এই জাতিকে আর বিভক্ত করতে দেবো না: জামায়াত আমির

এই জাতিকে আর বিভক্ত করতে দেবো না: জামায়াত আমির
রাজশাহী সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা এই জাতিকে আর বিভক্ত করতে দেবো না। আমরা ঐক্যবদ্ধ একটা জাতিকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য আমাদের ১১ দলের স্লোগান হচ্ছে, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। আমরা আল্লাহর দরবারে ওয়াদাবদ্ধ। জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ।’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন। পরে রাজশাহীর ছয়টি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে প্রতীক তুলে দেন তিনি।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘যারা চাঁদাবাজি করে না, যারা কাউকে কষ্ট দেয় না, যারা দুর্নীতি করে না, যারা মামলা-বাণিজ্য করে না, যারা বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষকে হয়রানি করে না; তাদের এখন বলা হচ্ছে জালেম। হায়রে আল্লাহ, এ কী দুনিয়ায় পড়লাম এসে! তাদের বলব, চোখ মেলে দেখেন, জনগণ আপনাদের কীভাবে দেখে।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘এখন থেকে পাহারা বসাবেন। কোনো ভোট ডাকাত, ভোট চোর, ভোট ইঞ্জিনিয়ার– কাউকে এবার কোনো ছাড় নেই। সিনা মজবুত করে আমাদের দাঁড়িয়ে যেতে হবে।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘জনগণের রায়ের মাধ্যমে আল্লাহ যদি এই দেশ পরিচালনার সুযোগ আমাদের দেন; আমরা কাউকে আর চাঁদাবাজি করতে দেবো না। এই দেশে কারও দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না। রাজার ছেলে রাজা হবে-বংশানুক্রমে পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি এই দেশে আর চলবে না। এই দেশে রাজনীতি হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘এই দেশে রাজনীতি হবে দেশপ্রেম প্রমাণের মাধ্যমে। এই দেশে কোনো আধিপত্যবাদী রাজনীতি চলবে না। হ্যাঁ, আমাদের প্রতিবেশীসহ সারা দুনিয়ার সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক থাকবে। সেই সম্পর্ক হবে সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘রাজশাহীর কিছু সমস্যা আছে। থাকবে, সব জায়গায় সমস্যা আছে; যেহেতু ইনসাফ কায়েম নাই; দেশকে নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কমিটমেন্ট নাই। এখানে একটা মেডিক্যাল কলেজ আছে, বহু পুরোনো। তার সঙ্গে একটা ডেন্টাল ইউনিট করা হয়েছে, ডেন্টাল কলেজ করা দরকার। উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেটা ঘুমিয়ে পড়েছে। আর কয়টা দিন তো, সবুর করুন। যদি আপনাদের পছন্দের লোকদের দায়িত্ব দেন, আপনাদের কিছু করতে হবে না। আমরাই খুঁজে খুঁজে সব বের করব, জাতিকে সেবা দেওয়ার জন্য। আপনাদের ডেন্টাল কলেজকে আমরা টান দিয়ে জাগিয়ে তুলে দেবো।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা এই জাতিকে আর বিভক্ত করতে দেবো না। আমরা ঐক্যবদ্ধ একটা জাতিকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য আমাদের ১১ দলের স্লোগান হচ্ছে, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। আমরা আল্লাহর দরবারে ওয়াদাবদ্ধ। জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ।’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন। পরে রাজশাহীর ছয়টি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে প্রতীক তুলে দেন তিনি।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘যারা চাঁদাবাজি করে না, যারা কাউকে কষ্ট দেয় না, যারা দুর্নীতি করে না, যারা মামলা-বাণিজ্য করে না, যারা বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষকে হয়রানি করে না; তাদের এখন বলা হচ্ছে জালেম। হায়রে আল্লাহ, এ কী দুনিয়ায় পড়লাম এসে! তাদের বলব, চোখ মেলে দেখেন, জনগণ আপনাদের কীভাবে দেখে।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘এখন থেকে পাহারা বসাবেন। কোনো ভোট ডাকাত, ভোট চোর, ভোট ইঞ্জিনিয়ার– কাউকে এবার কোনো ছাড় নেই। সিনা মজবুত করে আমাদের দাঁড়িয়ে যেতে হবে।