জাতীয় বৃক্ষমেলা কত দিন পর্যন্ত চলবে

জাতীয় বৃক্ষমেলা কত দিন পর্যন্ত চলবে
সিজেডএন ডেস্ক

বর্ষার এই সময়ে নতুন গাছের চারা রোপণের জন্য প্রয়োজন মানসম্মত চারা। আর সেই চাহিদা পূরণে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় বৃক্ষমেলা হয়ে উঠেছে সবুজপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। প্রতি বছরের মতো এবারও পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বসেছে এই মেলা। এখানে পাওয়া যাচ্ছে দেশি-বিদেশি নানা জাতের ফলদ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা।
আকাশে মেঘ আর টানা বৃষ্টির এই মৌসুম গাছ লাগানোর জন্য সবচেয়ে উপযোগী সময়। তাই চারা সংগ্রহ করতে প্রতিদিনই মেলায় ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থী।
এবারের জাতীয় বৃক্ষমেলায় রয়েছে ১২০টি স্টল। মেলার প্রধান প্রবেশপথটি মাঠের মাঝামাঝি অংশে থাকলেও সরাসরি মূল সড়কের সঙ্গে সংযোগ না থাকায় দর্শনার্থীদের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশ দিয়ে অথবা মেলার শেষ প্রান্ত ঘুরে প্রবেশ করতে হচ্ছে।
মেলায় ঢুকলেই চোখে পড়ে নানা রঙের ফল ও গাছের সমাহার। বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে বিভিন্ন বিদেশি জাতের আম। এর মধ্যে রয়েছে লাল ও গোলাপি রঙের চিয়াংমাই, কিং আব চাকাপাত, জাপানের মিয়াজাকি, আমেরিকান রেড পালমারসহ বেশ কিছু দুর্লভ জাত। রঙের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি বড় আকৃতির ব্রুনাই কিং আমও নজর কাড়ছে। একেকটি আমের ওজন প্রায় পাঁচ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
আম ছাড়াও মেলায় রয়েছে জাতীয় ফল কাঁঠালের বিভিন্ন জাত। দেখা মিলছে আঠাবিহীন বারোমাসি ভিয়েতনামের কাঁঠাল, রামবুটান, লটকন, ডালিম, জাম, অ্যাভোকাডো, মিসরীয় ডুমুর, কামরাঙা, সফেদা, ডেউয়া, বিলাতি গাব, আতা, শরিফা, লেবু, বাতাবিলেবু ও আমলকীসহ নানা ফলদ গাছের।
ফুলপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে মেলায় বিশেষ আয়োজন। গোলাপ, জবা, জারবেরা, অলকানন্দা, কাঠগোলাপ, বাগানবিলাসের পাশাপাশি রয়েছে পদ্ম ও শাপলার মতো জলজ ফুল। এ ছাড়া পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রঙের অর্কিড, কাঁটাযুক্ত ক্যাকটাস ও সৌন্দর্যবর্ধক নানা প্রজাতির গাছ।
গাছের চারা ছাড়াও মেলায় পাওয়া যাচ্ছে বাগান তৈরির প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ। রয়েছে সারমাটি, কোকো পিট, পার্লাইট, ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচো সার। টবে গাছ লাগানোর জন্য পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন নকশার সিরামিক, প্লাস্টিক ও মাটির টব। পাশাপাশি কাস্তে, নিড়ানি, শাবল, গ্লাভস, পানি দেওয়ার ঝাঁঝরি ও বাগান পরিচর্যার অন্যান্য সামগ্রীও রয়েছে।
দর্শনার্থীদের জন্য মেলায় বিনামূল্যে বাগান ও গাছ পরিচর্যা বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি একই স্থানে চলছে পরিবেশ মেলা। ৬০টি স্টল নিয়ে আয়োজিত এ মেলায় পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে। রয়েছে কৃষিবিষয়ক পরামর্শ কেন্দ্র। প্রতিদিন বিকেলে আয়োজন করা হচ্ছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
গত ৯ জুলাই শুরু হওয়া জাতীয় বৃক্ষমেলা চলবে আগামী ৯ আগস্ট পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে মেলা প্রাঙ্গণ। মেলায় প্রবেশের জন্য কোনো টিকিটের প্রয়োজন নেই।

