স্বর্ণের কলসের লোভে গৃহবধুকে হত্যা করে তান্ত্রিক

স্বর্ণের কলসের লোভে গৃহবধুকে হত্যা করে তান্ত্রিক
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ফজিলপুর এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া এক নারীর মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। স্বর্ণের কলস পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নাসিমা আক্তার নামে এক গৃহবধুকে হত্যা করে শামসুল হক নামের স্থানীয় এক তান্ত্রিক।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এসব কথা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোদাদাদ হোসেন।
তিনি জানান, গত ১ জুন সকালে হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ফজিলপুর এলাকায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি রানীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও গ্রামের আবদুল্লাহর স্ত্রী নাসিমা আক্তার। তিনি তিন সন্তানের জননী ছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নাসিমা আক্তার প্রায় এক বছর ধরে হরিপুর উপজেলার কথিত তান্ত্রিক শামসুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনার দিনই শামসুল হককে আটক করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, শামসুল হক দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণের কলস পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। একই কৌশলে তিনি নাসিমা আক্তারের কাছ থেকেও প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। স্বর্ণের কলস পাওয়ার আশায় নাসিমা নিয়মিত তার কাছে যাতায়াত করতেন।
তদন্তে উঠে আসে, ঘটনার রাতে শামসুল হক নাসিমাকে হরিপুর উপজেলার ফজিলপুর গ্রামের একটি নির্জন সড়কের পাশে নিয়ে যান। সেখানে গুপ্তধন না পাওয়ায় নাসিমা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং স্বর্ণের কলস দেওয়ার জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে শামসুল হক ‘জাদু টানার’ নামে একটি ভুয়া আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এ সময় তিনি একটি রশির দুই প্রান্তে বাঁশের কঞ্চি বেঁধে নাসিমার চারপাশে দাগ কাটেন। পরে সেই রশি দিয়েই তার গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করেন।
হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে অভিযুক্ত ঘটনাস্থলেই একটি সিগারেট ধরিয়ে আগুনের কাঠি মরদেহের দিকে ছুড়ে দেন। এতে নিহতের বোরখাসহ শরীরের কিছু অংশ পুড়ে যায়। এরপর তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন বলেন, অভিযুক্ত শামসুল হক হরিপুর উপজেলার টেংরিয়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১ জুন সকালে হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ফজিলপুর এলাকায় নাসিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ফজিলপুর এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া এক নারীর মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। স্বর্ণের কলস পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নাসিমা আক্তার নামে এক গৃহবধুকে হত্যা করে শামসুল হক নামের স্থানীয় এক তান্ত্রিক।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এসব কথা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোদাদাদ হোসেন।
তিনি জানান, গত ১ জুন সকালে হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ফজিলপুর এলাকায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি রানীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও গ্রামের আবদুল্লাহর স্ত্রী নাসিমা আক্তার। তিনি তিন সন্তানের জননী ছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নাসিমা আক্তার প্রায় এক বছর ধরে হরিপুর উপজেলার কথিত তান্ত্রিক শামসুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনার দিনই শামসুল হককে আটক করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, শামসুল হক দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণের কলস পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। একই কৌশলে তিনি নাসিমা আক্তারের কাছ থেকেও প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। স্বর্ণের কলস পাওয়ার আশায় নাসিমা নিয়মিত তার কাছে যাতায়াত করতেন।
তদন্তে উঠে আসে, ঘটনার রাতে শামসুল হক নাসিমাকে হরিপুর উপজেলার ফজিলপুর গ্রামের একটি নির্জন সড়কের পাশে নিয়ে যান। সেখানে গুপ্তধন না পাওয়ায় নাসিমা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং স্বর্ণের কলস দেওয়ার জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে শামসুল হক ‘জাদু টানার’ নামে একটি ভুয়া আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এ সময় তিনি একটি রশির দুই প্রান্তে বাঁশের কঞ্চি বেঁধে নাসিমার চারপাশে দাগ কাটেন। পরে সেই রশি দিয়েই তার গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করেন।
হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে অভিযুক্ত ঘটনাস্থলেই একটি সিগারেট ধরিয়ে আগুনের কাঠি মরদেহের দিকে ছুড়ে দেন। এতে নিহতের বোরখাসহ শরীরের কিছু অংশ পুড়ে যায়। এরপর তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন বলেন, অভিযুক্ত শামসুল হক হরিপুর উপজেলার টেংরিয়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১ জুন সকালে হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ফজিলপুর এলাকায় নাসিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্বর্ণের কলসের লোভে গৃহবধুকে হত্যা করে তান্ত্রিক
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ফজিলপুর এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া এক নারীর মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। স্বর্ণের কলস পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নাসিমা আক্তার নামে এক গৃহবধুকে হত্যা করে শামসুল হক নামের স্থানীয় এক তান্ত্রিক।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এসব কথা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোদাদাদ হোসেন।
তিনি জানান, গত ১ জুন সকালে হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ফজিলপুর এলাকায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি রানীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও গ্রামের আবদুল্লাহর স্ত্রী নাসিমা আক্তার। তিনি তিন সন্তানের জননী ছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নাসিমা আক্তার প্রায় এক বছর ধরে হরিপুর উপজেলার কথিত তান্ত্রিক শামসুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত, প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনার দিনই শামসুল হককে আটক করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, শামসুল হক দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণের কলস পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। একই কৌশলে তিনি নাসিমা আক্তারের কাছ থেকেও প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। স্বর্ণের কলস পাওয়ার আশায় নাসিমা নিয়মিত তার কাছে যাতায়াত করতেন।
তদন্তে উঠে আসে, ঘটনার রাতে শামসুল হক নাসিমাকে হরিপুর উপজেলার ফজিলপুর গ্রামের একটি নির্জন সড়কের পাশে নিয়ে যান। সেখানে গুপ্তধন না পাওয়ায় নাসিমা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং স্বর্ণের কলস দেওয়ার জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে শামসুল হক ‘জাদু টানার’ নামে একটি ভুয়া আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এ সময় তিনি একটি রশির দুই প্রান্তে বাঁশের কঞ্চি বেঁধে নাসিমার চারপাশে দাগ কাটেন। পরে সেই রশি দিয়েই তার গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করেন।
হত্যাকাণ্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে অভিযুক্ত ঘটনাস্থলেই একটি সিগারেট ধরিয়ে আগুনের কাঠি মরদেহের দিকে ছুড়ে দেন। এতে নিহতের বোরখাসহ শরীরের কিছু অংশ পুড়ে যায়। এরপর তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন বলেন, অভিযুক্ত শামসুল হক হরিপুর উপজেলার টেংরিয়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১ জুন সকালে হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ফজিলপুর এলাকায় নাসিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।