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘জনগণের রায়ের মাধ্যমে আল্লাহ যদি এই দেশ পরিচালনার সুযোগ আমাদের দেন; আমরা কাউকে আর চাঁদাবাজি করতে দেবো না। এই দেশে কারও দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না। রাজার ছেলে রাজা হবে-বংশানুক্রমে পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি এই দেশে আর চলবে না। এই দেশে রাজনীতি হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘এই দেশে রাজনীতি হবে দেশপ্রেম প্রমাণের মাধ্যমে। এই দেশে কোনো আধিপত্যবাদী রাজনীতি চলবে না। হ্যাঁ, আমাদের প্রতিবেশীসহ সারা দুনিয়ার সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক থাকবে। সেই সম্পর্ক হবে সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘রাজশাহীর কিছু সমস্যা আছে। থাকবে, সব জায়গায় সমস্যা আছে; যেহেতু ইনসাফ কায়েম নাই; দেশকে নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কমিটমেন্ট নাই। এখানে একটা মেডিক্যাল কলেজ আছে, বহু পুরোনো। তার সঙ্গে একটা ডেন্টাল ইউনিট করা হয়েছে, ডেন্টাল কলেজ করা দরকার। উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেটা ঘুমিয়ে পড়েছে। আর কয়টা দিন তো, সবুর করুন। যদি আপনাদের পছন্দের লোকদের দায়িত্ব দেন, আপনাদের কিছু করতে হবে না। আমরাই খুঁজে খুঁজে সব বের করব, জাতিকে সেবা দেওয়ার জন্য। আপনাদের ডেন্টাল কলেজকে আমরা টান দিয়ে জাগিয়ে তুলে দেবো।’

এই জাতিকে আর বিভক্ত করতে দেবো না: জামায়াত আমির
রাজশাহী সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা এই জাতিকে আর বিভক্ত করতে দেবো না। আমরা ঐক্যবদ্ধ একটা জাতিকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য আমাদের ১১ দলের স্লোগান হচ্ছে, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। আমরা আল্লাহর দরবারে ওয়াদাবদ্ধ। জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ।’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন। পরে রাজশাহীর ছয়টি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের হাতে প্রতীক তুলে দেন তিনি।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘যারা চাঁদাবাজি করে না, যারা কাউকে কষ্ট দেয় না, যারা দুর্নীতি করে না, যারা মামলা-বাণিজ্য করে না, যারা বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষকে হয়রানি করে না; তাদের এখন বলা হচ্ছে জালেম। হায়রে আল্লাহ, এ কী দুনিয়ায় পড়লাম এসে! তাদের বলব, চোখ মেলে দেখেন, জনগণ আপনাদের কীভাবে দেখে।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘এখন থেকে পাহারা বসাবেন। কোনো ভোট ডাকাত, ভোট চোর, ভোট ইঞ্জিনিয়ার– কাউকে এবার কোনো ছাড় নেই। সিনা মজবুত করে আমাদের দাঁড়িয়ে যেতে হবে।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘জনগণের রায়ের মাধ্যমে আল্লাহ যদি এই দেশ পরিচালনার সুযোগ আমাদের দেন; আমরা কাউকে আর চাঁদাবাজি করতে দেবো না। এই দেশে কারও দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না। রাজার ছেলে রাজা হবে-বংশানুক্রমে পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি এই দেশে আর চলবে না। এই দেশে রাজনীতি হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘এই দেশে রাজনীতি হবে দেশপ্রেম প্রমাণের মাধ্যমে। এই দেশে কোনো আধিপত্যবাদী রাজনীতি চলবে না। হ্যাঁ, আমাদের প্রতিবেশীসহ সারা দুনিয়ার সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক থাকবে। সেই সম্পর্ক হবে সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘রাজশাহীর কিছু সমস্যা আছে। থাকবে, সব জায়গায় সমস্যা আছে; যেহেতু ইনসাফ কায়েম নাই; দেশকে নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কমিটমেন্ট নাই। এখানে একটা মেডিক্যাল কলেজ আছে, বহু পুরোনো। তার সঙ্গে একটা ডেন্টাল ইউনিট করা হয়েছে, ডেন্টাল কলেজ করা দরকার। উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেটা ঘুমিয়ে পড়েছে। আর কয়টা দিন তো, সবুর করুন। যদি আপনাদের পছন্দের লোকদের দায়িত্ব দেন, আপনাদের কিছু করতে হবে না। আমরাই খুঁজে খুঁজে সব বের করব, জাতিকে সেবা দেওয়ার জন্য। আপনাদের ডেন্টাল কলেজকে আমরা টান দিয়ে জাগিয়ে তুলে দেবো।’