বর্ষার এই সময়ে নতুন গাছের চারা রোপণের জন্য প্রয়োজন মানসম্মত চারা। আর সেই চাহিদা পূরণে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় বৃক্ষমেলা হয়ে উঠেছে সবুজপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। প্রতি বছরের মতো এবারও পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বসেছে এই মেলা। এখানে পাওয়া যাচ্ছে দেশি-বিদেশি নানা জাতের ফলদ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা।
আকাশে মেঘ আর টানা বৃষ্টির এই মৌসুম গাছ লাগানোর জন্য সবচেয়ে উপযোগী সময়। তাই চারা সংগ্রহ করতে প্রতিদিনই মেলায় ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থী।
এবারের জাতীয় বৃক্ষমেলায় রয়েছে ১২০টি স্টল। মেলার প্রধান প্রবেশপথটি মাঠের মাঝামাঝি অংশে থাকলেও সরাসরি মূল সড়কের সঙ্গে সংযোগ না থাকায় দর্শনার্থীদের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশ দিয়ে অথবা মেলার শেষ প্রান্ত ঘুরে প্রবেশ করতে হচ্ছে।
মেলায় ঢুকলেই চোখে পড়ে নানা রঙের ফল ও গাছের সমাহার। বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে বিভিন্ন বিদেশি জাতের আম। এর মধ্যে রয়েছে লাল ও গোলাপি রঙের চিয়াংমাই, কিং আব চাকাপাত, জাপানের মিয়াজাকি, আমেরিকান রেড পালমারসহ বেশ কিছু দুর্লভ জাত। রঙের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি বড় আকৃতির ব্রুনাই কিং আমও নজর কাড়ছে। একেকটি আমের ওজন প্রায় পাঁচ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
আম ছাড়াও মেলায় রয়েছে জাতীয় ফল কাঁঠালের বিভিন্ন জাত। দেখা মিলছে আঠাবিহীন বারোমাসি ভিয়েতনামের কাঁঠাল, রামবুটান, লটকন, ডালিম, জাম, অ্যাভোকাডো, মিসরীয় ডুমুর, কামরাঙা, সফেদা, ডেউয়া, বিলাতি গাব, আতা, শরিফা, লেবু, বাতাবিলেবু ও আমলকীসহ নানা ফলদ গাছের।
ফুলপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে মেলায় বিশেষ আয়োজন। গোলাপ, জবা, জারবেরা, অলকানন্দা, কাঠগোলাপ, বাগানবিলাসের পাশাপাশি রয়েছে পদ্ম ও শাপলার মতো জলজ ফুল। এ ছাড়া পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রঙের অর্কিড, কাঁটাযুক্ত ক্যাকটাস ও সৌন্দর্যবর্ধক নানা প্রজাতির গাছ।
গাছের চারা ছাড়াও মেলায় পাওয়া যাচ্ছে বাগান তৈরির প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ। রয়েছে সারমাটি, কোকো পিট, পার্লাইট, ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচো সার। টবে গাছ লাগানোর জন্য পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন নকশার সিরামিক, প্লাস্টিক ও মাটির টব। পাশাপাশি কাস্তে, নিড়ানি, শাবল, গ্লাভস, পানি দেওয়ার ঝাঁঝরি ও বাগান পরিচর্যার অন্যান্য সামগ্রীও রয়েছে।
দর্শনার্থীদের জন্য মেলায় বিনামূল্যে বাগান ও গাছ পরিচর্যা বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি একই স্থানে চলছে পরিবেশ মেলা। ৬০টি স্টল নিয়ে আয়োজিত এ মেলায় পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে। রয়েছে কৃষিবিষয়ক পরামর্শ কেন্দ্র। প্রতিদিন বিকেলে আয়োজন করা হচ্ছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
গত ৯ জুলাই শুরু হওয়া জাতীয় বৃক্ষমেলা চলবে আগামী ৯ আগস্ট পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে মেলা প্রাঙ্গণ। মেলায় প্রবেশের জন্য কোনো টিকিটের প্রয়োজন নেই।

