শিরোনাম

গ্র্যাজুয়েটদের দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে: ফয়জুল করীম

কুবি সংবাদদাতা
কুবি সংবাদদাতা
গ্র্যাজুয়েটদের দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে: ফয়জুল করীম
দোয়া মহফিলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

ইসলামকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘গ্র্যাজুয়েটদের দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ একাধিকবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ইসলামবিহীন গ্র্যাজুয়েট হওয়ার কারণেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের সেঞ্চুরি হয়েছে।’

শনিবার (২৫ জুলাই) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) জুলাই শহীদদের স্মরণে এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত এক দোয়া মহফিল ও ইসলাহী ইজতেমায় যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন ফয়জুল করীম। কুবি শাখা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ দোয়া মহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ফয়জুল করীম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবনে বৈরী পরিবেশে ঈমান নিয়ে মহান আল্লাহ তাআলার ইবাদত করার পুরস্কার অন্য পরিবেশে আমল করার তুলনায় বেশি হবে। তাই তোমরা ইসলামকে ধারণ করে গ্র্যাজুয়েট হও। ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের মতো মানুষ হও। তাহলে দুনিয়া ও আখিরাতে মহান আল্লাহ তোমাদের পুরস্কৃত করবেন।’

অনুষ্ঠানে তিনি আলোচনায় ঈমান ও আমলের ফজিলত, শরিয়তের বিভিন্ন বিষয় এবং ইসলামী জীবনব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি ইসলামের মৌলিক বিধান পালন এবং কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানান।

আলোচনা শেষে জুলাই শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। পরে বিজয়-২৪ হলের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’-এর উদ্বোধন করেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি না থাকলেও ফয়জুল করীম কুবি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। তবে তার সঙ্গে আগত নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে আসরের নামাজ আদায় করেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনুমতি দিতেও পারে, নাও দিতে পারে এটি তাদের এখতিয়ার। এর সঙ্গে অন্য কোনো বিষয়ের সম্পর্ক আছে বলে আমি মনে করি না। আমি আসলে কারও বিরুদ্ধে কথা বলিনি। আমি শুধু এমন কিছু ফরজ বিষয় নিয়ে কথা বলেছি, যেগুলো মানুষ অবহেলা করে। আমাদের স্থায়ী কোনো শত্রু বা স্থায়ী কোনো বন্ধু নেই। একজন মুমিনেরও স্থায়ী শত্রু বা বন্ধু থাকা উচিত নয়। আজ যদি কোনো অন্যায়কারী তওবা করে, তবে সে আমার বন্ধু। আবার কেউ যদি খারাপ কাজে লিপ্ত হয়, তবে সে আমার শত্রু।’

/এফআর/