কোরবানিতে দেশি গরুই ভরসা
রাজশাহী সংবাদদাতা

কোরবানিতে দেশি গরুই ভরসা
রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ২০: ০২

একসময় রাজশাহী, নওগাঁসহ উত্তরাঞ্চলের কোরবানির হাটে ভরে উঠত ভারতীয় গরুতে। বছর দশেক আগেও ভারতীয় গরুই ছিল দেশের কোরবানির হাটের অন্যতম ভরসা। ধীরে ধীরে সেই গরু আসা বন্ধ হওয়ায় উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠেছে শত শত দেশি গরুর খামার। এসব খামারের বেশির ভাগই গড়ে তুলেছেন শিক্ষিত তরুণরা। এবারের কোরবানির হাট ভরে উঠবে খামারের এই দেশি গরুতে।
রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য বলছে, বিভাগের ৮ জেলায় খামারি আছেন ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৩ জন। তাদের হাতেই প্রস্তুত হয়েছে কোরবানির ৪৩ লাখ ৫ হাজার ৬২৮টি পশু। এর মধ্যে বিভাগের চাহিদা পূরণের পরও উদ্বৃত্ত থাকছে ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৯টি পশু।
এসব পশু হাটে কেনা-বেচা শেষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত হয়েছে নওগাঁ জেলায়। সেখানে ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৫১৫টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। বগুড়ায় প্রস্তুত আছে ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৭টি পশু। পাবনায় রয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৮টি ও সিরাজগঞ্জে ৬ লাখ ১৭ হাজার ৭২০টি পশু।
পবা উপজেলার খামারি আকবারুল ইসলাম বলেন, গবাদি পশুর খাবারের দাম অনেক বেড়েছে। ভারতীয় গরু এলে আমরা ন্যায্যমূল্য পাবো না।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কমলাপুরের বাসিন্দা হজরত আলী জানান, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে তিনি দুইটি মহিষ পালন করছেন। পাঁচ মাস আগে কিনেছিলেন তিন লাখ টাকায়। এখন মহিষ দুইটি প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকায় বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।
আরেক খামারি মাজদার আলী বলেন, এবারও ২০টি গরু লালন-পালন করেছি। বাজার ভালো থাকলে লাভ হবে। চরে প্রচুর গরু-মহিষ পালন হচ্ছে। ফলে দেশের খামারিরাই মানুষের চাহিদা মেটাতে পারছেন।
রাজশাহীর সিটি হাটের ইজারাদার আমিনুল ইসলাম বলেন, এবারও ভারতীয় গরু হাটে আসছে না। দেশি গরুই আসছে। দু-এক দিনের মধ্যে পাইকাররা ঢুকে পড়বেন হাটে। তারা ঢুকলেই বেচাকেনা বাড়বে।
রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক আনন্দ কুমার অধিকারী বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে ভারতীয় পশু আমদানির প্রয়োজন হচ্ছে না। এখন কোরবানির চাহিদা পূরণ করছেন দেশের খামারিরাই। সীমান্তেও কড়াকড়ি, তাই ভারতীয় পশু আসার সুযোগ খুব কম।
দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের হাটগুলো ঘুরেও একই চিত্র দেখা যায়।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান:
এখনও ভারতীয় গরু আমদানি হয়নি।
জেলার যাত্রাপুরের হাট, সিঙ্গার ডাবরী হাট সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দেশি আর সংকর জাতের গরু। হাটে গরুর বেচা কেনা কম। তবে ক্রেতারা দাবি, গরুর দাম বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, আগের চেয়ে দাম কম।
গফুর নামের এক গরু বিক্রেতা জানান, ক্রেতা কম, সবাই আসছে গরু দেখতে। বেচাকেনা কম হচ্ছে।
আরেক বিক্রেতা জলিল বলেন, আজ একটা গরু বিক্রি করেছি ১ লাখ টাকায়। লালন-পালন করে লাভ হয়নি।