জাতীয় বৃক্ষমেলা কত দিন পর্যন্ত চলবে
সিজেডএন ডেস্ক

বর্ষার এই সময়ে নতুন গাছের চারা রোপণের জন্য প্রয়োজন মানসম্মত চারা। আর সেই চাহিদা পূরণে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় বৃক্ষমেলা হয়ে উঠেছে সবুজপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। প্রতি বছরের মতো এবারও পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বসেছে এই মেলা। এখানে পাওয়া যাচ্ছে দেশি-বিদেশি নানা জাতের ফলদ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা।
আকাশে মেঘ আর টানা বৃষ্টির এই মৌসুম গাছ লাগানোর জন্য সবচেয়ে উপযোগী সময়। তাই চারা সংগ্রহ করতে প্রতিদিনই মেলায় ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থী।
এবারের জাতীয় বৃক্ষমেলায় রয়েছে ১২০টি স্টল। মেলার প্রধান প্রবেশপথটি মাঠের মাঝামাঝি অংশে থাকলেও সরাসরি মূল সড়কের সঙ্গে সংযোগ না থাকায় দর্শনার্থীদের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশ দিয়ে অথবা মেলার শেষ প্রান্ত ঘুরে প্রবেশ করতে হচ্ছে।
মেলায় ঢুকলেই চোখে পড়ে নানা রঙের ফল ও গাছের সমাহার। বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে বিভিন্ন বিদেশি জাতের আম। এর মধ্যে রয়েছে লাল ও গোলাপি রঙের চিয়াংমাই, কিং আব চাকাপাত, জাপানের মিয়াজাকি, আমেরিকান রেড পালমারসহ বেশ কিছু দুর্লভ জাত। রঙের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি বড় আকৃতির ব্রুনাই কিং আমও নজর কাড়ছে। একেকটি আমের ওজন প্রায় পাঁচ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
আম ছাড়াও মেলায় রয়েছে জাতীয় ফল কাঁঠালের বিভিন্ন জাত। দেখা মিলছে আঠাবিহীন বারোমাসি ভিয়েতনামের কাঁঠাল, রামবুটান, লটকন, ডালিম, জাম, অ্যাভোকাডো, মিসরীয় ডুমুর, কামরাঙা, সফেদা, ডেউয়া, বিলাতি গাব, আতা, শরিফা, লেবু, বাতাবিলেবু ও আমলকীসহ নানা ফলদ গাছের।
ফুলপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে মেলায় বিশেষ আয়োজন। গোলাপ, জবা, জারবেরা, অলকানন্দা, কাঠগোলাপ, বাগানবিলাসের পাশাপাশি রয়েছে পদ্ম ও শাপলার মতো জলজ ফুল। এ ছাড়া পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রঙের অর্কিড, কাঁটাযুক্ত ক্যাকটাস ও সৌন্দর্যবর্ধক নানা প্রজাতির গাছ।
গাছের চারা ছাড়াও মেলায় পাওয়া যাচ্ছে বাগান তৈরির প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ। রয়েছে সারমাটি, কোকো পিট, পার্লাইট, ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচো সার। টবে গাছ লাগানোর জন্য পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন নকশার সিরামিক, প্লাস্টিক ও মাটির টব। পাশাপাশি কাস্তে, নিড়ানি, শাবল, গ্লাভস, পানি দেওয়ার ঝাঁঝরি ও বাগান পরিচর্যার অন্যান্য সামগ্রীও রয়েছে।
দর্শনার্থীদের জন্য মেলায় বিনামূল্যে বাগান ও গাছ পরিচর্যা বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
জাতীয় বৃক্ষমেলার পাশাপাশি একই স্থানে চলছে পরিবেশ মেলা। ৬০টি স্টল নিয়ে আয়োজিত এ মেলায় পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে। রয়েছে কৃষিবিষয়ক পরামর্শ কেন্দ্র। প্রতিদিন বিকেলে আয়োজন করা হচ্ছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
গত ৯ জুলাই শুরু হওয়া জাতীয় বৃক্ষমেলা চলবে আগামী ৯ আগস্ট পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে মেলা প্রাঙ্গণ। মেলায় প্রবেশের জন্য কোনো টিকিটের প্রয়োজন নেই।









