‘মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান নেই’ বলায় বক্তাকে বহিষ্কার

‘মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান নেই’ বলায় বক্তাকে বহিষ্কার
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান ছিল না এমন মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এক নেতা।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন জমিয়তের পটুয়াখালী শাখার সভাপতি মাওলানা আবদুল হক কাওসারী। এ ঘটনায় উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদের মুখে তাকে বের করে দিতে বাধ্য হয় জেলা প্রশাসন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে গতকাল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রায় ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্য অংশ নেন। পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তারেক হাওলাদারসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা আবদুল হক কাওসারী মঞ্চে উঠে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করার কথা বললেও স্বাধীনতা সংগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান নেই বলে মন্তব্য করেন এবং সেটি তিনি স্বীকার করেন না বলেও জানান। তার এ বক্তব্যে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং তাকে রাজাকার বলে অভিহিত করেন। এতে মিলনায়তনে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হলে প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির মুখে জেলা প্রশাসন তাঁকে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার নির্দেশ দেয় এবং তিনি দ্রুত মিলনায়তন থেকে বের হয়ে যান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি কাজী দেলোয়ার হোসেন (দিলিপ)। তিনি জানান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আবদুল হক কাওসারী মঞ্চে বক্তব্যের শুরুতেই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান নেই বলে মন্তব্য করেন। তার এমন বক্তব্য শুনে আমরা প্রতিবাদ করে তাঁকে অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যেতে বলি। এরপর তিনি দ্রুত অনুষ্ঠান থেকে চলে যান।
সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর সরদার রশীদ বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক রাজনৈতিক দলের নেতা তার বক্তব্যে শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে কোনো ভূমিকা ছিল না বলে মন্তব্য করেন। এতে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাকে অনুষ্ঠান থেকে বের করে দিতে বলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। তিনি জানান, জাতীয় কর্মসূচি হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়। সেখানে সব রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিমন্ত্রণ করা হয়। অনুষ্ঠানে আসা এক রাজনৈতিক ব্যক্তি শেখ মুজিবুর রহমানকে জড়িয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হলে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হন এবং প্রতিবাদ করেন। এরপর ওই রাজনৈতিক ব্যক্তিকে অনুষ্ঠান ত্যাগ করতে বলা হলে তিনি চলে যান।
এ বিষয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা আবদুল হক বলেন, ‘যেখানে আমরা সদ্য স্বাধীনতা পেয়েছি, দেশ স্বাধীন হয়েছে। তবে ২৫ মার্চ রাত থেকে স্বাধীনতা পর্যন্ত শেখ মুজিব সাহেবের এ দেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে কোনো অবদান নেই। এটা সবাই স্বীকার করবে। আমি স্বাধীনতা বলতে বুঝিয়েছি ২৫ মার্চ রাত থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত শেখ মুজিবের কোনো ভূমিকা ছিল না। তখন তিনি পাকিস্তানে ছিলেন।’

