেয় মাত্র ১০টি দেশ, যার মধ্যে অন্যতম হলো- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েল। অন্যদিকে ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।
এর আগে, আগামী সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটি স্থগিত রাখার মার্কিন প্রস্তাব এবং তুর্কের মেয়াদ কেবল চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য রাশিয়ার একটি প্রচেষ্টা সাধারণ পরিষদে খারিজ হয়ে যায়।
কেন বিপক্ষে ভোট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েল
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো প্রকাশ্য আনায় জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের পদটি সহজাতভাবেই বিতর্কিত।
যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইসরায়েলে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে তুর্কের প্রকাশ্য ও জোরালো সমালোচনা তাকে এই তিন দেশের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তুর্ক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বারবার গাজায় গণহত্যা, লেবাননে প্রাণঘাতী হামলা ও অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সমালোচনা করে আসছেন। অন্যদিকে তিনি ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধকে অর্থহীন এবং জাতিসংঘ সনদ ও সব আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের রোষাণলে পড়ার কারণ ইরান যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে অভিবাসীদের বিমানে শিকল পরিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তুর্কের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, তার নেতৃত্বে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় ৭ অক্টোবরের নৃশংসতাকে আড়াল করেছে। এছাড়াও তহবিলের অপব্যবহার এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক চরমপন্থার পক্ষে জাতিসংঘের নিরপেক্ষতাকে বিসর্জন দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে।
অস্ট্রিয়ার আইনজীবী ফলকার তুর্ক ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘে যোগ দেন। পরবর্তীতে সংস্থাটির শরণার্থী বিষয়ক সংস্থায় (ইউএনএইচসিআর) কাজ শুরু করেন। তিনি মালয়েশিয়া, কসোভো, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পরবর্তীতে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ পদে কাজ করেন। যার মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের অধীনে স্ট্র্যাটেজিক কো-অর্ডিনেশন বিষয়ক সহকারী মহাসচিব পদটি অন্যতম। গুতেরেসের সঙ্গে তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তুর্ক গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান এবং যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র সমালোচনা করেছেন। পাশাপাশি আফগানিস্তান, সুদান, বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং নিকারাগুয়ায় সংঘটিত সংঘাত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়েও তিনি সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজা ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন যুক্তরাজ্যের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী






