অপহরণের পর ভাতিজাকে খুন: চাচার মৃত্যুদণ্ড

অপহরণের পর ভাতিজাকে খুন: চাচার মৃত্যুদণ্ড
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুক্তিপণের দাবিতে ভাতিজাকে অপহরণ ও খুনের দায়ে আপন চাচার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. নুরনবী গোপালপুর উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি নুরনবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্র জানায়, হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও অপহরণের দায়ে নুরনবীকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিহতের মরদেহ গুমের দায়ে তাকে আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন বিচারক।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতিকে এম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন তার চাচা নুরনবী। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পরের দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে শিশু আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন ভূঁইয়া আসামি নুরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুক্তিপণের দাবিতে ভাতিজাকে অপহরণ ও খুনের দায়ে আপন চাচার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. নুরনবী গোপালপুর উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি নুরনবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্র জানায়, হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও অপহরণের দায়ে নুরনবীকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিহতের মরদেহ গুমের দায়ে তাকে আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন বিচারক।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতিকে এম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন তার চাচা নুরনবী। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পরের দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে শিশু আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন ভূঁইয়া আসামি নুরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।

অপহরণের পর ভাতিজাকে খুন: চাচার মৃত্যুদণ্ড
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মুক্তিপণের দাবিতে ভাতিজাকে অপহরণ ও খুনের দায়ে আপন চাচার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. নুরনবী গোপালপুর উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি নুরনবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্র জানায়, হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও অপহরণের দায়ে নুরনবীকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিহতের মরদেহ গুমের দায়ে তাকে আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন বিচারক।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতিকে এম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন তার চাচা নুরনবী। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পরের দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে শিশু আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন ভূঁইয়া আসামি নুরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।




