চুরির অভিযোগে উপড়ে ফেলা হলো যুবকের দুই চোখ

চুরির অভিযোগে উপড়ে ফেলা হলো যুবকের দুই চোখ
সিলেট সংবাদদাতা

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নে একটি নৌকা চুরির অভিযোগ তুলে এক যুবকের দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই যুবক সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত খালেদ আহমদ উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের লাকী গ্রামের বাসিন্দা এবং সোনাই মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দিবাগত রাতে তোয়াকুল ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের বাড়ির পুকুর থেকে একটি ছোট নৌকা চুরি হয়। এ ঘটনার জেরে গতকাল রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তোয়াকুল বাজারে মাছ-তরকারি কিনতে আসেন খালেদ আহমদ। এ সময় শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগে বলা হয়, শাহপুর গ্রামের একটি বাড়িতে তাকে নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার দুই চোখ উপড়ে ফেলা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে অভিযুক্তরা চলে যান। খবর পেয়ে তার মা কুটনা বেগম হাসপাতালে গিয়ে তাকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদ, পছাই মিয়া, সেলিম আহমদ, ফখরুল ইসলাম, ইলিয়াস মিয়া, তোতা মিয়া ও সিরাজ উদ্দিনের নাম উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তোয়াকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান বলেন, ‘খালেদকে অপহরণের খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।’
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নাঈমুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নে একটি নৌকা চুরির অভিযোগ তুলে এক যুবকের দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই যুবক সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত খালেদ আহমদ উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের লাকী গ্রামের বাসিন্দা এবং সোনাই মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দিবাগত রাতে তোয়াকুল ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের বাড়ির পুকুর থেকে একটি ছোট নৌকা চুরি হয়। এ ঘটনার জেরে গতকাল রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তোয়াকুল বাজারে মাছ-তরকারি কিনতে আসেন খালেদ আহমদ। এ সময় শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগে বলা হয়, শাহপুর গ্রামের একটি বাড়িতে তাকে নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার দুই চোখ উপড়ে ফেলা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে অভিযুক্তরা চলে যান। খবর পেয়ে তার মা কুটনা বেগম হাসপাতালে গিয়ে তাকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদ, পছাই মিয়া, সেলিম আহমদ, ফখরুল ইসলাম, ইলিয়াস মিয়া, তোতা মিয়া ও সিরাজ উদ্দিনের নাম উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তোয়াকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান বলেন, ‘খালেদকে অপহরণের খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।’
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নাঈমুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চুরির অভিযোগে উপড়ে ফেলা হলো যুবকের দুই চোখ
সিলেট সংবাদদাতা

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নে একটি নৌকা চুরির অভিযোগ তুলে এক যুবকের দুই চোখ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই যুবক সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত খালেদ আহমদ উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের লাকী গ্রামের বাসিন্দা এবং সোনাই মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দিবাগত রাতে তোয়াকুল ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের বাড়ির পুকুর থেকে একটি ছোট নৌকা চুরি হয়। এ ঘটনার জেরে গতকাল রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে তোয়াকুল বাজারে মাছ-তরকারি কিনতে আসেন খালেদ আহমদ। এ সময় শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগে বলা হয়, শাহপুর গ্রামের একটি বাড়িতে তাকে নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার দুই চোখ উপড়ে ফেলা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে অভিযুক্তরা চলে যান। খবর পেয়ে তার মা কুটনা বেগম হাসপাতালে গিয়ে তাকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে শাহপুর গ্রামের মোস্তাক আহমদ, পছাই মিয়া, সেলিম আহমদ, ফখরুল ইসলাম, ইলিয়াস মিয়া, তোতা মিয়া ও সিরাজ উদ্দিনের নাম উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তোয়াকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ লোকমান বলেন, ‘খালেদকে অপহরণের খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।’
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই নাঈমুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




