গৃহকর্মী নির্যাতন মামলায় বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রীর জবানবন্দি

গৃহকর্মী নির্যাতন মামলায় বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রীর জবানবন্দি
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বিথী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তিনি জবানবন্দি দেন।
শনিবার দুপুরে সাত দিনের রিমান্ড শেষে বীথিকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোবেল মিয়া। আসামি স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে জবানবন্দিতে আসামি কী বলেছেন তা জানা যায়নি।
জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদনে বলা হয়, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে স্বীকার করেন।
একই মামলায় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আদালতে বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর ও মামলার অপর আসামি গৃহকর্মী সুফিয়া বেগমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তখন সাফিকুর প্রথমে জবানবন্দি দিতে চাইলেও পরে অস্বীকার করেন। পরে গৃহকর্মী সুফিয়ার জবানবন্দি রেকর্ড করে দুই জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। একই মামলায় গত বৃহস্পতিবার আরেক গৃহকর্মী রূপালী খাতুনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ১০ ফেব্রুয়ারি আদালত সাফিকুর রহমানের পাঁচ দিন, তার স্ত্রী বিথীর সাত দিন ও দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুনের পাঁচ দিন ও মোছা. সুফিয়া বেগমের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে রুপালী খাতুনকে গত বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২ নভেম্বর মালার বাদী তার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় আসামির বাসায় দেখে আসেন। কিন্তু ৩১ জানুয়ারি ফোন করে তাকে তার মেয়ের অসুস্থতার কথা জানানো হয়। পরে বাদী সেখানে গিয়ে দেখতে পান তার মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম এবং সে ঠিকমতো কথা বলতে পারছে না। পরে তার মেয়ে জানায়, গত ২ নভেম্বর বাবার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান ও বিথীসহ অন্যরা তাকে মারধর করত এবং গরম খুন্তি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করত। এই ঘটনায় ওই গৃহকর্মীর বাবা বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বিথী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তিনি জবানবন্দি দেন।
শনিবার দুপুরে সাত দিনের রিমান্ড শেষে বীথিকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোবেল মিয়া। আসামি স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে জবানবন্দিতে আসামি কী বলেছেন তা জানা যায়নি।
জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদনে বলা হয়, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে স্বীকার করেন।
একই মামলায় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আদালতে বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর ও মামলার অপর আসামি গৃহকর্মী সুফিয়া বেগমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তখন সাফিকুর প্রথমে জবানবন্দি দিতে চাইলেও পরে অস্বীকার করেন। পরে গৃহকর্মী সুফিয়ার জবানবন্দি রেকর্ড করে দুই জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। একই মামলায় গত বৃহস্পতিবার আরেক গৃহকর্মী রূপালী খাতুনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ১০ ফেব্রুয়ারি আদালত সাফিকুর রহমানের পাঁচ দিন, তার স্ত্রী বিথীর সাত দিন ও দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুনের পাঁচ দিন ও মোছা. সুফিয়া বেগমের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে রুপালী খাতুনকে গত বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২ নভেম্বর মালার বাদী তার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় আসামির বাসায় দেখে আসেন। কিন্তু ৩১ জানুয়ারি ফোন করে তাকে তার মেয়ের অসুস্থতার কথা জানানো হয়। পরে বাদী সেখানে গিয়ে দেখতে পান তার মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম এবং সে ঠিকমতো কথা বলতে পারছে না। পরে তার মেয়ে জানায়, গত ২ নভেম্বর বাবার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান ও বিথীসহ অন্যরা তাকে মারধর করত এবং গরম খুন্তি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করত। এই ঘটনায় ওই গৃহকর্মীর বাবা বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

গৃহকর্মী নির্যাতন মামলায় বিমানের সাবেক এমডির স্ত্রীর জবানবন্দি
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বিথী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তিনি জবানবন্দি দেন।
শনিবার দুপুরে সাত দিনের রিমান্ড শেষে বীথিকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোবেল মিয়া। আসামি স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে জবানবন্দিতে আসামি কী বলেছেন তা জানা যায়নি।
জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদনে বলা হয়, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে স্বীকার করেন।
একই মামলায় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আদালতে বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর ও মামলার অপর আসামি গৃহকর্মী সুফিয়া বেগমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তখন সাফিকুর প্রথমে জবানবন্দি দিতে চাইলেও পরে অস্বীকার করেন। পরে গৃহকর্মী সুফিয়ার জবানবন্দি রেকর্ড করে দুই জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। একই মামলায় গত বৃহস্পতিবার আরেক গৃহকর্মী রূপালী খাতুনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৩টায় উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ১০ ফেব্রুয়ারি আদালত সাফিকুর রহমানের পাঁচ দিন, তার স্ত্রী বিথীর সাত দিন ও দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুনের পাঁচ দিন ও মোছা. সুফিয়া বেগমের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে রুপালী খাতুনকে গত বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২ নভেম্বর মালার বাদী তার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় আসামির বাসায় দেখে আসেন। কিন্তু ৩১ জানুয়ারি ফোন করে তাকে তার মেয়ের অসুস্থতার কথা জানানো হয়। পরে বাদী সেখানে গিয়ে দেখতে পান তার মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম এবং সে ঠিকমতো কথা বলতে পারছে না। পরে তার মেয়ে জানায়, গত ২ নভেম্বর বাবার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান ও বিথীসহ অন্যরা তাকে মারধর করত এবং গরম খুন্তি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করত। এই ঘটনায় ওই গৃহকর্মীর বাবা বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।




