জেলের জালে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ

জেলের জালে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কোবাদক নদীতে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে একটি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার নদীতে মাছ ধরার সময় কচ্ছপটি আটকা পড়ে। পরে খবর পেয়ে সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সদস্যরা কচ্ছপটি উদ্ধার করে সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে অবমুক্ত করেন।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে বুড়িগোয়ালিনী এলাকার জেলেরা কোবাদক নদীতে জাল ফেললে অন্য মাছের সঙ্গে বিশাল আকৃতির একটি কচ্ছপটি উঠে আসে। এর গায়ের রঙ, খোলসের ভিন্নতর গঠন ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য সচরাচর দেখা যাওয়া কচ্ছপের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।
নদীতে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় উৎসুক জনতা সেটি দেখতে ভিড় জমান।
গাবুরা এলাকার আশিকুর রহমান বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে এই অঞ্চলের নদ-নদীতে নানা জাতের জলজ প্রাণী দেখেছি। কিন্তু এমন ভিন্ন আকৃতির কচ্ছপ এই প্রথম দেখেছি।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, সুন্দরবন ও এর আশপাশের নদ-নদীতে অনেক বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় জলজ প্রাণীর বিচরণ রয়েছে। জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের স্বার্থে নদী-উপকূলে এমন কোনো বন্যপ্রাণী বা জলজ জীব ধরা পড়লে তা আটকে না রেখে তাৎক্ষণিক বনবিভাগকে অবহিত করার জন্য তারা উপকূলীয় জেলে ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।
স্থানীয় সুন্দবন গবেষক পিযুষ বাউলিয়া বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় নদীগুলোতে এ ধরনের বিরল প্রজাতির কচ্ছপের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে এখানকার জলজ বাস্তুতন্ত্র এখনো সমৃদ্ধ। তবে সুন্দরবনের এই অনন্য জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সচেতনতা এবং বনবিভাগের কঠোর নজরদারির পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কোবাদক নদীতে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে একটি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার নদীতে মাছ ধরার সময় কচ্ছপটি আটকা পড়ে। পরে খবর পেয়ে সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সদস্যরা কচ্ছপটি উদ্ধার করে সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে অবমুক্ত করেন।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে বুড়িগোয়ালিনী এলাকার জেলেরা কোবাদক নদীতে জাল ফেললে অন্য মাছের সঙ্গে বিশাল আকৃতির একটি কচ্ছপটি উঠে আসে। এর গায়ের রঙ, খোলসের ভিন্নতর গঠন ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য সচরাচর দেখা যাওয়া কচ্ছপের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।
নদীতে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় উৎসুক জনতা সেটি দেখতে ভিড় জমান।
গাবুরা এলাকার আশিকুর রহমান বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে এই অঞ্চলের নদ-নদীতে নানা জাতের জলজ প্রাণী দেখেছি। কিন্তু এমন ভিন্ন আকৃতির কচ্ছপ এই প্রথম দেখেছি।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, সুন্দরবন ও এর আশপাশের নদ-নদীতে অনেক বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় জলজ প্রাণীর বিচরণ রয়েছে। জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের স্বার্থে নদী-উপকূলে এমন কোনো বন্যপ্রাণী বা জলজ জীব ধরা পড়লে তা আটকে না রেখে তাৎক্ষণিক বনবিভাগকে অবহিত করার জন্য তারা উপকূলীয় জেলে ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।
স্থানীয় সুন্দবন গবেষক পিযুষ বাউলিয়া বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় নদীগুলোতে এ ধরনের বিরল প্রজাতির কচ্ছপের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে এখানকার জলজ বাস্তুতন্ত্র এখনো সমৃদ্ধ। তবে সুন্দরবনের এই অনন্য জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সচেতনতা এবং বনবিভাগের কঠোর নজরদারির পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

জেলের জালে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কোবাদক নদীতে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে একটি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার নদীতে মাছ ধরার সময় কচ্ছপটি আটকা পড়ে। পরে খবর পেয়ে সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সদস্যরা কচ্ছপটি উদ্ধার করে সুন্দরবন সংলগ্ন নদীতে অবমুক্ত করেন।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে বুড়িগোয়ালিনী এলাকার জেলেরা কোবাদক নদীতে জাল ফেললে অন্য মাছের সঙ্গে বিশাল আকৃতির একটি কচ্ছপটি উঠে আসে। এর গায়ের রঙ, খোলসের ভিন্নতর গঠন ও শারীরিক বৈশিষ্ট্য সচরাচর দেখা যাওয়া কচ্ছপের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।
নদীতে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় উৎসুক জনতা সেটি দেখতে ভিড় জমান।
গাবুরা এলাকার আশিকুর রহমান বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে এই অঞ্চলের নদ-নদীতে নানা জাতের জলজ প্রাণী দেখেছি। কিন্তু এমন ভিন্ন আকৃতির কচ্ছপ এই প্রথম দেখেছি।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান, সুন্দরবন ও এর আশপাশের নদ-নদীতে অনেক বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় জলজ প্রাণীর বিচরণ রয়েছে। জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের স্বার্থে নদী-উপকূলে এমন কোনো বন্যপ্রাণী বা জলজ জীব ধরা পড়লে তা আটকে না রেখে তাৎক্ষণিক বনবিভাগকে অবহিত করার জন্য তারা উপকূলীয় জেলে ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।
স্থানীয় সুন্দবন গবেষক পিযুষ বাউলিয়া বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় নদীগুলোতে এ ধরনের বিরল প্রজাতির কচ্ছপের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে এখানকার জলজ বাস্তুতন্ত্র এখনো সমৃদ্ধ। তবে সুন্দরবনের এই অনন্য জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সচেতনতা এবং বনবিভাগের কঠোর নজরদারির পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।




