সৈকতে রাস্তা নির্মাণ: ডিসিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার শুনানি আজ

সৈকতে রাস্তা নির্মাণ: ডিসিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার শুনানি আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে বিভিন্নরাস্তা নির্মাণের অভিযোগে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও প্রকল্প পরিচালকসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদনের প্রাথমিক শুনানি হয়। রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেন আদালত।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
তিনি বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজ চলছে মর্মে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে 'হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ' গত রোববার এই আদালত অবমাননার মামলাটি দায়ের করে।
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ২০১০ সালে যখন সমুদ্রসৈকত দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি হচ্ছিল, তখন জনস্বার্থে বিবেচনা করে রিট পিটিশন দায়ের করে সমুদ্রসৈকত সুরক্ষার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। শুনানি শেষে সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা এবং বালিয়াড়িতে স্থাপিত সব স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেন আদালত। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে নির্দেশনা বাস্তবায়িত হয়।
তিনি বলেন, ২৪ আগস্টের পরে আবার বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণ করে সৈকতকে দখল করার চেষ্টা করছে, যা আদালত অবমাননার শামিল।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ইতোপূর্বে রুল জারি করেছিলেন এবং শুনানি শেষে ২০১১ সালে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা এবং বালিয়াড়িতে নির্মিত সব স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালতের সেই নির্দেশনা অনুসারে এর আগে দুই দফায় বালিয়াড়িতে স্থাপিত বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল।তা সত্ত্বেও কক্সবাজার পৌরসভা নতুন একটি প্রকল্প গ্রহণ করে বালিয়াড়ির ভেতরে নির্মাণকাজ চালিয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করছে।

হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে বিভিন্নরাস্তা নির্মাণের অভিযোগে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও প্রকল্প পরিচালকসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদনের প্রাথমিক শুনানি হয়। রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেন আদালত।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
তিনি বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজ চলছে মর্মে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে 'হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ' গত রোববার এই আদালত অবমাননার মামলাটি দায়ের করে।
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ২০১০ সালে যখন সমুদ্রসৈকত দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি হচ্ছিল, তখন জনস্বার্থে বিবেচনা করে রিট পিটিশন দায়ের করে সমুদ্রসৈকত সুরক্ষার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। শুনানি শেষে সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা এবং বালিয়াড়িতে স্থাপিত সব স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেন আদালত। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে নির্দেশনা বাস্তবায়িত হয়।
তিনি বলেন, ২৪ আগস্টের পরে আবার বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণ করে সৈকতকে দখল করার চেষ্টা করছে, যা আদালত অবমাননার শামিল।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ইতোপূর্বে রুল জারি করেছিলেন এবং শুনানি শেষে ২০১১ সালে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা এবং বালিয়াড়িতে নির্মিত সব স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালতের সেই নির্দেশনা অনুসারে এর আগে দুই দফায় বালিয়াড়িতে স্থাপিত বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল।তা সত্ত্বেও কক্সবাজার পৌরসভা নতুন একটি প্রকল্প গ্রহণ করে বালিয়াড়ির ভেতরে নির্মাণকাজ চালিয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করছে।

সৈকতে রাস্তা নির্মাণ: ডিসিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার শুনানি আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে বিভিন্নরাস্তা নির্মাণের অভিযোগে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও প্রকল্প পরিচালকসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আবেদনের প্রাথমিক শুনানি হয়। রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেন আদালত।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
তিনি বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজ চলছে মর্মে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে 'হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ' গত রোববার এই আদালত অবমাননার মামলাটি দায়ের করে।
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ২০১০ সালে যখন সমুদ্রসৈকত দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি হচ্ছিল, তখন জনস্বার্থে বিবেচনা করে রিট পিটিশন দায়ের করে সমুদ্রসৈকত সুরক্ষার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। শুনানি শেষে সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা এবং বালিয়াড়িতে স্থাপিত সব স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেন আদালত। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে নির্দেশনা বাস্তবায়িত হয়।
তিনি বলেন, ২৪ আগস্টের পরে আবার বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণ করে সৈকতকে দখল করার চেষ্টা করছে, যা আদালত অবমাননার শামিল।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ইতোপূর্বে রুল জারি করেছিলেন এবং শুনানি শেষে ২০১১ সালে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা এবং বালিয়াড়িতে নির্মিত সব স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালতের সেই নির্দেশনা অনুসারে এর আগে দুই দফায় বালিয়াড়িতে স্থাপিত বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল।তা সত্ত্বেও কক্সবাজার পৌরসভা নতুন একটি প্রকল্প গ্রহণ করে বালিয়াড়ির ভেতরে নির্মাণকাজ চালিয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করছে।

কেড়ে নেওয়া হলো ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া সেই বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা






