ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ, ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ, ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি
আদালত সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অত্যন্ত অবমাননাকর, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করায় আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির নেতা ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে তার বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী তন্ময় কুমার সাহা এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক খ্যাতি ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ১০০ কোটি টাকা দিতে বলা হয়েছে। এই টাকা সরাসরি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিল’-এ জমা দিতে বলা হয়েছে।
ব্যারিস্টার ফুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকেও এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, ব্যারিস্টার ফুয়াদ গত ৫০ থেকে ৭০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তাদের জাতীয় ক্ষতির জন্য দায়ী করেছেন। তিনি সম্মানিত অনুষদ সদস্যদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষপূর্ণ, সাম্প্রদায়িক ও বিভাজন সৃষ্টিকারী গালিগালাজ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে তারা পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করছেন।
আইনজীবী তন্ময় কুমার সাহা নোটিশে আরও বলেছেন, এই ধরনের বেপরোয়া ও অবমাননাকর বক্তব্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি, খ্যাতি ও সুনামকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। এই মন্তব্যগুলো লাখ লাখ প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণের মনে গভীর মানসিক কষ্ট, যন্ত্রণা এবং জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অত্যন্ত অবমাননাকর, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করায় আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির নেতা ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে তার বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী তন্ময় কুমার সাহা এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক খ্যাতি ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ১০০ কোটি টাকা দিতে বলা হয়েছে। এই টাকা সরাসরি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিল’-এ জমা দিতে বলা হয়েছে।
ব্যারিস্টার ফুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকেও এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, ব্যারিস্টার ফুয়াদ গত ৫০ থেকে ৭০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তাদের জাতীয় ক্ষতির জন্য দায়ী করেছেন। তিনি সম্মানিত অনুষদ সদস্যদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষপূর্ণ, সাম্প্রদায়িক ও বিভাজন সৃষ্টিকারী গালিগালাজ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে তারা পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করছেন।
আইনজীবী তন্ময় কুমার সাহা নোটিশে আরও বলেছেন, এই ধরনের বেপরোয়া ও অবমাননাকর বক্তব্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি, খ্যাতি ও সুনামকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। এই মন্তব্যগুলো লাখ লাখ প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণের মনে গভীর মানসিক কষ্ট, যন্ত্রণা এবং জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ, ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি
আদালত সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অত্যন্ত অবমাননাকর, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করায় আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির নেতা ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে তার বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী তন্ময় কুমার সাহা এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক খ্যাতি ও সুনাম ক্ষুণ্ণ করার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ১০০ কোটি টাকা দিতে বলা হয়েছে। এই টাকা সরাসরি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিল’-এ জমা দিতে বলা হয়েছে।
ব্যারিস্টার ফুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকেও এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, ব্যারিস্টার ফুয়াদ গত ৫০ থেকে ৭০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তাদের জাতীয় ক্ষতির জন্য দায়ী করেছেন। তিনি সম্মানিত অনুষদ সদস্যদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষপূর্ণ, সাম্প্রদায়িক ও বিভাজন সৃষ্টিকারী গালিগালাজ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে তারা পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করছেন।
আইনজীবী তন্ময় কুমার সাহা নোটিশে আরও বলেছেন, এই ধরনের বেপরোয়া ও অবমাননাকর বক্তব্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি, খ্যাতি ও সুনামকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। এই মন্তব্যগুলো লাখ লাখ প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণের মনে গভীর মানসিক কষ্ট, যন্ত্রণা এবং জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

নষ্ট রাজনীতিতে থাকতে চাই না: ব্যারিস্টার ফুয়াদ


