শিরোনাম

৮২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞায় পর্যটকশূন্য কুয়াকাটা

পটুয়াখালী সংবাদদাতা
৮২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞায় পর্যটকশূন্য কুয়াকাটা
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রভাবমুক্ত রাখতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা ৮২ ঘণ্টার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায়। ফলে হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে সমুদ্র সৈকত, সবখানেই নীরবতা বিরাজ করছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম দেশের সব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনারদের কাছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন।

স্থানীয় হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে নতুন বুকিং বন্ধ রয়েছে। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অধিকাংশ বুকিং বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে। ফলে শীত মৌসুমের ভরা সময়ে হোটেলগুলো প্রায় খালি পড়ে আছে।

শুধু হোটেল ব্যবসায়ীরাই নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সৈকতনির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের একজন ফটোগ্রাফার বলেন, পর্যটক না থাকায় আয় একেবারে বন্ধ। সাধারণত এই সময়ে প্রতিদিন ভালো রোজগার হয়। এখন সারাদিন বসে থাকলেও কোনো কাজ নেই।

পর্যটক না থাকায় আশপাশের দোকানপাট ও রেস্টুরেন্টগুলোও প্রায় বন্ধ। অনেক ব্যবসায়ী নিজ এলাকায় ভোট দেওয়ার জন্য চলে গেছেন। এজন্য কুয়াকাটার পর্যটননির্ভর অর্থনীতি কয়েকদিনের জন্য পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের কারণে বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য অন্যত্র দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে সীমিতসংখ্যক সদস্য দিয়ে কুয়াকাটার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

/এসআর/