শেরপুর-১ আসন
ভোটের ফল নিয়ে আপত্তি, আদালতে যাবেন বিএনপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা

ভোটের ফল নিয়ে আপত্তি, আদালতে যাবেন বিএনপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, অবশ্যই আমি আদালতে যাবো। আমি ইসির কাছে ফলাফল স্থগিতের জন্য আবেদন করেছি। পুনরায় নির্বাচনের দাবির জন্য আবেদন করেছি।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে প্রিয়াঙ্কা ফলাফলের শিটে প্রিসাইডিং অফিসারের সই-সিল না থাকা এবং অনেক ক্ষেত্রে পোলিং এজেন্টদের নাম, সই ও এনআইডি নম্বর না থাকার কিছু প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন।
ধানের শীষের প্রার্থীর অভিযোগ, কোনো কোনো প্রার্থীর পক্ষে দলীয় কর্মীরাই প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসার নিজেই পোলিং এজেন্টদের নাম ও সই দিয়েছেন।
প্রিয়াঙ্কা বলেন, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টের নাম, এনআইডি ও স্বাক্ষরবিহীন ভোট গণনা বিবরণীপত্র কীভাবে শেরপুর জেলা রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার গ্রহণ করল?
তিনি বলেন, বারবার ডিসি অফিসে অভিযোগ জানানোর পরও জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার যথাযথ প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়নি। জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াত শিবির সমর্থিত সক্রিয় রাজনীতি করতেন, এসিল্যান্ড অনৈতিক সুবিধা নিয়ে জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছেন।
বিএনপি প্রার্থী আরও বলেন, হট্টগোল করে ধানের শীষের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হয়েছে। জামায়াত সমর্থিত এলাকায় ইচ্ছা মতো জাল ভোট দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনে শেরপুর-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী ও শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৫২১ ভোট।

বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, অবশ্যই আমি আদালতে যাবো। আমি ইসির কাছে ফলাফল স্থগিতের জন্য আবেদন করেছি। পুনরায় নির্বাচনের দাবির জন্য আবেদন করেছি।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে প্রিয়াঙ্কা ফলাফলের শিটে প্রিসাইডিং অফিসারের সই-সিল না থাকা এবং অনেক ক্ষেত্রে পোলিং এজেন্টদের নাম, সই ও এনআইডি নম্বর না থাকার কিছু প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন।
ধানের শীষের প্রার্থীর অভিযোগ, কোনো কোনো প্রার্থীর পক্ষে দলীয় কর্মীরাই প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসার নিজেই পোলিং এজেন্টদের নাম ও সই দিয়েছেন।
প্রিয়াঙ্কা বলেন, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টের নাম, এনআইডি ও স্বাক্ষরবিহীন ভোট গণনা বিবরণীপত্র কীভাবে শেরপুর জেলা রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার গ্রহণ করল?
তিনি বলেন, বারবার ডিসি অফিসে অভিযোগ জানানোর পরও জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার যথাযথ প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়নি। জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াত শিবির সমর্থিত সক্রিয় রাজনীতি করতেন, এসিল্যান্ড অনৈতিক সুবিধা নিয়ে জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছেন।
বিএনপি প্রার্থী আরও বলেন, হট্টগোল করে ধানের শীষের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হয়েছে। জামায়াত সমর্থিত এলাকায় ইচ্ছা মতো জাল ভোট দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনে শেরপুর-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী ও শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৫২১ ভোট।

ভোটের ফল নিয়ে আপত্তি, আদালতে যাবেন বিএনপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, অবশ্যই আমি আদালতে যাবো। আমি ইসির কাছে ফলাফল স্থগিতের জন্য আবেদন করেছি। পুনরায় নির্বাচনের দাবির জন্য আবেদন করেছি।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে প্রিয়াঙ্কা ফলাফলের শিটে প্রিসাইডিং অফিসারের সই-সিল না থাকা এবং অনেক ক্ষেত্রে পোলিং এজেন্টদের নাম, সই ও এনআইডি নম্বর না থাকার কিছু প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন।
ধানের শীষের প্রার্থীর অভিযোগ, কোনো কোনো প্রার্থীর পক্ষে দলীয় কর্মীরাই প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসার নিজেই পোলিং এজেন্টদের নাম ও সই দিয়েছেন।
প্রিয়াঙ্কা বলেন, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টের নাম, এনআইডি ও স্বাক্ষরবিহীন ভোট গণনা বিবরণীপত্র কীভাবে শেরপুর জেলা রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার গ্রহণ করল?
তিনি বলেন, বারবার ডিসি অফিসে অভিযোগ জানানোর পরও জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার যথাযথ প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়নি। জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াত শিবির সমর্থিত সক্রিয় রাজনীতি করতেন, এসিল্যান্ড অনৈতিক সুবিধা নিয়ে জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছেন।
বিএনপি প্রার্থী আরও বলেন, হট্টগোল করে ধানের শীষের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হয়েছে। জামায়াত সমর্থিত এলাকায় ইচ্ছা মতো জাল ভোট দেওয়া হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনে শেরপুর-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী ও শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৫২১ ভোট।




