শ্যাওলা বিক্রি করে চলে সংসার

শ্যাওলা বিক্রি করে চলে সংসার
মৃত্যুঞ্জয় রায় ও সোহেল রানা

শহিদুল, আমজাদ, এবাদুল, আনিসুর। পেশায় তারা ভ্যানচালক। সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার মহেশ্বরকাটি এলাকার বাসিন্দা। তবে প্রচণ্ড দাবদাহে ভ্যান না চালিয়ে তারা মৎস্য ঘেরের শ্যাওলা তুলে জীবিকা নির্বাহের পথ বেছে নিয়েছেন।
সরজমিনে দেখা যায়, আনিসুর ডুব দিয়ে শ্যাওলা তুলে নৌকায় রাখছেন। এবাদুল সেগুলো টেনে নিয়ে জড়ো করছেন রাস্তায়। আর শহিদুল ও আমজাদ এসব শ্যাওলা ভ্যানে তুলছেন।
কথা হয় শহিদুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমরা বড় বড় মৎস্য ঘেরে গিয়ে শ্যাওলা সংগ্রহ করি। সেগুলো মিষ্টি পানিতে চাষাবাদ করা মৎস্য ঘের মালিকের কাছে বিক্রি করি। প্রতি ভ্যান শ্যাওলা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বিক্রি হয়। এই টাকা দিয়েই চলে আমাদের সংসার।

পাশে থাকা আমজাদ, এবাদুল একই সুরে বলেন, প্রতিদিন মৎস্য ঘেরে গিয়ে শ্যাওলা সংগ্রহ করি। তারপর সেগুলো অন্য ঘের মালিকের কাছে বিক্রি করি।
এই পেশা বেছে নিয়েছেন আশাশুনি উপজেলার কুণ্ডনদা এলাকার বেশ কিছু নারী। তারাও প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শ্যাওলা সংগ্রহ করেন। ৫ ঘণ্টা কাজের জন্য মজুরি পান ২২০ টাকা।
লক্ষ্মী, শেফালি, ফিরোজারা আক্ষেপ করে বলেন, আমরা ৫ ঘণ্টা শ্যাওলা সংগ্রহ করলে ২২০ টাকা পাই। কিন্তু একই সময়ে পুরুষরা সংগ্রহ করলে মজুরি পায় ৩৫০ টাকা। একই কাজে আমাদের বেলায় মজুরি কম। এটা বৈষম্য কি না– এ প্রশ্ন তাদের।

এই শ্যাওলা কী কাজে ব্যবহার হয়– জানতে চাইলে আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মৎস্যচাষি আব্দুর রহমান বলেন, আমার ১০ বিঘার ঘেরে প্রতি বছর মাছ চাষ করি। তাদের খাদ্যের জন্য শ্যাওলা কিনতে হয়। মিষ্টি পানির মাছের জন্য এই শ্যাওলা খুব উপকারী।
আশাশুনির কুণ্ডনদা এলাকার মৎস্যচাষি সাগর বলেন, আমি ২০ বিঘার ঘেরে বাগদা চিংড়ি চাষ করি। ঘেরে প্রচুর শ্যাওলা জন্মায়। এই শ্যাওলা না সরালে বাগদার পোনা অবাধে চলাচল করতে পারে না। তাই শ্যাওলা বাছাই করে ফেলি।
সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিএম সেলিম মুঠোফোনে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শ্যাওলা চিংড়ি ঘেরের জন্য ক্ষতিকর। ঘেরে অতিরিক্ত শ্যাওলা জন্মালে চিংড়ির রেণু অবাধে চলাচল করতে পারে না। তবে মিষ্টি পানির মাছের জন্য এই শ্যাওলা উপকারী। তাই শ্যাওলা সংগ্রহকারীরা চিংড়ি ঘের থেকে শ্যাওলা তুলে বিক্রি করেন।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরায় জেলায় সর্বমোট ৭০ হাজার চিংড়ি ঘের রয়েছে।

