টাঙ্গাইল ডিসি লেকে পর্যটনকেন্দ্র গড়ার ঘোষণা

টাঙ্গাইল ডিসি লেকে পর্যটনকেন্দ্র গড়ার ঘোষণা
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ডিসি লেককে মিনি পর্যটনকেন্দ্র এবং চর এলাকাকে বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। শুক্রবার (৩১ জুলাই) তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল ডিসি লেকের সার্বিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ডিসি লেককে ঘিরে আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এটিকে কীভাবে একটি উন্নতমানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগেই আমি টাঙ্গাইলে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলাম। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। আল্লাহর রহমত ও সবার দোয়া থাকলে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। লেকটিকে যদি সুন্দর ও ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারি, তাহলে টাঙ্গাইলবাসী একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র পাবে। পাশাপাশি এখানে মাছ চাষ করা হবে এবং সেই মাছও এই শহরের মানুষই খাবে।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী লেকের পানির অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা ঘুরে দেখেন। দীর্ঘদিন ধরে লেকে জমে থাকা কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা অপসারণে তিনি নিজ হাতে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন।
বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ কচুরিপানা অপসারণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লেকের বিভিন্ন অংশ থেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক শরীফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহিল কাফি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ডিসি লেককে মিনি পর্যটনকেন্দ্র এবং চর এলাকাকে বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। শুক্রবার (৩১ জুলাই) তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল ডিসি লেকের সার্বিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ডিসি লেককে ঘিরে আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এটিকে কীভাবে একটি উন্নতমানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগেই আমি টাঙ্গাইলে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলাম। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। আল্লাহর রহমত ও সবার দোয়া থাকলে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। লেকটিকে যদি সুন্দর ও ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারি, তাহলে টাঙ্গাইলবাসী একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র পাবে। পাশাপাশি এখানে মাছ চাষ করা হবে এবং সেই মাছও এই শহরের মানুষই খাবে।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী লেকের পানির অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা ঘুরে দেখেন। দীর্ঘদিন ধরে লেকে জমে থাকা কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা অপসারণে তিনি নিজ হাতে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন।
বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ কচুরিপানা অপসারণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লেকের বিভিন্ন অংশ থেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক শরীফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহিল কাফি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইল ডিসি লেকে পর্যটনকেন্দ্র গড়ার ঘোষণা
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ডিসি লেককে মিনি পর্যটনকেন্দ্র এবং চর এলাকাকে বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। শুক্রবার (৩১ জুলাই) তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল ডিসি লেকের সার্বিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ডিসি লেককে ঘিরে আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এটিকে কীভাবে একটি উন্নতমানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগেই আমি টাঙ্গাইলে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলাম। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। আল্লাহর রহমত ও সবার দোয়া থাকলে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। লেকটিকে যদি সুন্দর ও ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারি, তাহলে টাঙ্গাইলবাসী একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র পাবে। পাশাপাশি এখানে মাছ চাষ করা হবে এবং সেই মাছও এই শহরের মানুষই খাবে।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী লেকের পানির অবস্থা ও পরিচ্ছন্নতা ঘুরে দেখেন। দীর্ঘদিন ধরে লেকে জমে থাকা কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা অপসারণে তিনি নিজ হাতে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন।
বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ কচুরিপানা অপসারণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় লেকের বিভিন্ন অংশ থেকে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক শরীফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহিল কাফি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না: প্রতিমন্ত্রী টুকু






