অভ্যর্থনা জানাতে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা, ক্ষুব্ধ ডেপুটি স্পিকার

অভ্যর্থনা জানাতে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা, ক্ষুব্ধ ডেপুটি স্পিকার
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

বাঁধ পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। পথে তিনি দেখেন, একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাকে অভ্যর্থনা জানাতে সড়কে দাঁড়িয়ে আছেন। বিষয়টি দেখে গাড়ি থেকে নেমে যান ডেপুটি স্পিকার। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকালে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার উদয়পুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডেপুটি স্পিকার এসময় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) নির্দেশ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের গুড়াডোবা হাওরে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণাধীন একটি বাঁধ পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন। বেলা ৩টার দিকে পথে উদয়পুর বাজার এলাকায় উদয়পুর মিতালী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় তাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ডেপুটি স্পিকার তার গাড়ি থামান। পরে গাড়ি থেকে নেমে বিষয়টি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানতে চান, কেন শিক্ষার্থীদের এভাবে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি নির্দেশ দেন, ভবিষ্যতে যেন আর কখনো শিক্ষার্থীদের এভাবে দাঁড় করানো না হয়। আগে জানানো হলে তিনি নিজেই বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন। তিনি ইউএনওকে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
পরে কায়সার কামাল বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না। কে মন্ত্রী বা এমপি বা স্পিকার– এটা বড় বিষয় নয়। প্রয়োজন হলে আমরা নিজেরাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবো।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ‘তোমাদের ভালো করে পড়াশোনা করতে হবে। এর বিকল্প কোনো কিছু নেই। লেখাপড়া ছাড়া কেউ কখনো বড় হতে পারে না। এখন তোমরা পাকা ভবনে লেখাপড়া করো, আমি যখন গ্রামীণ স্কুলে পড়েছি তখন চাল চুয়ে বৃষ্টির পানি পড়তো। বই-খাতা ভিজে যেতো। কোনো রাস্তাঘাট ছিল না। আর একটা কথা হলো, মোবাইল ফোনে আসক্ত না হয়ে বইয়ের প্রতি আসক্তি বাড়ানোর প্রয়োজন।’
ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

বাঁধ পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। পথে তিনি দেখেন, একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাকে অভ্যর্থনা জানাতে সড়কে দাঁড়িয়ে আছেন। বিষয়টি দেখে গাড়ি থেকে নেমে যান ডেপুটি স্পিকার। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকালে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার উদয়পুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডেপুটি স্পিকার এসময় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) নির্দেশ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের গুড়াডোবা হাওরে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণাধীন একটি বাঁধ পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন। বেলা ৩টার দিকে পথে উদয়পুর বাজার এলাকায় উদয়পুর মিতালী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় তাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ডেপুটি স্পিকার তার গাড়ি থামান। পরে গাড়ি থেকে নেমে বিষয়টি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানতে চান, কেন শিক্ষার্থীদের এভাবে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি নির্দেশ দেন, ভবিষ্যতে যেন আর কখনো শিক্ষার্থীদের এভাবে দাঁড় করানো না হয়। আগে জানানো হলে তিনি নিজেই বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন। তিনি ইউএনওকে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
পরে কায়সার কামাল বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না। কে মন্ত্রী বা এমপি বা স্পিকার– এটা বড় বিষয় নয়। প্রয়োজন হলে আমরা নিজেরাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবো।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ‘তোমাদের ভালো করে পড়াশোনা করতে হবে। এর বিকল্প কোনো কিছু নেই। লেখাপড়া ছাড়া কেউ কখনো বড় হতে পারে না। এখন তোমরা পাকা ভবনে লেখাপড়া করো, আমি যখন গ্রামীণ স্কুলে পড়েছি তখন চাল চুয়ে বৃষ্টির পানি পড়তো। বই-খাতা ভিজে যেতো। কোনো রাস্তাঘাট ছিল না। আর একটা কথা হলো, মোবাইল ফোনে আসক্ত না হয়ে বইয়ের প্রতি আসক্তি বাড়ানোর প্রয়োজন।’
ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

অভ্যর্থনা জানাতে রাস্তায় শিক্ষার্থীরা, ক্ষুব্ধ ডেপুটি স্পিকার
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

বাঁধ পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা–দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। পথে তিনি দেখেন, একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাকে অভ্যর্থনা জানাতে সড়কে দাঁড়িয়ে আছেন। বিষয়টি দেখে গাড়ি থেকে নেমে যান ডেপুটি স্পিকার। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকালে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার উদয়পুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডেপুটি স্পিকার এসময় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) নির্দেশ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের গুড়াডোবা হাওরে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণাধীন একটি বাঁধ পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন। বেলা ৩টার দিকে পথে উদয়পুর বাজার এলাকায় উদয়পুর মিতালী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় তাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ডেপুটি স্পিকার তার গাড়ি থামান। পরে গাড়ি থেকে নেমে বিষয়টি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানতে চান, কেন শিক্ষার্থীদের এভাবে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি নির্দেশ দেন, ভবিষ্যতে যেন আর কখনো শিক্ষার্থীদের এভাবে দাঁড় করানো না হয়। আগে জানানো হলে তিনি নিজেই বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন। তিনি ইউএনওকে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
পরে কায়সার কামাল বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের রোদে বা সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করতে পারবে না। কে মন্ত্রী বা এমপি বা স্পিকার– এটা বড় বিষয় নয়। প্রয়োজন হলে আমরা নিজেরাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবো।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ‘তোমাদের ভালো করে পড়াশোনা করতে হবে। এর বিকল্প কোনো কিছু নেই। লেখাপড়া ছাড়া কেউ কখনো বড় হতে পারে না। এখন তোমরা পাকা ভবনে লেখাপড়া করো, আমি যখন গ্রামীণ স্কুলে পড়েছি তখন চাল চুয়ে বৃষ্টির পানি পড়তো। বই-খাতা ভিজে যেতো। কোনো রাস্তাঘাট ছিল না। আর একটা কথা হলো, মোবাইল ফোনে আসক্ত না হয়ে বইয়ের প্রতি আসক্তি বাড়ানোর প্রয়োজন।’
ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।