শহিদুল, আমজাদ, এবাদুল, আনিসুর। পেশায় তারা ভ্যানচালক। সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার মহেশ্বরকাটি এলাকার বাসিন্দা। তবে প্রচণ্ড দাবদাহে ভ্যান না চালিয়ে তারা মৎস্য ঘেরের শ্যাওলা তুলে জীবিকা নির্বাহের পথ বেছে নিয়েছেন।
সরজমিনে দেখা যায়, আনিসুর ডুব দিয়ে শ্যাওলা তুলে নৌকায় রাখছেন। এবাদুল সেগুলো টেনে নিয়ে জড়ো করছেন রাস্তায়। আর শহিদুল ও আমজাদ এসব শ্যাওলা ভ্যানে তুলছেন।
কথা হয় শহিদুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমরা বড় বড় মৎস্য ঘেরে গিয়ে শ্যাওলা সংগ্রহ করি। সেগুলো মিষ্টি পানিতে চাষাবাদ করা মৎস্য ঘের মালিকের কাছে বিক্রি করি। প্রতি ভ্যান শ্যাওলা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বিক্রি হয়। এই টাকা দিয়েই চলে আমাদের সংসার।

পাশে থাকা আমজাদ, এবাদুল একই সুরে বলেন, প্রতিদিন মৎস্য ঘেরে গিয়ে শ্যাওলা সংগ্রহ করি। তারপর সেগুলো অন্য ঘের মালিকের কাছে বিক্রি করি।
এই পেশা বেছে নিয়েছেন আশাশুনি উপজেলার কুণ্ডনদা এলাকার বেশ কিছু নারী। তারাও প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শ্যাওলা সংগ্রহ করেন। ৫ ঘণ্টা কাজের জন্য মজুরি পান ২২০ টাকা।
লক্ষ্মী, শেফালি, ফিরোজারা আক্ষেপ করে বলেন, আমরা ৫ ঘণ্টা শ্যাওলা সংগ্রহ করলে ২২০ টাকা পাই। কিন্তু একই সময়ে পুরুষরা সংগ্রহ করলে মজুরি পায় ৩৫০ টাকা। একই কাজে আমাদের বেলায় মজুরি কম। এটা বৈষম্য কি না– এ প্রশ্ন তাদের।

এই শ্যাওলা কী কাজে ব্যবহার হয়– জানতে চাইলে আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মৎস্যচাষি আব্দুর রহমান বলেন, আমার ১০ বিঘার ঘেরে প্রতি বছর মাছ চাষ করি। তাদের খাদ্যের জন্য শ্যাওলা কিনতে হয়। মিষ্টি পানির মাছের জন্য এই শ্যাওলা খুব উপকারী।
আশাশুনির কুণ্ডনদা এলাকার মৎস্যচাষি সাগর বলেন, আমি ২০ বিঘার ঘেরে বাগদা চিংড়ি চাষ করি। ঘেরে প্রচুর শ্যাওলা জন্মায়। এই শ্যাওলা না সরালে বাগদার পোনা অবাধে চলাচল করতে পারে না। তাই শ্যাওলা বাছাই করে ফেলি।
সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিএম সেলিম মুঠোফোনে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শ্যাওলা চিংড়ি ঘেরের জন্য ক্ষতিকর। ঘেরে অতিরিক্ত শ্যাওলা জন্মালে চিংড়ির রেণু অবাধে চলাচল করতে পারে না। তবে মিষ্টি পানির মাছের জন্য এই শ্যাওলা উপকারী। তাই শ্যাওলা সংগ্রহকারীরা চিংড়ি ঘের থেকে শ্যাওলা তুলে বিক্রি করেন।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরায় জেলায় সর্বমোট ৭০ হাজার চিংড়ি ঘের রয়েছে।

