স্ত্রীসহ তাপসের ব্যাংক কার্ড জব্দের নির্দেশ

স্ত্রীসহ তাপসের ব্যাংক কার্ড জব্দের নির্দেশ
বিশেষ প্রতিনিধি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এবং তার স্ত্রী আফরিন তাপসের নামে মধুমতি ব্যাংক পিএলসিতে থাকা ৬টি ক্রেডিট কার্ডের ডেবিট কার্যক্রম (টাকা উত্তোলন ও লেনদেন) বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো.সাব্বির ফয়েজ।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান পৃথক দুটি আবেদন করেন।
এসব আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি তাপস ও তার স্ত্রী আফরিন ক্রেডিট কার্ডগুলোর মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করছেন। মামলা নিষ্পত্তির আগে এসব ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করলে তদন্ত কার্যক্রম বিঘ্নিত হবে। এজন্য কার্ডগুলোর ডেবিট কার্যক্রম ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্য ও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ফজলে নূর তাপস ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৭৩ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অর্জন করেন। তার নামে থাকা ২৭টি ব্যাংক হিসাবে ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ টাকা ও ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ মার্কিন ডলারের ‘সন্দেহজনক লেনদেনে’ তথ্য পেয়ে মামলা করে দুদক। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
দুদক আবেদনে বলা হয়েছে, তদন্ত চলাকালে শেখ ফজলে নূর তাপস ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যেন টাকা তুলতে না পারেন, সেজন্য এসব ক্রেডিট কার্ডের ডেবিট কার্যক্রম ‘ব্লক’ করা প্রয়োজন।
শেখ ফজলে নূর তাপসের স্ত্রী আফরিনের ক্ষেত্রে আবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এবং তার স্বামী পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৪০ লাখ ৮৯ হাজার ৯৮ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। তাদের ৯টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৭০ কোটি ৮৯ লাখ ৯৩ হাজার ৬৬৯ টাকা ও ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৩ মার্কিন ডলার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়ে মামলা করেছে দুদক ।
আদালতের নির্দেশে মধুমতি ব্যাংক পিএলসির ৬টি কার্ডের লেনদেন স্থগিত করতে বলা হয়েছে।
দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে জানান, মামলার তদন্ত চলাকালীন সময়ে আসামি আফরিন তাপস এই কার্ডগুলোর মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। যদি এই অর্থ উত্তোলন করা হয়, তবে মামলার তদন্ত কার্যক্রম বিঘ্নিত হতে পারে এবং অবৈধ অর্থ পাচারের সম্ভাবনা আরোও প্রবল হয়।
উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা ২০০৭ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক কার্ডগুলোর কার্যক্রম বন্ধের জন্য আদালতে প্রার্থনা জানানো হয়। শুনানি শেষে মধুমতি ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এই কার্ডগুলোর ডেবিট কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এবং তার স্ত্রী আফরিন তাপসের নামে মধুমতি ব্যাংক পিএলসিতে থাকা ৬টি ক্রেডিট কার্ডের ডেবিট কার্যক্রম (টাকা উত্তোলন ও লেনদেন) বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো.সাব্বির ফয়েজ।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান পৃথক দুটি আবেদন করেন।
এসব আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি তাপস ও তার স্ত্রী আফরিন ক্রেডিট কার্ডগুলোর মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করছেন। মামলা নিষ্পত্তির আগে এসব ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করলে তদন্ত কার্যক্রম বিঘ্নিত হবে। এজন্য কার্ডগুলোর ডেবিট কার্যক্রম ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্য ও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ফজলে নূর তাপস ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৭৩ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অর্জন করেন। তার নামে থাকা ২৭টি ব্যাংক হিসাবে ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ টাকা ও ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ মার্কিন ডলারের ‘সন্দেহজনক লেনদেনে’ তথ্য পেয়ে মামলা করে দুদক। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
দুদক আবেদনে বলা হয়েছে, তদন্ত চলাকালে শেখ ফজলে নূর তাপস ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যেন টাকা তুলতে না পারেন, সেজন্য এসব ক্রেডিট কার্ডের ডেবিট কার্যক্রম ‘ব্লক’ করা প্রয়োজন।
