তেল সংকট: কাপ্তাই হ্রদে বন্ধ স্পিডবোট চলাচল

তেল সংকট: কাপ্তাই হ্রদে বন্ধ স্পিডবোট চলাচল
রাঙ্গামাটি-সংবাদদাতা

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে চলাচল করা যাত্রীবাহী স্পিডবোট জ্বালানি তেল সংকটের কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) সকাল থেকে চালকরা স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।
রাঙামাটি জেলা শহরের সঙ্গে বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ি উপজেলায় নৌপথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম লঞ্চ ও স্পিডবোট। লঞ্চে যাতায়াতে সময় বেশি লেগে যায় বলে অধিকাংশ যাত্রী স্পিডবোটে চলাচল করে থাকেন।
ফিশারি ঘাটের স্পিডবোটের লাইনম্যান মো. মহিউদ্দিন জানান, শনিবার (১৪ মার্চ) থেকে তেল না পাওয়ায় আজ রবিবার সকাল থেকে কোনো বোট চলতে পারছে না। বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে বনরূপা ফিলিং স্টেশনে বলে দেওয়া হয়েছে, স্পিডবোটের জন্য তেল বরাদ্দ রাখতে। আমাদেরকে ফিলিং স্টেশন থেকে বলা হয়েছে, সোমবার তেল আসা সাপেক্ষে ২০০ লিটার তেল দেওয়া হবে। তেল পেলে মোটামুটি পাঁচটি বোট চালানো যাবে।
কামরুল হাসান নামের একজন যাত্রী বলেন, লঞ্চের চেয়ে স্পিডবোটে কম সময়ে যাওয়া যায়। কিন্তু আজ সকাল থেকে স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, আমার লংগদু যাওয়ার কথা। দুপুর আড়াইটার পরে কোনো লঞ্চ না থাকায় বাধ্য হয়ে শহরের আত্মীয়ের বাসায় থাকতে হবে।
এদিকে স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও লঞ্চ চলাচল সচল রয়েছে।
রাঙামাটি লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মঈনুদ্দিন সেলিম বলেন, লঞ্চ চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পাম্পগুলো থেকে ঠিকমতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের কয়েকদিন চালানোর মতো তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, সংকট নিরসনে আমরা কাজ করছি। তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট যেন চলাচল করতে পারে সেজন্য ফিলিং স্টেশনে তেল বরাদ্দ রাখার জন্য বলে দেওয়া হয়েছে।

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে চলাচল করা যাত্রীবাহী স্পিডবোট জ্বালানি তেল সংকটের কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) সকাল থেকে চালকরা স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।
রাঙামাটি জেলা শহরের সঙ্গে বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ি উপজেলায় নৌপথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম লঞ্চ ও স্পিডবোট। লঞ্চে যাতায়াতে সময় বেশি লেগে যায় বলে অধিকাংশ যাত্রী স্পিডবোটে চলাচল করে থাকেন।
ফিশারি ঘাটের স্পিডবোটের লাইনম্যান মো. মহিউদ্দিন জানান, শনিবার (১৪ মার্চ) থেকে তেল না পাওয়ায় আজ রবিবার সকাল থেকে কোনো বোট চলতে পারছে না। বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে বনরূপা ফিলিং স্টেশনে বলে দেওয়া হয়েছে, স্পিডবোটের জন্য তেল বরাদ্দ রাখতে। আমাদেরকে ফিলিং স্টেশন থেকে বলা হয়েছে, সোমবার তেল আসা সাপেক্ষে ২০০ লিটার তেল দেওয়া হবে। তেল পেলে মোটামুটি পাঁচটি বোট চালানো যাবে।
কামরুল হাসান নামের একজন যাত্রী বলেন, লঞ্চের চেয়ে স্পিডবোটে কম সময়ে যাওয়া যায়। কিন্তু আজ সকাল থেকে স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, আমার লংগদু যাওয়ার কথা। দুপুর আড়াইটার পরে কোনো লঞ্চ না থাকায় বাধ্য হয়ে শহরের আত্মীয়ের বাসায় থাকতে হবে।
এদিকে স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও লঞ্চ চলাচল সচল রয়েছে।
রাঙামাটি লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মঈনুদ্দিন সেলিম বলেন, লঞ্চ চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পাম্পগুলো থেকে ঠিকমতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের কয়েকদিন চালানোর মতো তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, সংকট নিরসনে আমরা কাজ করছি। তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট যেন চলাচল করতে পারে সেজন্য ফিলিং স্টেশনে তেল বরাদ্দ রাখার জন্য বলে দেওয়া হয়েছে।

তেল সংকট: কাপ্তাই হ্রদে বন্ধ স্পিডবোট চলাচল
রাঙ্গামাটি-সংবাদদাতা

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে চলাচল করা যাত্রীবাহী স্পিডবোট জ্বালানি তেল সংকটের কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) সকাল থেকে চালকরা স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।
রাঙামাটি জেলা শহরের সঙ্গে বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ি উপজেলায় নৌপথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম লঞ্চ ও স্পিডবোট। লঞ্চে যাতায়াতে সময় বেশি লেগে যায় বলে অধিকাংশ যাত্রী স্পিডবোটে চলাচল করে থাকেন।
ফিশারি ঘাটের স্পিডবোটের লাইনম্যান মো. মহিউদ্দিন জানান, শনিবার (১৪ মার্চ) থেকে তেল না পাওয়ায় আজ রবিবার সকাল থেকে কোনো বোট চলতে পারছে না। বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে বনরূপা ফিলিং স্টেশনে বলে দেওয়া হয়েছে, স্পিডবোটের জন্য তেল বরাদ্দ রাখতে। আমাদেরকে ফিলিং স্টেশন থেকে বলা হয়েছে, সোমবার তেল আসা সাপেক্ষে ২০০ লিটার তেল দেওয়া হবে। তেল পেলে মোটামুটি পাঁচটি বোট চালানো যাবে।
কামরুল হাসান নামের একজন যাত্রী বলেন, লঞ্চের চেয়ে স্পিডবোটে কম সময়ে যাওয়া যায়। কিন্তু আজ সকাল থেকে স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, আমার লংগদু যাওয়ার কথা। দুপুর আড়াইটার পরে কোনো লঞ্চ না থাকায় বাধ্য হয়ে শহরের আত্মীয়ের বাসায় থাকতে হবে।
এদিকে স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও লঞ্চ চলাচল সচল রয়েছে।
রাঙামাটি লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মঈনুদ্দিন সেলিম বলেন, লঞ্চ চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পাম্পগুলো থেকে ঠিকমতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের কয়েকদিন চালানোর মতো তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, সংকট নিরসনে আমরা কাজ করছি। তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। লঞ্চ ও স্পিডবোট যেন চলাচল করতে পারে সেজন্য ফিলিং স্টেশনে তেল বরাদ্দ রাখার জন্য বলে দেওয়া হয়েছে।