একসময় রাজশাহী, নওগাঁসহ উত্তরাঞ্চলের কোরবানির হাটে ভরে উঠত ভারতীয় গরুতে। বছর দশেক আগেও ভারতীয় গরুই ছিল দেশের কোরবানির হাটের অন্যতম ভরসা। ধীরে ধীরে সেই গরু আসা বন্ধ হওয়ায় উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠেছে শত শত দেশি গরুর খামার। এসব খামারের বেশির ভাগই গড়ে তুলেছেন শিক্ষিত তরুণরা। এবারের কোরবানির হাট ভরে উঠবে খামারের এই দেশি গরুতে।
রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য বলছে, বিভাগের ৮ জেলায় খামারি আছেন ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৩ জন। তাদের হাতেই প্রস্তুত হয়েছে কোরবানির ৪৩ লাখ ৫ হাজার ৬২৮টি পশু। এর মধ্যে বিভাগের চাহিদা পূরণের পরও উদ্বৃত্ত থাকছে ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৯টি পশু।
এসব পশু হাটে কেনা-বেচা শেষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত হয়েছে নওগাঁ জেলায়। সেখানে ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৫১৫টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। বগুড়ায় প্রস্তুত আছে ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৭টি পশু। পাবনায় রয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৮টি ও সিরাজগঞ্জে ৬ লাখ ১৭ হাজার ৭২০টি পশু।
পবা উপজেলার খামারি আকবারুল ইসলাম বলেন, গবাদি পশুর খাবারের দাম অনেক বেড়েছে। ভারতীয় গরু এলে আমরা ন্যায্যমূল্য পাবো না।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কমলাপুরের বাসিন্দা হজরত আলী জানান, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে তিনি দুইটি মহিষ পালন করছেন। পাঁচ মাস আগে কিনেছিলেন তিন লাখ টাকায়। এখন মহিষ দুইটি প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকায় বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।
আরেক খামারি মাজদার আলী বলেন, এবারও ২০টি গরু লালন-পালন করেছি। বাজার ভালো থাকলে লাভ হবে। চরে প্রচুর গরু-মহিষ পালন হচ্ছে। ফলে দেশের খামারিরাই মানুষের চাহিদা মেটাতে পারছেন।
রাজশাহীর সিটি হাটের ইজারাদার আমিনুল ইসলাম বলেন, এবারও ভারতীয় গরু হাটে আসছে না। দেশি গরুই আসছে। দু-এক দিনের মধ্যে পাইকাররা ঢুকে পড়বেন হাটে। তারা ঢুকলেই বেচাকেনা বাড়বে।
রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক আনন্দ কুমার অধিকারী বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে ভারতীয় পশু আমদানির প্রয়োজন হচ্ছে না। এখন কোরবানির চাহিদা পূরণ করছেন দেশের খামারিরাই। সীমান্তেও কড়াকড়ি, তাই ভারতীয় পশু আসার সুযোগ খুব কম।
দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের হাটগুলো ঘুরেও একই চিত্র দেখা যায়।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান:
এখনও ভারতীয় গরু আমদানি হয়নি।
জেলার যাত্রাপুরের হাট, সিঙ্গার ডাবরী হাট সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দেশি আর সংকর জাতের গরু। হাটে গরুর বেচা কেনা কম। তবে ক্রেতারা দাবি, গরুর দাম বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, আগের চেয়ে দাম কম।
গফুর নামের এক গরু বিক্রেতা জানান, ক্রেতা কম, সবাই আসছে গরু দেখতে। বেচাকেনা কম হচ্ছে।
আরেক বিক্রেতা জলিল বলেন, আজ একটা গরু বিক্রি করেছি ১ লাখ টাকায়। লালন-পালন করে লাভ হয়নি।

কোরবানিতে দেশি গরুই ভরসা
রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ২০: ০২

একসময় রাজশাহী, নওগাঁসহ উত্তরাঞ্চলের কোরবানির হাটে ভরে উঠত ভারতীয় গরুতে। বছর দশেক আগেও ভারতীয় গরুই ছিল দেশের কোরবানির হাটের অন্যতম ভরসা। ধীরে ধীরে সেই গরু আসা বন্ধ হওয়ায় উত্তরাঞ্চলে গড়ে উঠেছে শত শত দেশি গরুর খামার। এসব খামারের বেশির ভাগই গড়ে তুলেছেন শিক্ষিত তরুণরা। এবারের কোরবানির হাট ভরে উঠবে খামারের এই দেশি গরুতে।
রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য বলছে, বিভাগের ৮ জেলায় খামারি আছেন ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৮৩ জন। তাদের হাতেই প্রস্তুত হয়েছে কোরবানির ৪৩ লাখ ৫ হাজার ৬২৮টি পশু। এর মধ্যে বিভাগের চাহিদা পূরণের পরও উদ্বৃত্ত থাকছে ১৮ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৯টি পশু।
এসব পশু হাটে কেনা-বেচা শেষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত হয়েছে নওগাঁ জেলায়। সেখানে ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৫১৫টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। বগুড়ায় প্রস্তুত আছে ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৭টি পশু। পাবনায় রয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৮টি ও সিরাজগঞ্জে ৬ লাখ ১৭ হাজার ৭২০টি পশু।
পবা উপজেলার খামারি আকবারুল ইসলাম বলেন, গবাদি পশুর খাবারের দাম অনেক বেড়েছে। ভারতীয় গরু এলে আমরা ন্যায্যমূল্য পাবো না।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কমলাপুরের বাসিন্দা হজরত আলী জানান, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে তিনি দুইটি মহিষ পালন করছেন। পাঁচ মাস আগে কিনেছিলেন তিন লাখ টাকায়। এখন মহিষ দুইটি প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকায় বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।
আরেক খামারি মাজদার আলী বলেন, এবারও ২০টি গরু লালন-পালন করেছি। বাজার ভালো থাকলে লাভ হবে। চরে প্রচুর গরু-মহিষ পালন হচ্ছে। ফলে দেশের খামারিরাই মানুষের চাহিদা মেটাতে পারছেন।
রাজশাহীর সিটি হাটের ইজারাদার আমিনুল ইসলাম বলেন, এবারও ভারতীয় গরু হাটে আসছে না। দেশি গরুই আসছে। দু-এক দিনের মধ্যে পাইকাররা ঢুকে পড়বেন হাটে। তারা ঢুকলেই বেচাকেনা বাড়বে।
রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক আনন্দ কুমার অধিকারী বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে ভারতীয় পশু আমদানির প্রয়োজন হচ্ছে না। এখন কোরবানির চাহিদা পূরণ করছেন দেশের খামারিরাই। সীমান্তেও কড়াকড়ি, তাই ভারতীয় পশু আসার সুযোগ খুব কম।
দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের হাটগুলো ঘুরেও একই চিত্র দেখা যায়।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান:
এখনও ভারতীয় গরু আমদানি হয়নি।
জেলার যাত্রাপুরের হাট, সিঙ্গার ডাবরী হাট সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দেশি আর সংকর জাতের গরু। হাটে গরুর বেচা কেনা কম। তবে ক্রেতারা দাবি, গরুর দাম বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, আগের চেয়ে দাম কম।
গফুর নামের এক গরু বিক্রেতা জানান, ক্রেতা কম, সবাই আসছে গরু দেখতে। বেচাকেনা কম হচ্ছে।
আরেক বিক্রেতা জলিল বলেন, আজ একটা গরু বিক্রি করেছি ১ লাখ টাকায়। লালন-পালন করে লাভ হয়নি।
/এমআর/




