পুলিশ সদস্যকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৫

পুলিশ সদস্যকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৫
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁও সদর থানার এক পুলিশ সদস্যকে অপহরণ করে মারধর ও চাঁদা দাবির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ,পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার লোহাগাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহেল রানা, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া এলাকার আনজারুল ইসলামের ছেলে বিপ্লব ইসলাম, গোবিন্দনগর হঠাৎপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে নাজমুল হোসেন রাব্বি, জগন্নাথপুর হাজীর মোড় এলাকার বাহাদুর খানের ছেলে সাকিব খান এবং মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার আব্দুস সোবহানের ছেলে নাঈম আহমেদ।
পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে পুলিশ সদস্য মো. আজিজুল ইসলাম নিজের ব্যবহৃত ১৫০ সিসির একটি মোটরসাইকেল বন্ধক রেখে আসামি বিপ্লব ইসলামের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন। পরে তিনি জানতে পারেন বিপ্লব মোটরসাইকেলটি সুমন নামের এক ব্যক্তির কাছে এক লাখ টাকার বিনিময়ে পুনরায় বন্ধক রেখে আত্মগোপন করেছে। এরপর আজিজুল ইসলাম টাকা ফেরত দিয়ে নিজের মোটরসাইকেল উদ্ধার করার চেষ্টা করলে ঋণদাতাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত বিপ্লব ও তার সহযোগীরা আর্থিক খরচের বিনিময়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি হন পুলিশ সদস্য আজিজুল। তবে মোটরসাইকেল উদ্ধার না করেই তার কাছে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে দাবি করে ওই চক্র। আজিজুল ইসলাম টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর থানা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে জেলা শহরের গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে প্রাইভেটকারে তুলে পুলিশ সদস্য আজিজুল ইসলামকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে আটকে রেখে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ১ লাখ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী সদস্য বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার এক পুলিশ সদস্যকে অপহরণ করে মারধর ও চাঁদা দাবির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ,পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার লোহাগাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহেল রানা, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া এলাকার আনজারুল ইসলামের ছেলে বিপ্লব ইসলাম, গোবিন্দনগর হঠাৎপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে নাজমুল হোসেন রাব্বি, জগন্নাথপুর হাজীর মোড় এলাকার বাহাদুর খানের ছেলে সাকিব খান এবং মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার আব্দুস সোবহানের ছেলে নাঈম আহমেদ।
পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে পুলিশ সদস্য মো. আজিজুল ইসলাম নিজের ব্যবহৃত ১৫০ সিসির একটি মোটরসাইকেল বন্ধক রেখে আসামি বিপ্লব ইসলামের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন। পরে তিনি জানতে পারেন বিপ্লব মোটরসাইকেলটি সুমন নামের এক ব্যক্তির কাছে এক লাখ টাকার বিনিময়ে পুনরায় বন্ধক রেখে আত্মগোপন করেছে। এরপর আজিজুল ইসলাম টাকা ফেরত দিয়ে নিজের মোটরসাইকেল উদ্ধার করার চেষ্টা করলে ঋণদাতাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত বিপ্লব ও তার সহযোগীরা আর্থিক খরচের বিনিময়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি হন পুলিশ সদস্য আজিজুল। তবে মোটরসাইকেল উদ্ধার না করেই তার কাছে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে দাবি করে ওই চক্র। আজিজুল ইসলাম টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর থানা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে জেলা শহরের গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে প্রাইভেটকারে তুলে পুলিশ সদস্য আজিজুল ইসলামকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে আটকে রেখে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ১ লাখ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী সদস্য বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সদস্যকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৫
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁও সদর থানার এক পুলিশ সদস্যকে অপহরণ করে মারধর ও চাঁদা দাবির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ,পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার লোহাগাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহেল রানা, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া এলাকার আনজারুল ইসলামের ছেলে বিপ্লব ইসলাম, গোবিন্দনগর হঠাৎপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে নাজমুল হোসেন রাব্বি, জগন্নাথপুর হাজীর মোড় এলাকার বাহাদুর খানের ছেলে সাকিব খান এবং মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার আব্দুস সোবহানের ছেলে নাঈম আহমেদ।
পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে পুলিশ সদস্য মো. আজিজুল ইসলাম নিজের ব্যবহৃত ১৫০ সিসির একটি মোটরসাইকেল বন্ধক রেখে আসামি বিপ্লব ইসলামের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন। পরে তিনি জানতে পারেন বিপ্লব মোটরসাইকেলটি সুমন নামের এক ব্যক্তির কাছে এক লাখ টাকার বিনিময়ে পুনরায় বন্ধক রেখে আত্মগোপন করেছে। এরপর আজিজুল ইসলাম টাকা ফেরত দিয়ে নিজের মোটরসাইকেল উদ্ধার করার চেষ্টা করলে ঋণদাতাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত বিপ্লব ও তার সহযোগীরা আর্থিক খরচের বিনিময়ে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি হন পুলিশ সদস্য আজিজুল। তবে মোটরসাইকেল উদ্ধার না করেই তার কাছে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে দাবি করে ওই চক্র। আজিজুল ইসলাম টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর থানা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে জেলা শহরের গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে প্রাইভেটকারে তুলে পুলিশ সদস্য আজিজুল ইসলামকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে আটকে রেখে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ১ লাখ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী সদস্য বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।




