দারোয়ানের কক্ষ থেকে ২০ বোতল মদ উদ্ধার

দারোয়ানের কক্ষ থেকে ২০ বোতল মদ উদ্ধার
নোয়াখালী সংবাদদাতা

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি ভবনের দারোয়ানের শয়ন কক্ষ থেকে ২০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে দারোয়ানকে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে চৌমুহনী পৌরসভার উত্তর হাজীপুর এলাকার খালপাড়ের মাইশা লেক টাওয়ারে অভিযানে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মো. মহিনউদ্দিন।
আটক আব্দুল জলিল উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের হাজী ছায়েদুল হকের ছেলে। তাকে ‘মাদক কারবারি’ বলছে পুলিশ।
ওসি মো. মহিনউদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, লেক টাওয়ারের দারোয়ান আব্দুল জলিল দীর্ঘদিন তার কক্ষে বিদেশি মদ রেখে জেলার বিভিন্ন স্থানে ডেলিভারি দেন বলে গোপনে খবর পায় ডিবি পুলিশ। ওই খবরের ভিত্তিতে রাত ১০টার দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভবনের নিচতলার পশ্চিম পাশের দারোয়ানের শয়ন কক্ষ থেকে ২০ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদসহ জলিলকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা রয়েছে।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি ভবনের দারোয়ানের শয়ন কক্ষ থেকে ২০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে দারোয়ানকে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে চৌমুহনী পৌরসভার উত্তর হাজীপুর এলাকার খালপাড়ের মাইশা লেক টাওয়ারে অভিযানে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মো. মহিনউদ্দিন।
আটক আব্দুল জলিল উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের হাজী ছায়েদুল হকের ছেলে। তাকে ‘মাদক কারবারি’ বলছে পুলিশ।
ওসি মো. মহিনউদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, লেক টাওয়ারের দারোয়ান আব্দুল জলিল দীর্ঘদিন তার কক্ষে বিদেশি মদ রেখে জেলার বিভিন্ন স্থানে ডেলিভারি দেন বলে গোপনে খবর পায় ডিবি পুলিশ। ওই খবরের ভিত্তিতে রাত ১০টার দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভবনের নিচতলার পশ্চিম পাশের দারোয়ানের শয়ন কক্ষ থেকে ২০ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদসহ জলিলকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা রয়েছে।

দারোয়ানের কক্ষ থেকে ২০ বোতল মদ উদ্ধার
নোয়াখালী সংবাদদাতা

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় একটি ভবনের দারোয়ানের শয়ন কক্ষ থেকে ২০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে দারোয়ানকে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে চৌমুহনী পৌরসভার উত্তর হাজীপুর এলাকার খালপাড়ের মাইশা লেক টাওয়ারে অভিযানে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মো. মহিনউদ্দিন।
আটক আব্দুল জলিল উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের হাজী ছায়েদুল হকের ছেলে। তাকে ‘মাদক কারবারি’ বলছে পুলিশ।
ওসি মো. মহিনউদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, লেক টাওয়ারের দারোয়ান আব্দুল জলিল দীর্ঘদিন তার কক্ষে বিদেশি মদ রেখে জেলার বিভিন্ন স্থানে ডেলিভারি দেন বলে গোপনে খবর পায় ডিবি পুলিশ। ওই খবরের ভিত্তিতে রাত ১০টার দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভবনের নিচতলার পশ্চিম পাশের দারোয়ানের শয়ন কক্ষ থেকে ২০ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদসহ জলিলকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা রয়েছে।