শেখ ফজলে নূর তাপসের স্ত্রী আফরিনের ক্ষেত্রে আবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এবং তার স্বামী পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৪০ লাখ ৮৯ হাজার ৯৮ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। তাদের ৯টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৭০ কোটি ৮৯ লাখ ৯৩ হাজার ৬৬৯ টাকা ও ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৩ মার্কিন ডলার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়ে মামলা করেছে দুদক ।
আদালতের নির্দেশে মধুমতি ব্যাংক পিএলসির ৬টি কার্ডের লেনদেন স্থগিত করতে বলা হয়েছে।
দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে জানান, মামলার তদন্ত চলাকালীন সময়ে আসামি আফরিন তাপস এই কার্ডগুলোর মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। যদি এই অর্থ উত্তোলন করা হয়, তবে মামলার তদন্ত কার্যক্রম বিঘ্নিত হতে পারে এবং অবৈধ অর্থ পাচারের সম্ভাবনা আরোও প্রবল হয়।
উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা ২০০৭ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক কার্ডগুলোর কার্যক্রম বন্ধের জন্য আদালতে প্রার্থনা জানানো হয়। শুনানি শেষে মধুমতি ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এই কার্ডগুলোর ডেবিট কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

স্ত্রীসহ তাপসের ব্যাংক কার্ড জব্দের নির্দেশ
বিশেষ প্রতিনিধি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এবং তার স্ত্রী আফরিন তাপসের নামে মধুমতি ব্যাংক পিএলসিতে থাকা ৬টি ক্রেডিট কার্ডের ডেবিট কার্যক্রম (টাকা উত্তোলন ও লেনদেন) বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো.সাব্বির ফয়েজ।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস রহমান পৃথক দুটি আবেদন করেন।
এসব আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি তাপস ও তার স্ত্রী আফরিন ক্রেডিট কার্ডগুলোর মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করছেন। মামলা নিষ্পত্তির আগে এসব ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করলে তদন্ত কার্যক্রম বিঘ্নিত হবে। এজন্য কার্ডগুলোর ডেবিট কার্যক্রম ব্লক করা একান্ত প্রয়োজন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংসদ সদস্য ও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ফজলে নূর তাপস ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৭৩ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অর্জন করেন। তার নামে থাকা ২৭টি ব্যাংক হিসাবে ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫৩৯ কোটি ১৬ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ টাকা ও ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ মার্কিন ডলারের ‘সন্দেহজনক লেনদেনে’ তথ্য পেয়ে মামলা করে দুদক। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
দুদক আবেদনে বলা হয়েছে, তদন্ত চলাকালে শেখ ফজলে নূর তাপস ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যেন টাকা তুলতে না পারেন, সেজন্য এসব ক্রেডিট কার্ডের ডেবিট কার্যক্রম ‘ব্লক’ করা প্রয়োজন।
শেখ ফজলে নূর তাপসের স্ত্রী আফরিনের ক্ষেত্রে আবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এবং তার স্বামী পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৬ কোটি ৪০ লাখ ৮৯ হাজার ৯৮ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন। তাদের ৯টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৭০ কোটি ৮৯ লাখ ৯৩ হাজার ৬৬৯ টাকা ও ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৯৬৩ মার্কিন ডলার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়ে মামলা করেছে দুদক ।
আদালতের নির্দেশে মধুমতি ব্যাংক পিএলসির ৬টি কার্ডের লেনদেন স্থগিত করতে বলা হয়েছে।
দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে জানান, মামলার তদন্ত চলাকালীন সময়ে আসামি আফরিন তাপস এই কার্ডগুলোর মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। যদি এই অর্থ উত্তোলন করা হয়, তবে মামলার তদন্ত কার্যক্রম বিঘ্নিত হতে পারে এবং অবৈধ অর্থ পাচারের সম্ভাবনা আরোও প্রবল হয়।
উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা ২০০৭ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক কার্ডগুলোর কার্যক্রম বন্ধের জন্য আদালতে প্রার্থনা জানানো হয়। শুনানি শেষে মধুমতি ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এই কার্ডগুলোর ডেবিট কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।




