শিরোনাম

খায়রুল হকের গ্রেপ্তার নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল

আদালত সংবাদদাতা
আদালত সংবাদদাতা
খায়রুল হকের গ্রেপ্তার নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল
এ বি এম খায়রুল হক

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

রবিবার (৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এর ফলে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ শুধু তার ক্ষেত্রে বহাল থাকছে।

আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, সারা হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান খান এবং আইনজীবী মাহবুব শফিক, মোনায়েম নবী শাহীন প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান চৌধুরী।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, খায়রুল হকের অসুস্থতাসহ কিছু পরিস্থিতি বিবেচনায় রাষ্ট্রপক্ষের করা লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন আদালত। হাইকোর্টে মূল মামলাটি (রিট) শুনানি করতে বলেছেন আপিল বিভাগ।

এর আগে গত ১৭ মে বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

খায়রুল হকের মামলার বিষয়ে আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন জানান, ৬টিতে জামিনের পর আবার নতুন করে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে রিটটি করা হয়েছিল। হাইকোর্টের ১৭ মে দেওয়া আদেশের পর আরও তিনটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এখন পর্যন্ত সব মিলে তার বিরুদ্ধে থাকা ৯টি মামলার মধ্যে ৮টিতে তিনি জামিনে আছেন।

খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন।

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর পর থেকে বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাগারে আছেন।

/এফসি/