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান ছিল না এমন মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এক নেতা।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন জমিয়তের পটুয়াখালী শাখার সভাপতি মাওলানা আবদুল হক কাওসারী। এ ঘটনায় উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদের মুখে তাকে বের করে দিতে বাধ্য হয় জেলা প্রশাসন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে গতকাল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রায় ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্য অংশ নেন। পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তারেক হাওলাদারসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা আবদুল হক কাওসারী মঞ্চে উঠে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করার কথা বললেও স্বাধীনতা সংগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান নেই বলে মন্তব্য করেন এবং সেটি তিনি স্বীকার করেন না বলেও জানান। তার এ বক্তব্যে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং তাকে রাজাকার বলে অভিহিত করেন। এতে মিলনায়তনে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হলে প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির মুখে জেলা প্রশাসন তাঁকে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার নির্দেশ দেয় এবং তিনি দ্রুত মিলনায়তন থেকে বের হয়ে যান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি কাজী দেলোয়ার হোসেন (দিলিপ)। তিনি জানান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আবদুল হক কাওসারী মঞ্চে বক্তব্যের শুরুতেই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান নেই বলে মন্তব্য করেন। তার এমন বক্তব্য শুনে আমরা প্রতিবাদ করে তাঁকে অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যেতে বলি। এরপর তিনি দ্রুত অনুষ্ঠান থেকে চলে যান।
সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর সরদার রশীদ বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক রাজনৈতিক দলের নেতা তার বক্তব্যে শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে কোনো ভূমিকা ছিল না বলে মন্তব্য করেন। এতে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাকে অনুষ্ঠান থেকে বের করে দিতে বলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। তিনি জানান, জাতীয় কর্মসূচি হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়। সেখানে সব রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিমন্ত্রণ করা হয়। অনুষ্ঠানে আসা এক রাজনৈতিক ব্যক্তি শেখ মুজিবুর রহমানকে জড়িয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হলে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হন এবং প্রতিবাদ করেন। এরপর ওই রাজনৈতিক ব্যক্তিকে অনুষ্ঠান ত্যাগ করতে বলা হলে তিনি চলে যান।
এ বিষয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা আবদুল হক বলেন, ‘যেখানে আমরা সদ্য স্বাধীনতা পেয়েছি, দেশ স্বাধীন হয়েছে। তবে ২৫ মার্চ রাত থেকে স্বাধীনতা পর্যন্ত শেখ মুজিব সাহেবের এ দেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে কোনো অবদান নেই। এটা সবাই স্বীকার করবে। আমি স্বাধীনতা বলতে বুঝিয়েছি ২৫ মার্চ রাত থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত শেখ মুজিবের কোনো ভূমিকা ছিল না। তখন তিনি পাকিস্তানে ছিলেন।’

‘মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান নেই’ বলায় বক্তাকে বহিষ্কার
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান ছিল না এমন মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এক নেতা।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন জমিয়তের পটুয়াখালী শাখার সভাপতি মাওলানা আবদুল হক কাওসারী। এ ঘটনায় উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদের মুখে তাকে বের করে দিতে বাধ্য হয় জেলা প্রশাসন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে গতকাল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রায় ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্য অংশ নেন। পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তারেক হাওলাদারসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা আবদুল হক কাওসারী মঞ্চে উঠে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করার কথা বললেও স্বাধীনতা সংগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান নেই বলে মন্তব্য করেন এবং সেটি তিনি স্বীকার করেন না বলেও জানান। তার এ বক্তব্যে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং তাকে রাজাকার বলে অভিহিত করেন। এতে মিলনায়তনে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হলে প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির মুখে জেলা প্রশাসন তাঁকে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার নির্দেশ দেয় এবং তিনি দ্রুত মিলনায়তন থেকে বের হয়ে যান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি কাজী দেলোয়ার হোসেন (দিলিপ)। তিনি জানান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আবদুল হক কাওসারী মঞ্চে বক্তব্যের শুরুতেই একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান নেই বলে মন্তব্য করেন। তার এমন বক্তব্য শুনে আমরা প্রতিবাদ করে তাঁকে অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যেতে বলি। এরপর তিনি দ্রুত অনুষ্ঠান থেকে চলে যান।
সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর সরদার রশীদ বলেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক রাজনৈতিক দলের নেতা তার বক্তব্যে শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তিযুদ্ধে কোনো ভূমিকা ছিল না বলে মন্তব্য করেন। এতে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাকে অনুষ্ঠান থেকে বের করে দিতে বলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। তিনি জানান, জাতীয় কর্মসূচি হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়। সেখানে সব রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিমন্ত্রণ করা হয়। অনুষ্ঠানে আসা এক রাজনৈতিক ব্যক্তি শেখ মুজিবুর রহমানকে জড়িয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হলে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হন এবং প্রতিবাদ করেন। এরপর ওই রাজনৈতিক ব্যক্তিকে অনুষ্ঠান ত্যাগ করতে বলা হলে তিনি চলে যান।
এ বিষয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা আবদুল হক বলেন, ‘যেখানে আমরা সদ্য স্বাধীনতা পেয়েছি, দেশ স্বাধীন হয়েছে। তবে ২৫ মার্চ রাত থেকে স্বাধীনতা পর্যন্ত শেখ মুজিব সাহেবের এ দেশ স্বাধীন হওয়ার পেছনে কোনো অবদান নেই। এটা সবাই স্বীকার করবে। আমি স্বাধীনতা বলতে বুঝিয়েছি ২৫ মার্চ রাত থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত শেখ মুজিবের কোনো ভূমিকা ছিল না। তখন তিনি পাকিস্তানে ছিলেন।’




