শিরোনাম

ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত রাঙামাটি, ৮০ শতাংশ হোটেল-মোটেল বুকিং

রাঙ্গামাটি-সংবাদদাতা
ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত রাঙামাটি, ৮০ শতাংশ হোটেল-মোটেল বুকিং
কাপ্তাই লেক। ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ (১৯ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে সরকারি ছুটি। ইতোমধ্যেই ঈদ উদযাপনে নাড়ির টানে গ্রামে ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।

এদিকে ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুতি নিচ্ছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি। ‎রূপের রানী খ্যাত রাঙামাটির উঁচুনিচু পাহাড়, পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে বিস্তৃত কাপ্তাই হ্রদের নীল জলরাশি ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে প্রতি বছরই ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের ভিড় জমে।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিকে সামনে রেখে দর্শনার্থীদের বরণে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা। জেলার হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ ইতিমধ্যেই অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। একইসঙ্গে স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাকের টেক্সটাইল মার্কেটেও নতুন পোশাকের সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে।

পর্যটনসংশ্লিষ্টরা জানান, বছরের অন্যান্য সময়ও পর্যটকদের আগমন থাকে, তবে ঈদের ছুটিতে তা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। এবারের দীর্ঘ ছুটিকে কেন্দ্র করে আগের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন পর্যটক সমাগমের প্রত্যাশা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ঈদের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। রাঙ্গামাটির পরিচিত ঝুলন্ত সেতুটি নতুন রঙে সজ্জিত করা হয়েছে। এছাড়াও পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স, পলওয়েল পার্ক ও আরণ্যক হলিডে রিসোর্টে সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রমজান মাসের কারণে পর্যটক আগমন কম ছিল। তবে ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে বুকিং ইতিমধ্যেই বাড়ছে। অনেক হোটেলের অধিকাংশ কক্ষ ইতোমধ্যে বুকিং হয়েছে এবং তিনি আশা করছেন, ঈদের আগেই শতভাগ কক্ষ পূর্ণ হবে।

টেক্সটাইল মার্কেটের ব্যবসায়ী মিশু মারমা জানান, ঈদের জন্য পাহাড়ি ঐতিহ্যবাহী পোশাকসহ নতুন পণ্য আনা হয়েছে। পর্যটক বৃদ্ধির সঙ্গে বিক্রিও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, ঈদ ও পরবর্তী সময়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে পুলিশ মোতায়েন থাকবে, নিয়মিত টহল চলবে এবং কাপ্তাই হ্রদে নৌ পেট্রোলিং চালানো হবে।

তিনি জানান, পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারেন, সেটিই আমাদের সর্বোচ্চ লক্ষ্য।

/জেএইচ/