ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শনিবার (২১ মার্চ) উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ পালনে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। ফলে চাপ বেড়েছে মহাসড়কে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে মহাসড়কের চন্দ্রা, গাজীপুর, এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীরা বাসের পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপ ও মাইক্রোবাসে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
এছাড়া মহাসড়কে বাসের তুলনায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সংখ্যাই বেশি দেখা গেছে। অনেক যাত্রী ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার ব্যবহার করছেন। যানবাহন সংকট ও দ্বিগুণ ভাড়ার কারণে অনেকেই বাধ্য হয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে যাতায়াত করছেন।
চন্দ্রা এলাকায় এক যাত্রী বলেন, সড়কজুড়ে যানজট আর মানুষের ভিড়। তিনি গাড়ি ছেড়ে অটোরিকশায় এসেছেন, কিন্তু সেখানেও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।
পাবনার সাথিয়া উপজেলায় যাওয়ার পথে গাজীপুরে আটকে পড়া এক যাত্রী জানান, তিনি আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে যানজটে আটকে আছেন। ছোট বাচ্চা নিয়ে ভোগান্তি আরও বেড়েছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে বগুড়াগামী এক যাত্রী বলেন, ঈদের আগে এমন দুর্ভোগ প্রতি বছরই হয়, তবে এবার বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে গেছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও মহাসড়কে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ার কারণে রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ধীরগতির সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যানজট এড়াতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন এবং যাত্রীরা যেন নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ৮৪০টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার ৬৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৮ হাজার ৭৪৪টি যানবাহন থেকে আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টাকা। আগের দিনের তুলনায় বুধবার ৪ হাজার ৬৪১টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
সেতু কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, গত চার দিনে মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৫টি যানবাহন সেতু অতিক্রম করেছে। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে ১২ কোটি ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫০ টাকা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শনিবার (২১ মার্চ) উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ পালনে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। ফলে চাপ বেড়েছে মহাসড়কে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে মহাসড়কের চন্দ্রা, গাজীপুর, এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীরা বাসের পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপ ও মাইক্রোবাসে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
এছাড়া মহাসড়কে বাসের তুলনায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সংখ্যাই বেশি দেখা গেছে। অনেক যাত্রী ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার ব্যবহার করছেন। যানবাহন সংকট ও দ্বিগুণ ভাড়ার কারণে অনেকেই বাধ্য হয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে যাতায়াত করছেন।
চন্দ্রা এলাকায় এক যাত্রী বলেন, সড়কজুড়ে যানজট আর মানুষের ভিড়। তিনি গাড়ি ছেড়ে অটোরিকশায় এসেছেন, কিন্তু সেখানেও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।
পাবনার সাথিয়া উপজেলায় যাওয়ার পথে গাজীপুরে আটকে পড়া এক যাত্রী জানান, তিনি আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে যানজটে আটকে আছেন। ছোট বাচ্চা নিয়ে ভোগান্তি আরও বেড়েছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে বগুড়াগামী এক যাত্রী বলেন, ঈদের আগে এমন দুর্ভোগ প্রতি বছরই হয়, তবে এবার বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে গেছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও মহাসড়কে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ার কারণে রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ধীরগতির সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যানজট এড়াতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন এবং যাত্রীরা যেন নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ৮৪০টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার ৬৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৮ হাজার ৭৪৪টি যানবাহন থেকে আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টাকা। আগের দিনের তুলনায় বুধবার ৪ হাজার ৬৪১টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
সেতু কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, গত চার দিনে মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৫টি যানবাহন সেতু অতিক্রম করেছে। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে ১২ কোটি ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫০ টাকা।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী শনিবার (২১ মার্চ) উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ পালনে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। ফলে চাপ বেড়েছে মহাসড়কে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে মহাসড়কের চন্দ্রা, গাজীপুর, এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীরা বাসের পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপ ও মাইক্রোবাসে ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
এছাড়া মহাসড়কে বাসের তুলনায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সংখ্যাই বেশি দেখা গেছে। অনেক যাত্রী ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার ব্যবহার করছেন। যানবাহন সংকট ও দ্বিগুণ ভাড়ার কারণে অনেকেই বাধ্য হয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে যাতায়াত করছেন।
চন্দ্রা এলাকায় এক যাত্রী বলেন, সড়কজুড়ে যানজট আর মানুষের ভিড়। তিনি গাড়ি ছেড়ে অটোরিকশায় এসেছেন, কিন্তু সেখানেও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।
পাবনার সাথিয়া উপজেলায় যাওয়ার পথে গাজীপুরে আটকে পড়া এক যাত্রী জানান, তিনি আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে যানজটে আটকে আছেন। ছোট বাচ্চা নিয়ে ভোগান্তি আরও বেড়েছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে বগুড়াগামী এক যাত্রী বলেন, ঈদের আগে এমন দুর্ভোগ প্রতি বছরই হয়, তবে এবার বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে গেছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও মহাসড়কে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ার কারণে রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ধীরগতির সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যানজট এড়াতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন এবং যাত্রীরা যেন নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন সেতু পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ৮৪০টি যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার ৬৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৮ হাজার ৭৪৪টি যানবাহন থেকে আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টাকা। আগের দিনের তুলনায় বুধবার ৪ হাজার ৬৪১টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
সেতু কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, গত চার দিনে মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৫টি যানবাহন সেতু অতিক্রম করেছে। এতে মোট টোল আদায় হয়েছে ১২ কোটি ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫০ টাকা।




