মশার কয়েল থেকে আগুন, নারীর মৃত্যু

মশার কয়েল থেকে আগুন, নারীর মৃত্যু
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

সুনামগঞ্জে মশার কয়েল থেকে সৃষ্ট আগুনে এক নারীর নারীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) ভোর রাতে সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছালেমা খাতুন আমিরপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন নজরুল ইসলামের পরিবারের লোকজন। তার স্ত্রী ছালেম খাতুন একা একটি ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ছোট ছেলে ছিলো আরেক ঘরে। গভীর রাতে মশার কয়েল থেকে খাটে আগুন লাগলে ছালেমা খাতুন পুড়ে মারা যান।
প্রতিবেশী মারফত আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম বলেন, সেহরি খেতে উঠে দেখি নজরুল ইসলামের ঘর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। পরে তাদেরকে ডেকে সজাগ করি। এর মধ্যে দেখি, আগুনে পুড়ে ঘুমের মধ্যেই ছালেমা খাতুন মারা গেছেন।
নজরুল ইসলাম বলেন, আমি রাতে অন্য জায়গায় ছিলাম। খবর পেয়ে এসে দেখি ঘরের ভেতরে আগুন ও ধোঁয়া। খাট-বিছানা আগুনে পুড়ে গেছে। আমার স্ত্রীও মারা গেছেন। ছেলে জানিয়েছে, মশার কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিলো। কয়েল থেকেই আগুন লেগেছে।
সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আফসান পারভেজ বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আগুনে পুড়ে ঘরের ভেতরেই নারী মারা গেছেন। পরে পুলিশকে ঘটনা জানাই।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন সেখকে বলেন, নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মশার কয়েলের আগুন থেকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সুনামগঞ্জে মশার কয়েল থেকে সৃষ্ট আগুনে এক নারীর নারীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) ভোর রাতে সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছালেমা খাতুন আমিরপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন নজরুল ইসলামের পরিবারের লোকজন। তার স্ত্রী ছালেম খাতুন একা একটি ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ছোট ছেলে ছিলো আরেক ঘরে। গভীর রাতে মশার কয়েল থেকে খাটে আগুন লাগলে ছালেমা খাতুন পুড়ে মারা যান।
প্রতিবেশী মারফত আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম বলেন, সেহরি খেতে উঠে দেখি নজরুল ইসলামের ঘর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। পরে তাদেরকে ডেকে সজাগ করি। এর মধ্যে দেখি, আগুনে পুড়ে ঘুমের মধ্যেই ছালেমা খাতুন মারা গেছেন।
নজরুল ইসলাম বলেন, আমি রাতে অন্য জায়গায় ছিলাম। খবর পেয়ে এসে দেখি ঘরের ভেতরে আগুন ও ধোঁয়া। খাট-বিছানা আগুনে পুড়ে গেছে। আমার স্ত্রীও মারা গেছেন। ছেলে জানিয়েছে, মশার কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিলো। কয়েল থেকেই আগুন লেগেছে।
সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আফসান পারভেজ বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আগুনে পুড়ে ঘরের ভেতরেই নারী মারা গেছেন। পরে পুলিশকে ঘটনা জানাই।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন সেখকে বলেন, নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মশার কয়েলের আগুন থেকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

মশার কয়েল থেকে আগুন, নারীর মৃত্যু
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

সুনামগঞ্জে মশার কয়েল থেকে সৃষ্ট আগুনে এক নারীর নারীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) ভোর রাতে সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছালেমা খাতুন আমিরপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন নজরুল ইসলামের পরিবারের লোকজন। তার স্ত্রী ছালেম খাতুন একা একটি ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ছোট ছেলে ছিলো আরেক ঘরে। গভীর রাতে মশার কয়েল থেকে খাটে আগুন লাগলে ছালেমা খাতুন পুড়ে মারা যান।
প্রতিবেশী মারফত আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম বলেন, সেহরি খেতে উঠে দেখি নজরুল ইসলামের ঘর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। পরে তাদেরকে ডেকে সজাগ করি। এর মধ্যে দেখি, আগুনে পুড়ে ঘুমের মধ্যেই ছালেমা খাতুন মারা গেছেন।
নজরুল ইসলাম বলেন, আমি রাতে অন্য জায়গায় ছিলাম। খবর পেয়ে এসে দেখি ঘরের ভেতরে আগুন ও ধোঁয়া। খাট-বিছানা আগুনে পুড়ে গেছে। আমার স্ত্রীও মারা গেছেন। ছেলে জানিয়েছে, মশার কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিলো। কয়েল থেকেই আগুন লেগেছে।
সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আফসান পারভেজ বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আগুনে পুড়ে ঘরের ভেতরেই নারী মারা গেছেন। পরে পুলিশকে ঘটনা জানাই।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন সেখকে বলেন, নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মশার কয়েলের আগুন থেকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।