শ্যাওলা বিক্রি করে চলে সংসার
মৃত্যুঞ্জয় রায় ও সোহেল রানা

শহিদুল, আমজাদ, এবাদুল, আনিসুর। পেশায় তারা ভ্যানচালক। সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার মহেশ্বরকাটি এলাকার বাসিন্দা। তবে প্রচণ্ড দাবদাহে ভ্যান না চালিয়ে তারা মৎস্য ঘেরের শ্যাওলা তুলে জীবিকা নির্বাহের পথ বেছে নিয়েছেন।
সরজমিনে দেখা যায়, আনিসুর ডুব দিয়ে শ্যাওলা তুলে নৌকায় রাখছেন। এবাদুল সেগুলো টেনে নিয়ে জড়ো করছেন রাস্তায়। আর শহিদুল ও আমজাদ এসব শ্যাওলা ভ্যানে তুলছেন।
কথা হয় শহিদুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমরা বড় বড় মৎস্য ঘেরে গিয়ে শ্যাওলা সংগ্রহ করি। সেগুলো মিষ্টি পানিতে চাষাবাদ করা মৎস্য ঘের মালিকের কাছে বিক্রি করি। প্রতি ভ্যান শ্যাওলা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বিক্রি হয়। এই টাকা দিয়েই চলে আমাদের সংসার।

পাশে থাকা আমজাদ, এবাদুল একই সুরে বলেন, প্রতিদিন মৎস্য ঘেরে গিয়ে শ্যাওলা সংগ্রহ করি। তারপর সেগুলো অন্য ঘের মালিকের কাছে বিক্রি করি।
এই পেশা বেছে নিয়েছেন আশাশুনি উপজেলার কুণ্ডনদা এলাকার বেশ কিছু নারী। তারাও প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শ্যাওলা সংগ্রহ করেন। ৫ ঘণ্টা কাজের জন্য মজুরি পান ২২০ টাকা।
লক্ষ্মী, শেফালি, ফিরোজারা আক্ষেপ করে বলেন, আমরা ৫ ঘণ্টা শ্যাওলা সংগ্রহ করলে ২২০ টাকা পাই। কিন্তু একই সময়ে পুরুষরা সংগ্রহ করলে মজুরি পায় ৩৫০ টাকা। একই কাজে আমাদের বেলায় মজুরি কম। এটা বৈষম্য কি না– এ প্রশ্ন তাদের।

এই শ্যাওলা কী কাজে ব্যবহার হয়– জানতে চাইলে আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মৎস্যচাষি আব্দুর রহমান বলেন, আমার ১০ বিঘার ঘেরে প্রতি বছর মাছ চাষ করি। তাদের খাদ্যের জন্য শ্যাওলা কিনতে হয়। মিষ্টি পানির মাছের জন্য এই শ্যাওলা খুব উপকারী।
আশাশুনির কুণ্ডনদা এলাকার মৎস্যচাষি সাগর বলেন, আমি ২০ বিঘার ঘেরে বাগদা চিংড়ি চাষ করি। ঘেরে প্রচুর শ্যাওলা জন্মায়। এই শ্যাওলা না সরালে বাগদার পোনা অবাধে চলাচল করতে পারে না। তাই শ্যাওলা বাছাই করে ফেলি।
সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিএম সেলিম মুঠোফোনে সিজেডএন টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শ্যাওলা চিংড়ি ঘেরের জন্য ক্ষতিকর। ঘেরে অতিরিক্ত শ্যাওলা জন্মালে চিংড়ির রেণু অবাধে চলাচল করতে পারে না। তবে মিষ্টি পানির মাছের জন্য এই শ্যাওলা উপকারী। তাই শ্যাওলা সংগ্রহকারীরা চিংড়ি ঘের থেকে শ্যাওলা তুলে বিক্রি করেন।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরায় জেলায় সর্বমোট ৭০ হাজার চিংড়ি ঘের রয়েছে।




