শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে: ডা. জাহেদ

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে: ডা. জাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকার ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার সেই সাক্ষাৎকার নানাভাবে ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমও তার বক্তব্য প্রচার করে।
এ নিয়ে ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে। সেই ক্ষেত্রে গণমাধ্যমগুলো আইন এবং রীতিনীতি মেনে প্রচার করবে এবং এক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।
তিনি আরও বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কোনো নামে বা পরিচয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না। আদালত যখন এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত দেবেন, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বক্তব্য ছড়ায়। এ বিষয়ে ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর তার সব ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এরপর গত বছরের ১৭ নভেম্বর জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত শেখ হাসিনার বক্তব্য ও বিবৃতি প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে নির্দেশ দেয় জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি। টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকার ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার সেই সাক্ষাৎকার নানাভাবে ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমও তার বক্তব্য প্রচার করে।
এ নিয়ে ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে। সেই ক্ষেত্রে গণমাধ্যমগুলো আইন এবং রীতিনীতি মেনে প্রচার করবে এবং এক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।
তিনি আরও বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কোনো নামে বা পরিচয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না। আদালত যখন এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত দেবেন, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বক্তব্য ছড়ায়। এ বিষয়ে ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর তার সব ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এরপর গত বছরের ১৭ নভেম্বর জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত শেখ হাসিনার বক্তব্য ও বিবৃতি প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে নির্দেশ দেয় জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি। টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে: ডা. জাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকার ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার সেই সাক্ষাৎকার নানাভাবে ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমও তার বক্তব্য প্রচার করে।
এ নিয়ে ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা আছে। সেই ক্ষেত্রে গণমাধ্যমগুলো আইন এবং রীতিনীতি মেনে প্রচার করবে এবং এক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।
তিনি আরও বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কোনো নামে বা পরিচয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবে না। আদালত যখন এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত দেবেন, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বক্তব্য ছড়ায়। এ বিষয়ে ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর তার সব ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এরপর গত বছরের ১৭ নভেম্বর জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত শেখ হাসিনার বক্তব্য ও বিবৃতি প্রচার না করতে গণমাধ্যমকে নির্দেশ দেয় জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি। টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবি ‘স্ট্যান্ডবাজি’ ছাড়া আর কিছু নয়: রিজভী


